দাওয়াইয়ের নাম হাসি
jugantor
দাওয়াইয়ের নাম হাসি

   

২০ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাতেন ও মতিন দুই বন্ধু বিমানে উঠেছে। মিনিট দশেক পর বাতেন বাথরুমে গেল। বাথরুমে গিয়ে দেখল ৭টা সুইচ পাশাপাশি।

বাতেন ১ম সুইচে চাপ দিতেই শরীর থেকে জামাকাপড় আলাদা হয়ে গেল। ২য় সুইচে চাপ দিতেই কৃত্রিম দুটি হাত গায়ে সাবান মাখতে লাগল। ৩য় সুইচে চাপ দিতেই গায়ে পানি ঢেলে দিল। ৪র্থ সুইচে চাপ দিতেই শরীর মুছে দেয়া হল। ৫ম সুইচে চাপ দিতেই গায়ে পারফিউম মেখে দিল। ৬ষ্ঠ সুইচে চাপ দিতেই গায়ে জামাকাপড় পরিয়ে দিল। সর্বশেষ ৭ম সুইচে চাপ দিতেই লাথি দিয়ে বাতেনকে বাথরুম থেকে বের করে দিল!

*

এক মেয়েকে অপরিচিত একটি নম্বর থেকে ফোন করে কেউ একজন খুব বিরক্ত করত। মেয়ে বিরক্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত সিমকার্ড চেঞ্জ করে ফেলল। তারপর নতুন একটি সিমকার্ড কিনে মোবাইলে লাগিয়ে সেই অপরিচিত নম্বরে ফোন করে বলল, ‘আমি তো নম্বর চেঞ্জ করে ফেলেছি। এখন তুমি আর আমাকে বিরক্ত করতে পারবা না। মেয়েদের মাথায়ও বুদ্ধি আছে বস!

*

৬ বছরের এক ছেলে স্টুডিওতে গেল ছবি তুলতে। ক্যামেরাম্যান ছবি তোলার আগে ছেলেটাকে বললেন, ‘এই যে বাবু, ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকবে কিন্তু। একদম নড়াচড়া করা যাবে না। দেখবে ক্যামেরা দিয়ে একটা সুন্দর পাখি বের হবে! খুব মজা হবে তখন।’

ছেলে : ফালতু কথা বাদ দিন তো মশাই! ক্যামেরার ফোকাস আগে ঠিকমতো অ্যাডজাস্ট করেন। পোট্রেট মুডে ছবি তুলবেন। ম্যাক্রোর সঙ্গে আইএসও ২০০-এর মধ্যে রাখবেন। হাই রেজুলেশনের ছবি হওয়া চাই। ফেসবুকে আপলোড দেব। ছবি ভালো না হলে একটা টাকাও দিব না। এহ, আসছে! পাখি বের হবে! পাখি কি আপনার আব্বায় রাখছে ক্যামেরার ভেতরে? যত্তসব!

*

বাবলুর বাবা নতুন চাকরির সন্ধান করছে। এক ফার্মে ইন্টারভিউ দিচ্ছে। সবকিছু চমৎকার হচ্ছে। তবে ইন্টারভিউ বোর্ডের প্রধান সন্তুষ্ট হতে পারছেন না। এর একটা কারণ বোধ হয় বারবার তার বাসা থেকে ফোন আসছিল।

ওদিকে কোনো কারণ ছাড়াই তিনি বাবলুর বাবার ওপর বিরক্তি প্রকাশ করছিলেন। যা হোক, বাদ করে দিতে শেষ কঠিন প্রশ্নটি করলেন তিনি বাবাকে, ‘আপনার রিস্ক টেকিং ক্যাপাসিটি (ঝুঁকি নেয়ার ক্ষমতা) তো মনে হচ্ছে খুবই দুর্বল?’

বাবলুর বাবা : স্যার, একই স্ত্রীর সঙ্গে ৩০ বছর ধরে সংসার করছি- তারপরও এ কথা বলছেন?

