দাওয়াইয়ের নাম হাসি

  গ্রন্থনা : রাফিয়া আক্তার ১৪ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

*

একবার এক বোকা লোক ট্রেনে করে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাচ্ছিলেন তার বন্ধুর বাড়িতে। চট্টগ্রামে পৌঁছে ট্রেন থেকে নেমেই বন্ধুকে দেখতে পেয়ে অভিযোগের ঝাঁপি খুলে বসলেন, ‘জানিস, রেল কোম্পানি আমাকে এমন একটা সিট দিয়েছে, যেটা ট্রেন যেদিকে যায়, তার ঠিক উল্টোদিকে মুখ করা। এই পুরোটা সময় উল্টাদিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আমার মাথা ধরে গেছে।’

বন্ধুটি বললেন, ‘সে কী কথা, তোর বিপরীত দিকের ভদ্রলোককে অনুরোধ করে সিট বদল করে নিলেই তো হতো।’

বোকা লোকটি বললেন, ‘আরে বাবা সেই চেষ্টা কি আর করতাম না বল? কিন্তু কীভাবে করব, আমার উল্টাদিকের সিটে যে কোনো যাত্রীই ছিল না।’

*

হোজ্জা একবার স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য এক হেকিমের কাছ থেকে ওষুধ নিয়েছিলেন। কয়েক মাস পর হোজ্জা তার হেকিমের কাছে গেলেন ওই ওষুধ আনার জন্য।

হেকিম চিন্তিত কণ্ঠে বললেন, ‘আচ্ছা, গতবার তোমাকে কী ওষুধ দিয়েছিলাম, একেবারেই মনে করতে পারছি না!’

‘তাহলে ওই ওষুধ এখন থেকে আপনি নিজেই খাবেন!’ হোজ্জা বিনীত গলায় জবাব দিলেন।

*

সিআইএ অফিসে নতুন এজেন্ট দরকার। প্রার্থী দুজন পুরুষ ও একজন নারী। এদের নার্ভ কেমন শক্ত তা পরীক্ষা করতে কর্তৃপক্ষ তাদের প্রত্যেককে একটি করে পিস্তল দিলেন। বলা হল পাশের রুমে এদের একজন প্রিয় মানুষ আছেন। ঠাণ্ডা মাথায় তাকে গুলি করতে হবে। তবে এদের জানানো হয়নি পিস্তলে আসলে কোনো গুলি নেই।

প্রথম প্রার্থী রুমে প্রবেশ করে দেখলেন, একটি চেয়ারে হাত-মুখ বাঁধা অবস্থায় তার স্ত্রী। প্রিয়তমা স্ত্রীকে এভাবে দেখে তার চোখ দিয়ে পানি পড়তে শুরু করল। গুলি করার বদলে ছুটে গিয়ে সে তার স্ত্রীকে মুক্ত করল। ফলে এই পরীক্ষায় সে ফেল করল।

দ্বিতীয় প্রার্থীর বেলাতেও একই ব্যাপার ঘটল। সবশেষে নারী প্রার্থীটি ভেতরে প্রবেশ করে তার স্বামীকে হাত বাঁধা অবস্থায় দেখতে পেলেন। অনেকক্ষণ পর সেই নারী প্রার্থী হাঁপাতে হাঁপাতে ভেতর থেকে বরিয়ে এলেন। রেগে বললেন, ‘আপনারা কী পিস্তল দিয়েছেন গুলিই বের হয় না। শেষ পর্যন্ত পিস্তলের বাঁট দিয়ে পিটিয়ে আমার স্বামীকে মারতে হয়েছে!’

*

এক মেয়ের কাছে একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে কল এলো।

মেয়ে : হ্যালো?

ছেলে : তোমার কি কোনো বয়ফ্রেন্ড আছে?

মেয়ে : হ্যাঁ আছে, কিন্তু আপনি কে?

ছেলে : আমি তোর ভাই, দাঁড়া আজকে বাড়িতে আসি- তোর খবর আছে!

কিছুক্ষণ পর মেয়েটির নিকট আবার অপরিচিত নাম্বার থেকে আরেকটি কল এলো-

মেয়ে : হ্যালো?

ছেলে : তোমার কি কোনো বয়ফ্রেন্ড আছে?

মেয়ে : না।

ছেলে : তাহলে আমি কে?

মেয়ে : স্যরি স্যরি জান! আমি মনে করেছি এটা আমার ভাই।

ছেলে : আমি তোর ভাই-ই, আজ তোর একদিন কী আমার একদিন!

*

এক লোক সবসময় ক্রিকেট নিয়ে মেতে থাকে। একদিন তার বউ গোমড়া মুখে তাকে বলল, ‘তোমার শুধু সবসময় ক্রিকেট আর ক্রিকেট! তুমি তো বোধ হয় আমাদের বিয়ের তারিখটাও বলতে পারবে না!’

লোকটি লাফিয়ে উঠে বলল, ‘ছি ছি! তুমি আমাকে কী মনে করো! আমি কি এতই পাগল নাকি? আমার ঠিকই মনে আছে, যেবার শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ইন্ডিয়ার খেলায় শচীন টেন্ডুলকার এগার রানের মাথায় মুত্তিয়া মুরলিধরনের বলে আউট হয়ে গেল, সেদিনই তো আমাদের বিয়ে হল!’

*

একদিন শিক্ষক জিজ্ঞেস করলেন তার ছাত্রকে, ‘বলো তো দেখি, মুরগি কেন জিরাফের মতো লম্বা হয় না?’

ছাত্র মাথা চুলকে বলল, ‘স্যার, তাহলে তো মুরগি ডিম পাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিমটা মাটিতে পড়ে ফেটে যেত, আমাদের আর ডিম খাওয়া হতো না!’

*

নাপিতের দোকানে ঢুকেই এক লোক বললেন, ‘ভাই, আমার চুলটা মাইকেল জ্যাকসনের মতো করে দিন তো।’

নাপিত কাটতে শুরু করলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়লেন ভদ্রলোক। হঠাৎ ঘুম ভেঙে উঠে দেখলেন, চুলের যাচ্ছে তাই অবস্থা।

রেগেমেগে ভদ্রলোক বললেন, ‘সে কী! আমি না বললাম মাইকেল জ্যাকসনের মতো করে দিতে। আপনি এ কী হাল করেছেন!’

নাপিত বললেন, ‘ভাই, মাইকেল জ্যাকসন তো আর আমাদের এখানে চুল কাটাতে আসতেন না। এখানে কাটালে ওনার চুলেরও এমন স্টাইলই হতো!’

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×