নীতিকথার গল্প
jugantor
ভিনদেশি রসিকতা
নীতিকথার গল্প

  আশরাফুল আলম পিনটু  

০৫ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

একদিন ক্লাস শেষে শিক্ষক সবাইকে বললেন, বাড়িতে গিয়ে তোমরা একটা করে গল্প ভেবে আসবে। সেগুলো হতে হবে নৈতিক গল্প। গল্পের শেষে একটা নীতিকথা থাকবে।

পরের দিন শিক্ষক তার ছাত্রদের গল্প বলতে বললেন। ছোট্ট সুজি হাত তুলল। তারপর দাঁড়িয়ে বলতে শুরু করল, ‘আমার বাবার একটা মুরগির খামার আছে। প্রতি রোববার তিনি একটা ট্রাকে মুরগির ডিম ভর্তি করে শহরে বিক্রি করতে যান। গত রোববারেও তিনি ট্রাকে ডিম বোঝাই করে বিক্রি করতে গেলেন। কিন্তু রাস্তায় একটা বড় ধাক্কা লেগে সব ডিম রাস্তায় পড়ে নষ্ট হয়ে গেল।’

শিক্ষক সুজিকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমার এ গল্পের মূল নীতিকথা কী?’

সুজি উত্তর দিল, ‘তোমরা সব ডিম এক ঝুড়িতে রেখো না।’

এবার ছোট্ট লুসির গল্প বলার পালা। লুসি বলল, ‘আমার বাবাও একটা মুরগি খামারের মালিক। প্রতি সপ্তাহে তিনি বাচ্চা ফোটানোর জন্য ইনকিউবিটরে মুরগির ডিম রাখেন। গত সপ্তাহে ১০০ ডিমের মধ্যে মাত্র ৮০টা বাচ্চা ফুটেছে।’

শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমার এ গল্পের নীতিকথা বল।’

লুসি জবাব দিল, ‘বাচ্চা ফোটানোর আগে ডিম গুনবে না।’

গল্প বলার পালা এলো ছোট্ট বিলির। সে বলল, ‘আমার চাচা টেড ভিয়েতনাম যুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। তার বিমান শত্রু অঞ্চলে গুলিবিদ্ধ হয়। বিমানটা ধ্বংস হওয়ার আগেই তিনি লাফিয়ে পড়েন। এ সময় তার কাছে মাত্র এক বোতল মদ, একটা মেশিনগান আর একটা ছোরা ছিল। নিচে পড়ার আগেই তিনি পুরো বোতল মদ খেয়ে ফেললেন। দুর্ভাগ্যবশত তিনি পড়লেন ঠিক ১০০ ভিয়েতনামি সৈন্যের মাঝখানে। তিনি মেশিনগান দিয়ে গুলি করে ৭০ জন সৈন্য মেরে ফেললেন। গুলি শেষ হয়ে গেল। এবার তিনি ছুরি বের করলেন। সেটা দিয়ে হত্যা করলেন আরও ২০ জন। কিন্তু তার ছুরিটাও ভেঙে গেল। এবার তিনি খালি হাতেই ১০ জনকে মেরে ফেললেন।’

শিক্ষক হতাশ হয়ে জানতে চাইলেন, ‘তোমার এই গল্পে কোনো নীতিকথা আছে কি?’

‘আছে স্যার।’ বিলি জবাব দিল, ‘কেউ যখন মাতাল থাকে তাকে চটিও না!’

ভিনদেশি রসিকতা

নীতিকথার গল্প

 আশরাফুল আলম পিনটু 
০৫ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

একদিন ক্লাস শেষে শিক্ষক সবাইকে বললেন, বাড়িতে গিয়ে তোমরা একটা করে গল্প ভেবে আসবে। সেগুলো হতে হবে নৈতিক গল্প। গল্পের শেষে একটা নীতিকথা থাকবে।

পরের দিন শিক্ষক তার ছাত্রদের গল্প বলতে বললেন। ছোট্ট সুজি হাত তুলল। তারপর দাঁড়িয়ে বলতে শুরু করল, ‘আমার বাবার একটা মুরগির খামার আছে। প্রতি রোববার তিনি একটা ট্রাকে মুরগির ডিম ভর্তি করে শহরে বিক্রি করতে যান। গত রোববারেও তিনি ট্রাকে ডিম বোঝাই করে বিক্রি করতে গেলেন। কিন্তু রাস্তায় একটা বড় ধাক্কা লেগে সব ডিম রাস্তায় পড়ে নষ্ট হয়ে গেল।’

শিক্ষক সুজিকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমার এ গল্পের মূল নীতিকথা কী?’

সুজি উত্তর দিল, ‘তোমরা সব ডিম এক ঝুড়িতে রেখো না।’

এবার ছোট্ট লুসির গল্প বলার পালা। লুসি বলল, ‘আমার বাবাও একটা মুরগি খামারের মালিক। প্রতি সপ্তাহে তিনি বাচ্চা ফোটানোর জন্য ইনকিউবিটরে মুরগির ডিম রাখেন। গত সপ্তাহে ১০০ ডিমের মধ্যে মাত্র ৮০টা বাচ্চা ফুটেছে।’

শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমার এ গল্পের নীতিকথা বল।’

লুসি জবাব দিল, ‘বাচ্চা ফোটানোর আগে ডিম গুনবে না।’

গল্প বলার পালা এলো ছোট্ট বিলির। সে বলল, ‘আমার চাচা টেড ভিয়েতনাম যুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। তার বিমান শত্রু অঞ্চলে গুলিবিদ্ধ হয়। বিমানটা ধ্বংস হওয়ার আগেই তিনি লাফিয়ে পড়েন। এ সময় তার কাছে মাত্র এক বোতল মদ, একটা মেশিনগান আর একটা ছোরা ছিল। নিচে পড়ার আগেই তিনি পুরো বোতল মদ খেয়ে ফেললেন। দুর্ভাগ্যবশত তিনি পড়লেন ঠিক ১০০ ভিয়েতনামি সৈন্যের মাঝখানে। তিনি মেশিনগান দিয়ে গুলি করে ৭০ জন সৈন্য মেরে ফেললেন। গুলি শেষ হয়ে গেল। এবার তিনি ছুরি বের করলেন। সেটা দিয়ে হত্যা করলেন আরও ২০ জন। কিন্তু তার ছুরিটাও ভেঙে গেল। এবার তিনি খালি হাতেই ১০ জনকে মেরে ফেললেন।’

শিক্ষক হতাশ হয়ে জানতে চাইলেন, ‘তোমার এই গল্পে কোনো নীতিকথা আছে কি?’

‘আছে স্যার।’ বিলি জবাব দিল, ‘কেউ যখন মাতাল থাকে তাকে চটিও না!’