দাওয়াইয়ের নাম হাসি

  গ্রন্থনা : আরিফুল হক ২১ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

*

এক সেলুনের সামনে সাইনবোর্ড ঝোলানো- ‘মাত্র দুই টাকায় চুল কাটা হয়।’ পাশেই সেলুনটির আরেকটি শাখা। তাতে আরেকটি সাইনবোর্ড। সেখানে লেখা- ‘দুই টাকায় কাটানো চুল মেরামত করা হয়!’

*

এক ইঁদুর মদের গ্লাসে পড়ে গেছে। সেখান দিয়ে একটা বিড়াল যাচ্ছিল। দেখে ইঁদুর বিড়ালকে বলল, ‘তুমি আমাকে এখান থেকে বের কর। তারপর যদি ইচ্ছা হয় তুমি আমাকে খেয়ে ফেল।’

শুনেই লাথি মেরে মদের গ্লাস ভেঙে ফেলল বিড়াল। ইঁদুর বের হয়ে দিল দৌড়। এবার বিড়ালের রাগ উঠে গেল। বিড়াল রেগে গিয়ে বলল, ‘শালা মিথ্যাবাদী, ধোঁকাবাজ, বেইমান! তুই নিজের মুখে বলেছিলি- আমাকে এখান থেকে বের কর। তারপর ইচ্ছা হলে খেয়ে ফেল। এখন তবে পালাচ্ছিস কেন?’

ইঁদুর মুচকি হাসি দিয়ে বলল, ‘রাগ করিস না দোস্ত, তখন তো আমি নেশার ঘোরে ছিলাম। কী বলতে কী বলেছি ঠিক নেই!’

*

একবার এক অনুষ্ঠানে এক বাংলাদেশি, এক সাউথ আফ্রিকান আর এক ইন্ডিয়ান গল্প করছে। আলোচনার বিষয়বস্তু ক্রিকেট।

ইন্ডিয়ান : একবার আমাদের ১ বলে ১০ রান দরকার ছিল। ব্যাটিংয়ে ছিল শচীন। বোলার বল করল। শচীন সেটা থার্ডম্যানের দিকে ঠেলে দিয়ে ৩ রান নিল। ফিল্ডার বলটা কুড়িয়ে ফেরত দিতে গিয়ে ওভার থ্রো হয়ে গেল। সেই ওভার থ্রোতে শচীন আরও তিন রান নিয়ে নিল। এবার ফিল্ডার সাবধান হয়ে সেটা ছুড়ে দিল সরাসরি উইকেট কিপারের হাতে। কিন্তু উইকেট কিপার সেটা ধরতে পারল না, আর বলটা সীমানার বাইরে গিয়ে চার হয়ে গেল। ৩+৩+৪ =১০ মানে আমরা জিতে গেলাম।

সাউথ আফ্রিকান : একবার আমাদের ১ বলে ১০ রান দরকার ছিল। আমদের গ্রায়েম স্মিথকে তো তোমরা চেন। তার গায়ে মারাত্মক জোর। সে এমন জোরে মারল যে বল স্টেডিয়াম পার হয়ে কয়েকশ’ গজ দূরে গিয়ে পড়ল। আম্পায়ারের কোনো উপায় ছিল না। সে ১২ রান দিয়ে দিল। আমরা জিতে গেলাম।

বাংলাদেশি : একবার আমাদের ১ বলে ১০ রান দরকার ছিল। আমাদের আশরাফুলকে তো তোমরা চেন। সেইরকম মারকুটে ব্যাটসম্যান। বোলার বল করল আর আশরাফুল সজোরে ব্যাট চালাল। ব্যাটের আঘাতে বল ভেঙে দুই টুকরা হয়ে গেল। এক টুকরা উড়ে বাউন্ডারি পার হল আর অন্য টুকরা গড়াতে গড়াতে বাউন্ডারি পার হল। ফলে আমরা ৬ + ৪ = ১০ রান করে ফেললাম। আমরা জিতে গেলাম!

*

এক কয়েদি দুদিন পরপর অসুস্থ হয়ে জেল ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়। পরীক্ষা করে ডাক্তার জানাল, একটি কিডনি তার কেটে ফেলে দিতে হবে। এ কথা শুনে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠল কয়েদি, ‘ডাক্তার, আমি প্রথমবার যখন আপনার কাছে আসি, আপনি টনসিল কেটে নিলেন। দ্বিতীয়বার গলব্লাডার। তৃতীয়বার কাটলেন অ্যাপেন্ডিস! আমি আপনার কাছে আসি এই আশা নিয়ে যে, অসুস্থ বলে আপনি আমাকে জেল থেকে বের হতে সাহায্য করবেন। আর আপনি কিনা উল্টা কিডনি কেটে ফেলার কথা বলছেন!

ডাক্তার : হ্যাঁ, বলছি। আর আপনি এত রেগে যাচ্ছেন কেন? একবারে কি সব হয়? আমি তো একটু একটু করে আপনাকে জেল থেকে বের করে নিচ্ছি!

*

শিক্ষক : বল তো, আমরা কীভাবে আমাদের স্কুলটাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে পারি?

ছাত্র : স্যার, আমরা ক্লাস না করে বাসায় বসে থাকতে পারি!

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×