দাওয়াইয়ের নাম হাসি
jugantor
দাওয়াইয়ের নাম হাসি

  গ্রন্থনা : রাফিয়া আক্তার  

১৭ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রফিক চাচার এক বন্ধু ডাক্তার। চাচার খুব অসুখ। তার ডাক্তার বন্ধুটি অপারেশন করেছেন। কিছুদিন পর ডাক্তার সাহেব রফিক চাচাকে বললেন, ‘বন্ধু, আমি ভুল করে তোমার পেটে একটা কাঁচি ফেলে এসেছি! তুমি অনুমতি দিলে অপারেশন করে কাঁচিটা বের করতে পারি!’

চাচা অনুমতি দিলেন। কিছুদিন পর ডাক্তার সাহেব আবার একদিন রফিক চাচাকে বললেন, ‘বন্ধু, আমি ভুল করে এবার তোমার পেটে একটা চিমটা ফেলে এসেছি, তুমি অনুমতি দিলে অপারেশন করে বের করতে পারি!’ কী আর করা, চাচা অনুমতি দিলেন আবারও।

কিছুদিন পর ডাক্তার সাহেব আবার রফিক চাচাকে বললেন, ‘বন্ধু, আমি আসলে আরও একটা ভুল করে ফেলেছি। এবার তোমার পেটে একটা গজ ফেলে এসেছি, তুমি অনুমতি দিলে অপারেশন করে বের করতে পারি!’

রফিক চাচা বললেন, ‘তুমি হইলা আমার বন্ধু মানুষ, তোমারে তো না করবার পারি না। তয় এইবার আমার একখান কথা আছে, তুমি কাটো ছিঁড়ো যাই কর, মাগার ছিলাই করবার পারবা না! পেটে একখান চেইন লাগায়া দিবা! এরপর হাত্তি-ঘোড়া যাই রাইখা আহো খালি চেইন খুলবা আর বাইর করবা!’

*

এক খাবার হোটেলে চার বন্ধু এসেছে ডিনার করতে। ডিনার শেষে চার জনই বিল দেয়া নিয়ে তর্ক করছে। একজন বলে আমি বিল দেব, আরেকজন বলে আমি দেব- এভাবে চার বন্ধুর রীতিমতো ধাক্কাধাক্কি লেগে যায়। হোটেল ম্যানেজার এ দৃশ্য দেখে বললেন, ‘পৃথিবীতে এখনও এমন বন্ধুত্ব আছে ভাবা যায় না। আপনাদের বন্ধুত্ব দেখে অন্যদেরও শেখা উচিত।’

এদিকে চার বন্ধুর ধাক্কাধাক্কি তখনও চলছে। একপর্যায়ে চার বন্ধু সিদ্ধান্ত নিল একটি দৌড় প্রতিযোগিতা হবে। আর সেই প্রতিযোগিতায় যে জয়ী হবে সে-ই বিল পরিশোধ করবে। হোটেল ম্যানেজারকে রেফারির দায়িত্ব দেয়া হল। তিনি হুইসেল বাজিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতার সূচনা করলেন। হুইসেলের শব্দ শুনেই চার বন্ধু দিল দৌড়। সেই যে গেল তারপর আর কোনোদিন ফিরে এলো না চার বন্ধু!

*

ছেলে : আমি আপনাকে প্রপোজ করতে চাচ্ছি!

মেয়ে : আপনি কি স্টুডেন্ট?

ছেলে : হুম আমি স্টুডেন্ট। প্রপোজ করি?

মেয়ে : লেখাপড়ার পাশাপাশি আর কিছু করেন?

ছেলে : একটা জব করি। এখন প্রপোজ করি?

মেয়ে : আপনার বেতন কত?

ছেলে : ১৮ থেকে ২০ হাজারের মতো। প্রপোজ করব?

মেয়ে : বাড়িতে কে কে আছে?

ছেলে : মা, আমি আর ছোট একটা ভাই। এবার প্রপোজ করি?

মেয়ে : আপনার বাবা নেই?

ছেলে : বাবা দেশের বাইরে থাকে। প্রপোজ করি?

মেয়ে : বাবা কোন দেশে থাকে?

ছেলে : ইউরোপ থাকে। মা কলেজের টিচার। ছোট ভাই ইন্টারে পড়ে। এবার তো প্রপোজ করি?

মেয়ে : আমি বুঝতে পেরেছি তুমি আমাকে কী বলতে চাচ্ছ। ওকে জান, এখন তুমি আমাকে প্রপোজ করতে পার।

ছেলে : আমার কোনো বোন নেই। আজ তো প্রপোজ ডে, তাই আপনি যদি রাজি থাকেন তাহলে আমি আপনাকে আমার বড় বোন বানাতে চাই। প্লিজ আপু আমাকে ফিরিয়ে দেবেন না!

