খবর আছে

সদ্য সমাপ্ত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার ও উচ্চশব্দে প্রচার চালানো-এ দুটি বিষয়ে জরিপ করেছে বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস)। এ জরিপ নিয়ে আতশকাঁচ হাতে অনুসন্ধানে নেমেছেন

  সত্যজিৎ বিশ্বাস ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

খবর : শব্দদূষণে বিরক্ত নগরবাসী

* ক্যাপস বলছে, পোস্টারের গায়ে জামা হিসেবে যে স্বচ্ছ পলিথিন ব্যবহার করা হয়েছে তার পরিমাণ ৩৩.৬৮ টন। তো, সমস্যা কী? তীব্র শীতে আমরা সবাই অনেক ভারী ভারী পোশাক পরি। পোস্টার বলে তাদের কি শীত লাগে না! এ শীতে একটি পোস্টারকেও বস্ত্রহীন না থাকতে দেয়ার যে মহান কাজটি নীরবে করে গেছেন জনপ্রতিনিধিরা, সেজন্য ধন্যবাদ তো নয়-ই বরং উল্টো অভিযোগ? এটা কি ঠিক?

* পোস্টার ও পলিথিন মিলিয়ে নির্বাচন উপলক্ষে নাকি মোট ৭৩.২৫ টন আবর্জনা তৈরি হয়েছে। আরে বাবা, সেই আবর্জনা পুড়িয়ে ভোরে বা সন্ধ্যার পরে শীতার্তদের জন্য যে উত্তাপের বিশাল আয়োজন করা হল, সেটা বুঝি কিছু না?

* ক্যাপস আরও বলছে, নির্বাচনী প্রচারে কাভার্ডভ্যানে বসানো সাউন্ডবক্স থেকে যে শব্দ বের হয়েছে তার মাত্রা ১২০ ডেসিবেলের চেয়েও বেশি। এ মাত্রার শব্দ যদি কেউ ঘণ্টাখানেক শোনে, তাহলে তার সম্পূর্ণ বধির হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে! তো কথা হল, আপনার ঘণ্টাখানেক ধরে শোনার দরকার কী? এ রকম পরিস্থিতিতে ৫-১০ মিনিট শুনে নিকট বা দূরবর্তী কোনো স্থানে কেটে পড়বেন। রাস্তায় নামলে এক্সিডেন্ট হতে পারে জেনেও যদি রাস্তায় নামেন, সে দোষ কার?

* কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনের প্রচারে পলিথিন ও শব্দদূষণ থেকে বোঝা গেছে, জনপ্রতিনিধিরা কেমন শহর উপহার দেবেন! প্রিয় জনপ্রতিনিধিরা, দুষ্টু লোকেরা অনেক কথাই বলবে। আপনারা হতাশ হবেন না। দিনশেষে একটি কথাই ধ্র“ব সত্য- প্রচারেই প্রসার। সেটা যেভাবেই হোক না কেন!

খবর : এসএসসি পরীক্ষায় গাংনীর ১৩ পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা

২০২০ সালের এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো নকলমুক্ত করতে গাংনী উপজেলার ১৩টি পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে। এবারই প্রথম পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করায় সবাই এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। আসলেই কী তাই?

* শিক্ষকরা বলছেন, এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তারা তো বলবেনই। তাদের তো আর পরীক্ষা দিতে হচ্ছে না। পরীক্ষা পাসের জন্য ব্যাক বেঞ্চের ছাত্রছাত্রীদের জন্য এটা যে যুগান্তকারী বাঁশ- একবারও কি সে কথা ভেবে দেখেছেন?

* ব্যাক বেঞ্চাররা এখন শিক্ষক নাকি সিসি ক্যামেরা- কার দিকে চোখ রেখে টোকাটুকি করবে? কে তাদের আশার বাণী শোনাবে? কে তাদের পাস করাবে?

* ইয়ে মানে যারা মনে করে নকল করাও একটা শিল্প, সেই শিল্পের নিপুণ শিল্পীরা এটা কখনও মেনে নেবে? এ যে রীতিমতো নকল শিল্পে কুঠারাঘাত!

আরও পড়ুন

'কোভিড-১৯' সর্বশেষ আপডেট

# আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ৪৮ ১৫
বিশ্ব ৬,৫০,৫৬৭১,৩৯,৫৫২৩০,২৯৯
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

 
×