ইন্টারভিউ বোর্ডের প্রধান এবার দাঁড়িয়ে হ্যান্ডশেক করে বাবলুর বাবাকে বললেন, ‘আগে বলবেন তো! নাও ইউ আর সিলেক্টেড। আগামী কালই জয়েন করুন।

গ্রন্থনা : রাফিয়া সুমি

দাওয়াইয়ের নাম হাসি

  
২০ জানুয়ারি ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাতেন ও মতিন দুই বন্ধু বিমানে উঠেছে। মিনিট দশেক পর বাতেন বাথরুমে গেল। বাথরুমে গিয়ে দেখল ৭টা সুইচ পাশাপাশি।

বাতেন ১ম সুইচে চাপ দিতেই শরীর থেকে জামাকাপড় আলাদা হয়ে গেল। ২য় সুইচে চাপ দিতেই কৃত্রিম দুটি হাত গায়ে সাবান মাখতে লাগল। ৩য় সুইচে চাপ দিতেই গায়ে পানি ঢেলে দিল। ৪র্থ সুইচে চাপ দিতেই শরীর মুছে দেয়া হল। ৫ম সুইচে চাপ দিতেই গায়ে পারফিউম মেখে দিল। ৬ষ্ঠ সুইচে চাপ দিতেই গায়ে জামাকাপড় পরিয়ে দিল। সর্বশেষ ৭ম সুইচে চাপ দিতেই লাথি দিয়ে বাতেনকে বাথরুম থেকে বের করে দিল!

*

এক মেয়েকে অপরিচিত একটি নম্বর থেকে ফোন করে কেউ একজন খুব বিরক্ত করত। মেয়ে বিরক্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত সিমকার্ড চেঞ্জ করে ফেলল। তারপর নতুন একটি সিমকার্ড কিনে মোবাইলে লাগিয়ে সেই অপরিচিত নম্বরে ফোন করে বলল, ‘আমি তো নম্বর চেঞ্জ করে ফেলেছি। এখন তুমি আর আমাকে বিরক্ত করতে পারবা না। মেয়েদের মাথায়ও বুদ্ধি আছে বস!

*

৬ বছরের এক ছেলে স্টুডিওতে গেল ছবি তুলতে। ক্যামেরাম্যান ছবি তোলার আগে ছেলেটাকে বললেন, ‘এই যে বাবু, ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকবে কিন্তু। একদম নড়াচড়া করা যাবে না। দেখবে ক্যামেরা দিয়ে একটা সুন্দর পাখি বের হবে! খুব মজা হবে তখন।’

ছেলে : ফালতু কথা বাদ দিন তো মশাই! ক্যামেরার ফোকাস আগে ঠিকমতো অ্যাডজাস্ট করেন। পোট্রেট মুডে ছবি তুলবেন। ম্যাক্রোর সঙ্গে আইএসও ২০০-এর মধ্যে রাখবেন। হাই রেজুলেশনের ছবি হওয়া চাই। ফেসবুকে আপলোড দেব। ছবি ভালো না হলে একটা টাকাও দিব না। এহ, আসছে! পাখি বের হবে! পাখি কি আপনার আব্বায় রাখছে ক্যামেরার ভেতরে? যত্তসব!

*

বাবলুর বাবা নতুন চাকরির সন্ধান করছে। এক ফার্মে ইন্টারভিউ দিচ্ছে। সবকিছু চমৎকার হচ্ছে। তবে ইন্টারভিউ বোর্ডের প্রধান সন্তুষ্ট হতে পারছেন না। এর একটা কারণ বোধ হয় বারবার তার বাসা থেকে ফোন আসছিল।

ওদিকে কোনো কারণ ছাড়াই তিনি বাবলুর বাবার ওপর বিরক্তি প্রকাশ করছিলেন। যা হোক, বাদ করে দিতে শেষ কঠিন প্রশ্নটি করলেন তিনি বাবাকে, ‘আপনার রিস্ক টেকিং ক্যাপাসিটি (ঝুঁকি নেয়ার ক্ষমতা) তো মনে হচ্ছে খুবই দুর্বল?’

বাবলুর বাবা : স্যার, একই স্ত্রীর সঙ্গে ৩০ বছর ধরে সংসার করছি- তারপরও এ কথা বলছেন?

ইন্টারভিউ বোর্ডের প্রধান এবার দাঁড়িয়ে হ্যান্ডশেক করে বাবলুর বাবাকে বললেন, ‘আগে বলবেন তো! নাও ইউ আর সিলেক্টেড। আগামী কালই জয়েন করুন।

গ্রন্থনা : রাফিয়া সুমি

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন