দাওয়াইয়ের নাম হাসি
jugantor
দাওয়াইয়ের নাম হাসি

   

০৫ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাত্রী পক্ষ : তুমি কি আমাদের মেয়েকে বিয়ে করে আমাদের জামাই হতে চাও?

পাত্র : আসলে ব্যাপারটা ঠিক তা নয়। তবে বিয়ে না করে অন্য কোনোভাবে জামাই হয়ে থাকার উপায় থাকলে বলতে পারেন। আমি বিবেচনা করে দেখব।

*

মামা : আমার অফিস কেমন লাগছে তোর?

বিল্টু : ভালোই তো। কিন্তু গাধাগুলো কোথায়?

মামা : গাধাগুলো কোথায় মানে! কী বলছিস এসব?

বিল্টু : কেন, তুমিই তো বলো, তোমার অফিসে নাকি সব গাধারা কাজ করে! আমি তো গাধা দেখতেই এলাম!

*

মা : খুব ভালো করে পড় বাবা। কদিন পর কিন্তু পরীক্ষা আসছে।

ছেলে : কোনো সমস্যা নেই মা। পরীক্ষা এলে বলে দেবে আমি বাসায় নেই!

*

শিক্ষক : ফাজিল ছেলে! তোকে বলেছি ব্যাকটেরিয়া আঁকতে, আর তুই কিনা সাদা খাতা ধরিয়ে দিলি!

ছাত্র : কেন স্যার, আপনিই তো বলেছেন খালি চোখে ব্যাকটেরিয়া দেখা যায় না।

*

ছেলে : মা, বুবুর বিয়ে তো হয়ে গেল। এবার আমি বিয়ে করব।

মা : বিয়ে করবি মানে! তুই তো কোনো কাজ করিস না, বউকে খাওয়াবি কী?

ছেলে : কেন, এখন তো বুবু নেই, বুবুর বিয়ে হয়ে গেছে। বুবু যা খেত সেগুলো এখন থেকে আমার বউ খাবে!

গ্রন্থনা : রাফিয়া আক্তার

দাওয়াইয়ের নাম হাসি

  
০৫ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাত্রী পক্ষ : তুমি কি আমাদের মেয়েকে বিয়ে করে আমাদের জামাই হতে চাও?

পাত্র : আসলে ব্যাপারটা ঠিক তা নয়। তবে বিয়ে না করে অন্য কোনোভাবে জামাই হয়ে থাকার উপায় থাকলে বলতে পারেন। আমি বিবেচনা করে দেখব।

*

মামা : আমার অফিস কেমন লাগছে তোর?

বিল্টু : ভালোই তো। কিন্তু গাধাগুলো কোথায়?

মামা : গাধাগুলো কোথায় মানে! কী বলছিস এসব?

বিল্টু : কেন, তুমিই তো বলো, তোমার অফিসে নাকি সব গাধারা কাজ করে! আমি তো গাধা দেখতেই এলাম!

*

মা : খুব ভালো করে পড় বাবা। কদিন পর কিন্তু পরীক্ষা আসছে।

ছেলে : কোনো সমস্যা নেই মা। পরীক্ষা এলে বলে দেবে আমি বাসায় নেই!

*

শিক্ষক : ফাজিল ছেলে! তোকে বলেছি ব্যাকটেরিয়া আঁকতে, আর তুই কিনা সাদা খাতা ধরিয়ে দিলি!

ছাত্র : কেন স্যার, আপনিই তো বলেছেন খালি চোখে ব্যাকটেরিয়া দেখা যায় না।

*

ছেলে : মা, বুবুর বিয়ে তো হয়ে গেল। এবার আমি বিয়ে করব।

মা : বিয়ে করবি মানে! তুই তো কোনো কাজ করিস না, বউকে খাওয়াবি কী?

ছেলে : কেন, এখন তো বুবু নেই, বুবুর বিয়ে হয়ে গেছে। বুবু যা খেত সেগুলো এখন থেকে আমার বউ খাবে!

গ্রন্থনা : রাফিয়া আক্তার