দাওয়াইয়ের নাম হাসি

 গ্রন্থনা : রাফিয়া আক্তার 
১৭ নভেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রফিক চাচার এক বন্ধু ডাক্তার। চাচার খুব অসুখ। তার ডাক্তার বন্ধুটি অপারেশন করেছেন। কিছুদিন পর ডাক্তার সাহেব রফিক চাচাকে বললেন, ‘বন্ধু, আমি ভুল করে তোমার পেটে একটা কাঁচি ফেলে এসেছি! তুমি অনুমতি দিলে অপারেশন করে কাঁচিটা বের করতে পারি!’

চাচা অনুমতি দিলেন। কিছুদিন পর ডাক্তার সাহেব আবার একদিন রফিক চাচাকে বললেন, ‘বন্ধু, আমি ভুল করে এবার তোমার পেটে একটা চিমটা ফেলে এসেছি, তুমি অনুমতি দিলে অপারেশন করে বের করতে পারি!’ কী আর করা, চাচা অনুমতি দিলেন আবারও।

কিছুদিন পর ডাক্তার সাহেব আবার রফিক চাচাকে বললেন, ‘বন্ধু, আমি আসলে আরও একটা ভুল করে ফেলেছি। এবার তোমার পেটে একটা গজ ফেলে এসেছি, তুমি অনুমতি দিলে অপারেশন করে বের করতে পারি!’

রফিক চাচা বললেন, ‘তুমি হইলা আমার বন্ধু মানুষ, তোমারে তো না করবার পারি না। তয় এইবার আমার একখান কথা আছে, তুমি কাটো ছিঁড়ো যাই কর, মাগার ছিলাই করবার পারবা না! পেটে একখান চেইন লাগায়া দিবা! এরপর হাত্তি-ঘোড়া যাই রাইখা আহো খালি চেইন খুলবা আর বাইর করবা!’

*

এক খাবার হোটেলে চার বন্ধু এসেছে ডিনার করতে। ডিনার শেষে চার জনই বিল দেয়া নিয়ে তর্ক করছে। একজন বলে আমি বিল দেব, আরেকজন বলে আমি দেব- এভাবে চার বন্ধুর রীতিমতো ধাক্কাধাক্কি লেগে যায়। হোটেল ম্যানেজার এ দৃশ্য দেখে বললেন, ‘পৃথিবীতে এখনও এমন বন্ধুত্ব আছে ভাবা যায় না। আপনাদের বন্ধুত্ব দেখে অন্যদেরও শেখা উচিত।’

এদিকে চার বন্ধুর ধাক্কাধাক্কি তখনও চলছে। একপর্যায়ে চার বন্ধু সিদ্ধান্ত নিল একটি দৌড় প্রতিযোগিতা হবে। আর সেই প্রতিযোগিতায় যে জয়ী হবে সে-ই বিল পরিশোধ করবে। হোটেল ম্যানেজারকে রেফারির দায়িত্ব দেয়া হল। তিনি হুইসেল বাজিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতার সূচনা করলেন। হুইসেলের শব্দ শুনেই চার বন্ধু দিল দৌড়। সেই যে গেল তারপর আর কোনোদিন ফিরে এলো না চার বন্ধু!

*

ছেলে : আমি আপনাকে প্রপোজ করতে চাচ্ছি!

মেয়ে : আপনি কি স্টুডেন্ট?

ছেলে : হুম আমি স্টুডেন্ট। প্রপোজ করি?

মেয়ে : লেখাপড়ার পাশাপাশি আর কিছু করেন?

ছেলে : একটা জব করি। এখন প্রপোজ করি?

মেয়ে : আপনার বেতন কত?

ছেলে : ১৮ থেকে ২০ হাজারের মতো। প্রপোজ করব?

মেয়ে : বাড়িতে কে কে আছে?

ছেলে : মা, আমি আর ছোট একটা ভাই। এবার প্রপোজ করি?

মেয়ে : আপনার বাবা নেই?

ছেলে : বাবা দেশের বাইরে থাকে। প্রপোজ করি?

মেয়ে : বাবা কোন দেশে থাকে?

ছেলে : ইউরোপ থাকে। মা কলেজের টিচার। ছোট ভাই ইন্টারে পড়ে। এবার তো প্রপোজ করি?

মেয়ে : আমি বুঝতে পেরেছি তুমি আমাকে কী বলতে চাচ্ছ। ওকে জান, এখন তুমি আমাকে প্রপোজ করতে পার।

ছেলে : আমার কোনো বোন নেই। আজ তো প্রপোজ ডে, তাই আপনি যদি রাজি থাকেন তাহলে আমি আপনাকে আমার বড় বোন বানাতে চাই। প্লিজ আপু আমাকে ফিরিয়ে দেবেন না!

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন