দাওয়াইয়ের নাম হাসি

  যুগান্তর ডেস্ক    ১৭ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

শিক্ষক : তুমি দেখছি ক্লাসে আজও দেরি করে এসেছো! আজ কী অজুহাত শোনাবে?

ছাত্র : স্যার, এত জোরে দৌড়ে এসেছি যে, আজ আর অজুহাত তৈরির সময়ই পাইনি!

*

ডাক্তার : আমার শরীরটা ভালো লাগছে না, এখনই একজন ডাক্তার ডেকে আনো।

কম্পাউন্ডার : স্যার, আপনি নিজেই তো দেশের সবচেয়ে বড় ডাক্তার!

ডাক্তার : আরে বোকা, আমার ফিসও তো সব ডাক্তারের চেয়ে বেশি! তাই বলছি অন্য ডাক্তার ডাক! আমাকে দেখে আমি পোষাতে পারব না!

*

বাবা : তুমি আমার অনেক আদরের সন্তান। জীবন চলার পথে কখনও কখনও তোমার মনে হতে পারে, শিক্ষকরা তোমাকে খুব পেরেশান করে, কিংবা মনে হতে পারে বাবার আচরণটা খুবই কঠিন, বা মা যাচ্ছে তাই! অথবা তোমার অফিসের বস একটা বদ লোক- যে কি না তোমাকে হয়রানি করা ছাড়া আর কিছুই জানে না। তবে মন খারাপ করবে না একটুও। তাদের বকাও দেবে না মনে মনে। শুধু কিছুদিন অপেক্ষা করো- তোমার বিয়েটা হতে দাও। বউ ঘরে আসার পর নিজের বাবা-মা, শিক্ষক, বস- সবাইকে তোমার তখন খুব ভালো মানুষ মনে হতে থাকবে, তাদের তুমি ভালোবাসতে শুরু করবে।

*

ডাক্তার : সুস্থ্য থাকতে চাইলে রাতে টেনশন সঙ্গে নিয়ে ঘুমাতে যাবেন না! টেনশন ঝেড়ে ফেলে ঘুমাতে যাবেন।

রোগী : তাহলে কি আমার বউকে ৬ মাসের জন্য বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেব!

*

নতুন জামাই এসেছে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে। শাশুড়ি ভালো ভালো রান্না করেছে জামাইয়ের জন্য। পোলাও, মাংস, ইলিশ মাছ, কোপ্তা, মিষ্টি, দই, বেগুনভাজি এবং পাটশাক! শাশুড়ি শুরুতেই জামাইয়ের প্লেটে একগাদা পাটশাক তুলে দিল! জামাই তাড়াতাড়ি সেটুকু খেয়ে ফেলল। তাই দেখে শাশুড়ি বলে উঠলেন, ‘বাবা তোমার বুঝি পাটশাকটা খুব ভালো লেগেছে, আরেকটু দিই?’

বলতে বলতে আরেক গাদা পাটশাক জামাইয়ের প্লেটে তুলে দিলেন তিনি! জামাই একটু মনক্ষুণœ হল! খাওয়ার এত কিছু; বড় বড় মাংসের টুকরা, মাছের পেটি তাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। অথচ শুধু পাটশাক খেয়েই পেট ভরে গেল! জামাই ওইটুকুও খেয়ে শেষ করতেই শাশুড়ি বললেন, ‘বাবা, আরও একটু দেব?’

জামাই এবার খাওয়া ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘আম্মা, আপনার আর কষ্ট করে প্লেটে শাক তুলে দিতে হবে না! তার চেয়ে আপনি আমারে পাটক্ষেতটা দেখিয়ে দেন, আমি গিয়ে খেয়ে আসি!’

গ্রন্থনা : রাফিয়া আক্তার

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×