কেনাকাটা
jugantor
ভিনদেশি রসিকতা
কেনাকাটা

  আশরাফুল আলম পিনটু  

০৯ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সামনে বড় উৎসব। তারই আমেজ চার পাশে। আনন্দে মাতোয়ারা সবাই। কেনাকাটার ধুম। কাপড়-চোপড়। জামা-জুতা। নানা উপহার। এটা-সেটা। আরও কত কী!

সেই উৎসবের আগে আগে স্বামী-স্ত্রী গেলেন কেনাকাটা করতে। স্বামী আবার মহাব্যস্ত মানুষ। তবে তার ব্যস্ততা কিসের তা স্ত্রী ভালোই জানেন। মদপানে স্বামীর জুড়ি নেই। সুযোগ পেলেই পান করেন। সময়-অসময় নেই। ঢুকে পড়েন পানশালায়।

যাচ্ছি-যাব করে স্বামী আজ স্ত্রীকে নিয়ে এসেছেন মার্কেটে। আসার আগে স্ত্রী বলেছেন, ‘আমার কিন্তু অনেক কেনাকাটা আছে!’ স্বামী বলেছেন, ‘আচ্ছা, ঠিক আছে। যা চাও সব কিনে দেব আজ।’

বিশাল শপিংমল। শেষের দিকে বলে প্রচণ্ড ভিড় ক্রেতার। লোকজন কেনাকাটায় ব্যস্ত। দলবেঁধে এসেছেন অনেকে। ভিড় ঠেলে দোকানে দোকানে ঢুঁ মারলেন স্বামী আর স্ত্রী।

স্ত্রী হঠাৎ খেয়াল করলেন, স্বামী পাশে নেই। এদিক ওদিক তাকালেন। কিন্তু কোথাও দেখতে পেলেন না। এদিকে কেনাকাটার অনেক বাকি। তিনি মোবাইলে ফোন করলেন স্বামীকে।

স্ত্রী বললেন, ‘তুমি কোথায়? কিছুই তো কেনা হলো না এখনো!’

স্বামী বললেন, ‘সেই সোনার দোকানের কথা মনে আছে তোমার?’

‘কোন দোকানের কথা বলছ?’ জানতে চাইলেন স্ত্রী।

‘১০ বছর আগে যেখানে তুমি একটা সুন্দর হিরের হার পছন্দ করেছিলে। তোমার কেনার খুব ইচ্ছে ছিল। কিন্তু তখন কিনে দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না আমার। কথা দিয়েছিলাম, নিশ্চয়ই একদিন ওটা কিনে দেবো তোমাকে। মনে আছে দোকানটা?’

স্বামীর কথা শুনে আনন্দে কান্না পাচ্ছিল স্ত্রীর। কয়েক ফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ল গাল বেয়ে।

নিজেকে সামলে নিয়ে স্ত্রী জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, মনে আছে। সেদিনের কথা আজও ভুলিনি।’

স্বামী : তাহলে তো খুবই ভালো। আসতে কোনো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়!

স্ত্রী : তুমি কি এখন ওই দোকানে?

স্বামী : না। ওই দোকানের বিপরীতে পানশালায়!

ভিনদেশি রসিকতা

কেনাকাটা

 আশরাফুল আলম পিনটু 
০৯ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সামনে বড় উৎসব। তারই আমেজ চার পাশে। আনন্দে মাতোয়ারা সবাই। কেনাকাটার ধুম। কাপড়-চোপড়। জামা-জুতা। নানা উপহার। এটা-সেটা। আরও কত কী!

সেই উৎসবের আগে আগে স্বামী-স্ত্রী গেলেন কেনাকাটা করতে। স্বামী আবার মহাব্যস্ত মানুষ। তবে তার ব্যস্ততা কিসের তা স্ত্রী ভালোই জানেন। মদপানে স্বামীর জুড়ি নেই। সুযোগ পেলেই পান করেন। সময়-অসময় নেই। ঢুকে পড়েন পানশালায়।

যাচ্ছি-যাব করে স্বামী আজ স্ত্রীকে নিয়ে এসেছেন মার্কেটে। আসার আগে স্ত্রী বলেছেন, ‘আমার কিন্তু অনেক কেনাকাটা আছে!’ স্বামী বলেছেন, ‘আচ্ছা, ঠিক আছে। যা চাও সব কিনে দেব আজ।’

বিশাল শপিংমল। শেষের দিকে বলে প্রচণ্ড ভিড় ক্রেতার। লোকজন কেনাকাটায় ব্যস্ত। দলবেঁধে এসেছেন অনেকে। ভিড় ঠেলে দোকানে দোকানে ঢুঁ মারলেন স্বামী আর স্ত্রী।

স্ত্রী হঠাৎ খেয়াল করলেন, স্বামী পাশে নেই। এদিক ওদিক তাকালেন। কিন্তু কোথাও দেখতে পেলেন না। এদিকে কেনাকাটার অনেক বাকি। তিনি মোবাইলে ফোন করলেন স্বামীকে।

স্ত্রী বললেন, ‘তুমি কোথায়? কিছুই তো কেনা হলো না এখনো!’

স্বামী বললেন, ‘সেই সোনার দোকানের কথা মনে আছে তোমার?’

‘কোন দোকানের কথা বলছ?’ জানতে চাইলেন স্ত্রী।

‘১০ বছর আগে যেখানে তুমি একটা সুন্দর হিরের হার পছন্দ করেছিলে। তোমার কেনার খুব ইচ্ছে ছিল। কিন্তু তখন কিনে দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না আমার। কথা দিয়েছিলাম, নিশ্চয়ই একদিন ওটা কিনে দেবো তোমাকে। মনে আছে দোকানটা?’

স্বামীর কথা শুনে আনন্দে কান্না পাচ্ছিল স্ত্রীর। কয়েক ফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ল গাল বেয়ে।

নিজেকে সামলে নিয়ে স্ত্রী জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, মনে আছে। সেদিনের কথা আজও ভুলিনি।’

স্বামী : তাহলে তো খুবই ভালো। আসতে কোনো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়!

স্ত্রী : তুমি কি এখন ওই দোকানে?

স্বামী : না। ওই দোকানের বিপরীতে পানশালায়!

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন