বুড়োবুড়ির লংড্রাইভ
jugantor
বুড়োবুড়ির লংড্রাইভ

  বিনোদন ডেস্ক  

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রেস্তোরাঁ ছাড়ার সময় বৃদ্ধা মনের ভুলে চশমাটা ফেলে গেলেন খাবার টেবিলে। একবারও চশমার কথা তার মনে হলো না। মনে হলো প্রায় ৪০ মিনিট পর। ততক্ষণে অনেক পথ চলে এসেছেন তারা।

মহাসড়ক ধরে লংড্রাইভে যাচ্ছিলেন এক প্রবীণ দম্পতি। যেতে যেতে দুপুরে খিদে পেল তাদের। রাস্তার ধারে একটা রেস্তোরাঁ দেখে গাড়ি থামালেন বুড়ো। তারপর গাড়ি থেকে নেমে বুড়োবুড়ি ঢুকলেন রেস্তোরাঁয়। বেশ আয়েস করে লাঞ্চ সারলেন। রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে আবার যাত্রা শুরু হলো তাদের।

রেস্তোরাঁ ছাড়ার সময় বৃদ্ধা মনের ভুলে চশমাটা ফেলে গেলেন খাবার টেবিলে। একবারও চশমার কথা তার মনে হলো না। মনে হলো প্রায় ৪০ মিনিট পর। ততক্ষণে অনেক পথ চলে এসেছেন তারা।

বিষয়টা জেনে বৃদ্ধ খুব খেপলেন। কিন্তু কী আর করা! চশমা ফিরে পেতে গাড়ি ঘোরালেন। আবার চললেন রেস্তোরাঁর দিকে। বুড়িকে বকাঝকা করলেন। ভর্ৎসনা করলেন অমন ভুলোমনের জন্য। খুবই বিরক্ত হলেন।

মেজাজ কিছুতেই ধরে রাখতে পারছিলেন না বুড়ো। গজগজ করছিলেন। বারবার দুষছিলেন স্ত্রীকে। সারা রাস্তায় বিরতিহীন বকাঝকা চলল তার। বুড়িকে ভীষণ তিরস্কার করলেন। নিজেও রাগে বারবার উত্তেজিত হয়ে উঠলেন। এক মিনিটের জন্যও থামলেন না।

অবশেষে রেস্তোরাঁয় পৌঁছলেন তারা। বুড়োর বকাবকি থেকে মুক্তি পেলেন স্ত্রী। চশমা উদ্ধারে রেস্তোরাঁর ভেতর ঢুকতে ছুটলেন তিনি।

তাকে পেছন থেকে ডেকে থামালেন বুড়ো। চেঁচিয়ে বললেন, ‘ওখান থেকে আমার হ্যাট আর ক্রেডিট কার্ডটাও নিয়ে এসো। আমিও ওগুলো টেবিলে ফেলে গিয়েছিলাম মনের ভুলে!’

বুড়োবুড়ির লংড্রাইভ

 বিনোদন ডেস্ক 
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রেস্তোরাঁ ছাড়ার সময় বৃদ্ধা মনের ভুলে চশমাটা ফেলে গেলেন খাবার টেবিলে। একবারও চশমার কথা তার মনে হলো না। মনে হলো প্রায় ৪০ মিনিট পর। ততক্ষণে অনেক পথ চলে এসেছেন তারা।

মহাসড়ক ধরে লংড্রাইভে যাচ্ছিলেন এক প্রবীণ দম্পতি। যেতে যেতে দুপুরে খিদে পেল তাদের। রাস্তার ধারে একটা রেস্তোরাঁ দেখে গাড়ি থামালেন বুড়ো। তারপর গাড়ি থেকে নেমে বুড়োবুড়ি ঢুকলেন রেস্তোরাঁয়। বেশ আয়েস করে লাঞ্চ সারলেন। রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে আবার যাত্রা শুরু হলো তাদের।

রেস্তোরাঁ ছাড়ার সময় বৃদ্ধা মনের ভুলে চশমাটা ফেলে গেলেন খাবার টেবিলে। একবারও চশমার কথা তার মনে হলো না। মনে হলো প্রায় ৪০ মিনিট পর। ততক্ষণে অনেক পথ চলে এসেছেন তারা।

বিষয়টা জেনে বৃদ্ধ খুব খেপলেন। কিন্তু কী আর করা! চশমা ফিরে পেতে গাড়ি ঘোরালেন। আবার চললেন রেস্তোরাঁর দিকে। বুড়িকে বকাঝকা করলেন। ভর্ৎসনা করলেন অমন ভুলোমনের জন্য। খুবই বিরক্ত হলেন।

মেজাজ কিছুতেই ধরে রাখতে পারছিলেন না বুড়ো। গজগজ করছিলেন। বারবার দুষছিলেন স্ত্রীকে। সারা রাস্তায় বিরতিহীন বকাঝকা চলল তার। বুড়িকে ভীষণ তিরস্কার করলেন। নিজেও রাগে বারবার উত্তেজিত হয়ে উঠলেন। এক মিনিটের জন্যও থামলেন না।

অবশেষে রেস্তোরাঁয় পৌঁছলেন তারা। বুড়োর বকাবকি থেকে মুক্তি পেলেন স্ত্রী। চশমা উদ্ধারে রেস্তোরাঁর ভেতর ঢুকতে ছুটলেন তিনি।

তাকে পেছন থেকে ডেকে থামালেন বুড়ো। চেঁচিয়ে বললেন, ‘ওখান থেকে আমার হ্যাট আর ক্রেডিট কার্ডটাও নিয়ে এসো। আমিও ওগুলো টেবিলে ফেলে গিয়েছিলাম মনের ভুলে!’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন