দাওয়াইয়ের নাম হাসি

  যুগান্তর ডেস্ক    ১৬ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

গৃহকর্তা (ঘুমের ঘোরে) : কে ওখানে?

চোর : আমি হ্যাবলা চোর।

গৃহকর্তা : ওখানে কী করিস?

চোর : চুরি করছি।

গৃহকর্তা : চুরি করবি বুঝলাম কিন্তু হারমোনিয়াম বাজাচ্ছিস কেন?

চোর : আমার ওস্তাদ বলে দিয়েছেন, যা-ই চুরি করি সব বাজিয়ে (পরখ করে) নিতে। তাই হারমোনিয়াম বাজিয়ে নিচ্ছি!

*

এক ঢাকাইয়া তার সাহেবের সঙ্গে রেস খেলা দেখতে গেছে। ঢাকাইয়া তাগড়া দেখে এক ঘোড়ার উপর বাজি ধরল। রেস খেলা শুরু হলে দেখা গেল সে ঘোড়াটা ছুটছে সবার পেছনে। সাহেব তখন ঢাকাইয়াকে বলল, ‘কী মিয়া, কেমন ঘোড়ায় বাজি ধরলে, ওটা যে সবার পেছনে পড়ে গেল!’

সঙ্গে সঙ্গে ঢাকাইয়া জবাব দিল, ‘সাব, ঘোড়া তো নয় যেন বাঘের বাচ্চা। বেবাকগুলিরে খেদাইয়া লইয়া যাইবার লাগছে!’

*

ক্রেতা : তোমাদের ম্যানেজারকে ডাক। এ ধরনের পচা মুরগি আমি খেতে পারব না।

ওয়েটার : ম্যানেজারকে ডেকে কোনো লাভ নেই। তিনিও পচা মুরগি খেতে পারেন না!

*

একদিন ঘুম থেকে উঠে রতন তার স্ত্রীকে বললেন, ‘আজকের সকালটা সুন্দর।’

পরদিনও ঘুম থেকে উঠে রতন বললেন, ‘আজকের সকালটা সুন্দর।’

এর পরদিনও একই ঘটনা। এভাবে এক সপ্তাহ পেরোনোর পর রতনের স্ত্রী বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘প্রতিদিন এ কথা বলার মানে কী?’

রতন : সেদিন ঝগড়ার সময় তুমি বলেছিলে, কোনো এক সুন্দর সকালে তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে।

*

রতনকে দেখা গেল মুখ গোমড়া করে বসে আছে।

বন্ধুরা জিজ্ঞেস করল, ‘কী হল রতন? মন খারাপ কেন?’

রতন বলল, ‘আর বল না, আমি আর আমার স্ত্রী সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না, এবারের ছুটিটা আমরা দুজন কোথায় কাটাব। ছুটির দিনগুলো একটু আয়েশ করে কাটাতে চাই। আমি যেতে চাইছি থাইল্যান্ডে, আমার স্ত্রীও থাইল্যান্ডেই যেতে চায়!’

গ্রন্থনা : আরিফুল হক

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×