রেস্টুরেন্টে একদিন
jugantor
ভিনদেশি রশিকতা
রেস্টুরেন্টে একদিন

  কমল আরেফিন  

১৮ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রেস্টুরেন্টে বসে একা একা চা খাচ্ছিল মনির। এমন সময় রেস্টুরেন্টের ভেতরে হাজির হল মোটাসোটা এক লোক। এসেই আচমকা মনিরের গালে কষে একটি চড় বসিয়ে দিল। চড় খেয়ে চেয়ার থেকে উল্টে নিচে পড়ে গেল মনির। তবুও বেচারা আবার উঠে বসল চেয়ারে। মোটা লোকটি মুচকি হেসে মনিরকে বলল, ‘এর নাম কারাতে চপ! সরাসরি কোরিয়া থেকে এসেছে!’

মনির চুপচাপ শুনল। কিন্তু কিছুই বলল না। আবারও চায়ের কাপে চুমুক দিল সে। মিনিট দুয়েক বাদে মোটা লোকটি আবারও মনিরের সামনে এসে হাজির হল। তারপর আবার এক চড়! যথারীতি মনিরের গালে। মনির এবারও উল্টে চেয়ার থেকে পড়ে গেল। ব্যথায় মুখটিও খানিকটা বেঁকে গেল। মোটা লোকটি এবারও মুচকি হেসে বলল, ‘এটির নাম জুডো চপ! বুঝতেই পারছ, এটি জাপান থেকে এসেছে।’

পরপর দুটি বিরাশি সিক্কার চড় হজম করে মনির খানিকটা বাকরুদ্ধ। সে উঠে দাঁড়াল আবার। তারপর কিছু না বলে রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে গেল। এদিকে মনির চলে যেতেই মোটা লোকটি তার চেয়ারে বসে আয়েশ করে চা খেতে শুরু করল। এভাবে মিনিট দশেক পার হল।

এর মধ্যে চুপিচুপি রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করল মনির। তারপর আচমকা পেছন থেকে মোটা লোকটির মাথায় আঘাত করল। লোকটি সঙ্গে সঙ্গে চেয়ার উল্টে নিচে পড়ে গেল এবং জ্ঞান হারাল। মনির এবার পাশের টেবিলের এক ভদ্রলোককে ডেকে বলল, ‘এ বদমাশটির জ্ঞান ফিরলে একটু বলবেন, এটি শাবল। সরাসরি আমাদের পাড়ার মতিনের দোকান থেকে এসেছে!’

ভিনদেশি রশিকতা

রেস্টুরেন্টে একদিন

 কমল আরেফিন 
১৮ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রেস্টুরেন্টে বসে একা একা চা খাচ্ছিল মনির। এমন সময় রেস্টুরেন্টের ভেতরে হাজির হল মোটাসোটা এক লোক। এসেই আচমকা মনিরের গালে কষে একটি চড় বসিয়ে দিল। চড় খেয়ে চেয়ার থেকে উল্টে নিচে পড়ে গেল মনির। তবুও বেচারা আবার উঠে বসল চেয়ারে। মোটা লোকটি মুচকি হেসে মনিরকে বলল, ‘এর নাম কারাতে চপ! সরাসরি কোরিয়া থেকে এসেছে!’

মনির চুপচাপ শুনল। কিন্তু কিছুই বলল না। আবারও চায়ের কাপে চুমুক দিল সে। মিনিট দুয়েক বাদে মোটা লোকটি আবারও মনিরের সামনে এসে হাজির হল। তারপর আবার এক চড়! যথারীতি মনিরের গালে। মনির এবারও উল্টে চেয়ার থেকে পড়ে গেল। ব্যথায় মুখটিও খানিকটা বেঁকে গেল। মোটা লোকটি এবারও মুচকি হেসে বলল, ‘এটির নাম জুডো চপ! বুঝতেই পারছ, এটি জাপান থেকে এসেছে।’

পরপর দুটি বিরাশি সিক্কার চড় হজম করে মনির খানিকটা বাকরুদ্ধ। সে উঠে দাঁড়াল আবার। তারপর কিছু না বলে রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে গেল। এদিকে মনির চলে যেতেই মোটা লোকটি তার চেয়ারে বসে আয়েশ করে চা খেতে শুরু করল। এভাবে মিনিট দশেক পার হল।

এর মধ্যে চুপিচুপি রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করল মনির। তারপর আচমকা পেছন থেকে মোটা লোকটির মাথায় আঘাত করল। লোকটি সঙ্গে সঙ্গে চেয়ার উল্টে নিচে পড়ে গেল এবং জ্ঞান হারাল। মনির এবার পাশের টেবিলের এক ভদ্রলোককে ডেকে বলল, ‘এ বদমাশটির জ্ঞান ফিরলে একটু বলবেন, এটি শাবল। সরাসরি আমাদের পাড়ার মতিনের দোকান থেকে এসেছে!’