মেড ইন জাপান
jugantor
ভিনদেশি রসিকতা
মেড ইন জাপান

  আশরাফুল আলম পিনটু  

১৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাপানের এক পর্যটক বেড়াতে এলেন লন্ডনে। দিন কয়েক এদিক-ওদিক ঘোরাঘুরি করলেন। দেখলেন সব ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা। পার্ক। মনোরম জায়গা। আরও কত কী! এভাবে ফেরার সময় হলো তার।

শেষ দিন একটা ট্যাক্সিক্যাব ভাড়া করলেন পর্যটক। বিমানবন্দরে যেতে বললেন ট্যাক্সিচালককে। যেতে যেতে পর্যটক দেখলেন, একটা হোন্ডা গাড়ি যাচ্ছে ট্যাক্সির পাশ দিয়ে। তিনি উচ্ছ্বসিত হয়ে জানালার দিকে ঝুঁকলেন। ততক্ষণে হোন্ডাটা চলে গেছে পাশ কেটে। তবু তিনি খুশিতে চেঁচিয়ে উঠলেন, ‘হোন্ডা! খুব দ্রুত গতির গাড়ি। জাপানের তৈরি।’

কিছুক্ষণ পর একটা টয়োটা গাড়ি দ্রুত চলে গেল ট্যাক্সির পাশ দিয়ে। আবার উচ্ছ্বসিত হলেন পর্যটক। আবার জানালায় ঝুঁকলেন। চেঁচিয়ে বললেন, ‘বাহ, টয়োটা! খুব দ্রুত চলে। হু হু! আমাদের জাপানের তৈরি।

এরপর ট্যাক্সিক্যাবের পাশ দিয়ে চলে গেল একটা মিতসুবিশি। তৃতীয়বারের মতো উচ্ছ্বসিত হলেন জাপানি পর্যটক। এবার আরও বেশি। জানালা দিয়ে মাথা বের করে জোরে চেঁচিয়ে বললেন, ‘মিতসুবিশি! খুব দ্রুত গতিতে চলে। আমাদের জাপানের তৈরি।’

পথে জাপানের কোনো গাড়ি দেখলেই পর্যটক উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন। এভাবে চলল বিমানবন্দন পর্যন্ত। ট্যাক্সিচালক খুবই বিরক্ত কিন্তু নিজেকে শান্ত রাখলেন। স্বাভাবিক গতিতে গাড়ি চালিয়ে পৌঁছলেন বিমানবন্দরে। মিটারে ভাড়া উঠল ৩০০ পাউন্ড।

ভাড়া দেখে অবাক হলেন জাপানি পর্যটক। রাগও হলো তার। তাই জানতে চাইলেন, ‘ভাড়া এত বেশি কেন? এমন তো হওয়ার কথা নয়।’

ট্যাক্সিচালক ঠোঁটের কোণে হাসি ঝুলিয়ে বললেন, ‘মিটারে এ ভাড়াই উঠেছে, স্যার। এটা খুব দ্রুত চলে। আপনাদের জাপানের তৈরি!’

ভিনদেশি রসিকতা

মেড ইন জাপান

 আশরাফুল আলম পিনটু 
১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাপানের এক পর্যটক বেড়াতে এলেন লন্ডনে। দিন কয়েক এদিক-ওদিক ঘোরাঘুরি করলেন। দেখলেন সব ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা। পার্ক। মনোরম জায়গা। আরও কত কী! এভাবে ফেরার সময় হলো তার।

শেষ দিন একটা ট্যাক্সিক্যাব ভাড়া করলেন পর্যটক। বিমানবন্দরে যেতে বললেন ট্যাক্সিচালককে। যেতে যেতে পর্যটক দেখলেন, একটা হোন্ডা গাড়ি যাচ্ছে ট্যাক্সির পাশ দিয়ে। তিনি উচ্ছ্বসিত হয়ে জানালার দিকে ঝুঁকলেন। ততক্ষণে হোন্ডাটা চলে গেছে পাশ কেটে। তবু তিনি খুশিতে চেঁচিয়ে উঠলেন, ‘হোন্ডা! খুব দ্রুত গতির গাড়ি। জাপানের তৈরি।’

কিছুক্ষণ পর একটা টয়োটা গাড়ি দ্রুত চলে গেল ট্যাক্সির পাশ দিয়ে। আবার উচ্ছ্বসিত হলেন পর্যটক। আবার জানালায় ঝুঁকলেন। চেঁচিয়ে বললেন, ‘বাহ, টয়োটা! খুব দ্রুত চলে। হু হু! আমাদের জাপানের তৈরি।

এরপর ট্যাক্সিক্যাবের পাশ দিয়ে চলে গেল একটা মিতসুবিশি। তৃতীয়বারের মতো উচ্ছ্বসিত হলেন জাপানি পর্যটক। এবার আরও বেশি। জানালা দিয়ে মাথা বের করে জোরে চেঁচিয়ে বললেন, ‘মিতসুবিশি! খুব দ্রুত গতিতে চলে। আমাদের জাপানের তৈরি।’

পথে জাপানের কোনো গাড়ি দেখলেই পর্যটক উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন। এভাবে চলল বিমানবন্দন পর্যন্ত। ট্যাক্সিচালক খুবই বিরক্ত কিন্তু নিজেকে শান্ত রাখলেন। স্বাভাবিক গতিতে গাড়ি চালিয়ে পৌঁছলেন বিমানবন্দরে। মিটারে ভাড়া উঠল ৩০০ পাউন্ড।

ভাড়া দেখে অবাক হলেন জাপানি পর্যটক। রাগও হলো তার। তাই জানতে চাইলেন, ‘ভাড়া এত বেশি কেন? এমন তো হওয়ার কথা নয়।’

ট্যাক্সিচালক ঠোঁটের কোণে হাসি ঝুলিয়ে বললেন, ‘মিটারে এ ভাড়াই উঠেছে, স্যার। এটা খুব দ্রুত চলে। আপনাদের জাপানের তৈরি!’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন