বাংলাদেশের প্রশংসা করলেন পর্তুগিজ এমপি

  নাঈম হাসান পাভেল, লিসবন, পর্তুগাল থেকে ২৮ জুলাই ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

পর্তুগাল-বাংলাদেশের সম্পর্ক বহু পুরনো। পর্তুগিজরা সর্বপ্রথম বাংলাদেশে গিয়েছিল ষষ্ঠাদশ শতকে। ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে পর্তুগিজ নাবিকরা চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করত। তৎকালীন সময়ে তারা চট্টগ্রামের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল। পরে মোগল এবং আরাকানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তারা বেশিদিন সেই নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেনি। পর্তুগিজ বংশধরেরা এখনও চট্টগ্রামের পুরনো অংশে বসবাস করছে।

রাজনৈতিক দল শোস্যালিস্ট পার্টির এমপি থিয়াগো বারবোজা রিবেইরোর সঙ্গে কথা বলেছি বাংলাদেশ সম্পর্কে।

রিপোর্টার : কেমন আছেন? মি. থিয়াগো

থিয়াগো : আমি ভালো আছি। এখানে আসার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।

রিপোর্টার : পর্তুগালের অর্থনৈতিক সাফল্যের কারণ কী?

থিয়াগো : পর্তুগালের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আমাদের সরকারের যথাযথ উদ্যোগগুলো অন্যতম। এর মধ্যে পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন ছাড়াও উৎপাদননির্ভর নানা পদক্ষেপ রয়েছে।

রিপোর্টার : অভিবাসী নিয়ে পর্তুগালের ভাবনা কী?

থিয়াগো : আমাদের দল পর্তুগিজ শোস্যালিস্ট পার্টি ঐতিহাসিকভাবে অভিবাসীদের পক্ষে উদার একটি দল। অভিবাসীদের ব্যাপারে আমাদের দল সব সময় নমনীয় এবং ২০০৭ সালের অভিবাসী আইন আমাদের দলের অবদান। দেশীয় এবং বৈদেশিক সব জরিপ বলছে আমরা ইউরোপের অন্য দেশগুলোর তুলনায় অভিবাসীদের সবচেয়ে ভালোভাবে গ্রহণ করি।

রিপোর্টার : বাংলাদেশি অভিবাসীদের ব্যাপারে আপনার ধারণা কী?

থিয়াগো : বাংলাদেশের সবাই ভালো মানুষ এবং বাংলাদেশ কমিউনিটি পর্তুগালের অভিবাসী কমিউনিটিগুলোর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। আমার ব্যক্তিগতভাবে বহু বাংলাদেশির সঙ্গে পরিচয় হয়েছে এবং কাজ করেছি। বাংলাদেশের মানুষ সৎ এবং পরিশ্রমী ও অন্যদের ব্যাপারে যতœবান বলে আমি মনে করি। নিজেদের কমিউনিটির উন্নয়নেও বাংলাদেশিরা বেশ আন্তরিক। এক কথায় বলতে গেলে বাংলাদেশ ইজ দ্যা বেস্ট। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশিরা পর্তুগালে আসবেন এবং পর্তুগাল হবে তাদের সেকেন্ড হোম আমি আশাকরি।

রিপোর্টার : বাংলাদেশে পর্তুগালের দূতাবাস নেই। এতে বাংলাদেশিরা অনেক সমস্যায় পড়ছেন। আপনার মন্তব্য কী?

থিয়াগো : বাংলাদেশে পর্তুগালের স্থায়ী দূতাবাস না থাকার কারণে অনেকেই সমস্যায় পড়ছেন বলে আমি বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে জানতে পেরেছি। বাংলাদেশে পর্তুগালের স্থায়ী দূতাবাস করার ব্যাপারে আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জোরালো আলোচনা করেছি এবং বাংলাদেশ কমিউনিটিতেও আলোচনা চলবে এ ব্যাপারে।

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter