দাওয়াইয়ের নাম হাসি

  যুগান্তর ডেস্ক    ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

স্বামী-স্ত্রী’র মধ্যে প্রচণ্ড ঝগড়া চলছে। একপর্যায়ে স্ত্রী মোবাইলে তার মাকে কল দিলো-

স্ত্রী : মা মা, আমি আর পারছি না তোমাদের জামাইয়ের সঙ্গে! আমি চলে আসছি তোমাদের কাছে।

মা : খবরদার, তুই আসবি না। তুই থাক। আমিই চলে আসতেছি তোর বাসায়।

স্ত্রী : তোমার আবার কী হলো? তুমি কেন আসবে?

মা : এখন থেকে আমি তোদের সঙ্গেই থাকবো। তোর বাপ আমার হাড় জ্বালিয়ে খেল! এর প্রায়শ্চিত্ত তাকে করতেই হবে!

*

কুকুরকে ট্রেনিং দিচ্ছে স্ত্রী। বারবার ব্যর্থ হতে দেখে পাশে দাঁড়ানো স্বামী বলল-

স্বামী : এই কুকুরটাকে তুমি কিছুতেই শেখাতে পারবে না ডার্লিং।

স্ত্রী : চিন্তা করো না। প্রথম প্রথম তোমাকে নিয়েও এমন সমস্যা হয়েছিল। পরে এমন ট্রেনিং দিয়েছি...

*

মাসুদ নতুন হোটেল দিয়েছে। হোটেলের নাম কী দেয়া যায় তা নিয়ে স্ত্রী, বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ির নানা জল্পনা-কল্পনা। অবশেষে সে হোটেলের নাম দিলো ‘মা হোটেল’।

তারপর নিজের মাকে গিয়ে বলল-

মাসুদ : মা, তোমার জন্যই হোটেলের নামকরণ করলাম।

তারপর শাশুড়িকে গিয়ে বলল-

মাসুদ : আমার আর আপনার মেয়ের ইচ্ছায় আপনার জন্য হোটেলের এই নামটি দিলাম।

তারপর স্ত্রীকে গিয়ে বলল-

মাসুদ : ছেলে-মেয়েরা খুব করে চাইল, তাই তোমার নামেই হোটেলের নাম দিলাম।

*

স্ত্রী : হ্যাঁগো, আমাকে খুব মটকু দেখাচ্ছে, তাই না?

স্বামী : কে বলল এমন কথা?

স্ত্রী : কে বলবে আবার, আমি নিজের চোখেই তো দেখছি!

স্বামী : তোমার দৃষ্টিশক্তি একদম ঠিক আছে।

*

চিকিৎসক : আপনার স্বামীর টানা বিশ্রাম আর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দরকার। তাহলেই তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন।

স্ত্রী : ডাক্তার সাহেব, কোনো ওষুধ দিলেন না?

চিকিৎসক : এই নেন, কয়েক পাতা ঘুমের ওষুধ দিলাম!

স্ত্রী : কখন ক’টা করে খাওয়াতে হবে?

চিকিৎসক : ওষুধগুলো আপনার জন্য!

*

ঈদের মার্কেটিং করতে গেছে শাহেদের স্ত্রী। মার্কেটের সব দোকান একবার করে দেখে উপরে উঠেছেন। আবার নামার পথে সেই দোকানগুলো আবার দেখা শুরু করলেন। কিন্তু পছন্দের জিনিস পাচ্ছেন না। সঙ্গে থাকা শাহেদ ধৈর্যের বাঁধ আর ধরে রাখতে পারছেন না। একপর্যায়ে একটি শাড়ির দোকানে গেল তারা।

বিক্রেতা : কেমন শাড়ি চাই ম্যাডাম?

শাহেদ : ডিজাইন, রং, কাজ, সুতা- সব তোমার ইচ্ছামতো দাও। কিন্তু এমন শাড়ি হতে হবে যাতে প্রতিবেশী সব ভাবি-আপা জ্বইলা-পুইড়া তড়পাইতে থাকে আগামী ঈদ পর্যন্ত।

*

আদালতে প্রেমের বিয়ের ডিভোর্সের মামলা চলছে-

১ম আইনজীবী : প্রেম করার সময়ে ছেলেরা যতটা আন্তরিক থাকে, বিয়ের পরে যদি তার অর্ধেকও থাকতো, তবে এত বেশি ডিভোর্সের ঘটনা ঘটতো না, স্যার।

২য় আইনজীবী : বিয়ের পরে মেয়েরা যে আচরণ করে; বিয়ের আগে যদি তার চার ভাগের এক ভাগও করতো, তাহলে কিন্তু স্যার প্রেমের সূত্রে কোনো বিয়েই আর হতো না।

*

স্বামী : আজ ছুটির দিন আমার। পুরোটা দিন হাসি-খুশি কাটাতে চাই।

স্ত্রী : তাহলে কী করবে এখন?

স্বামী : এই নাও, চিড়িয়াখানার টিকিট এনেছি তিনটা!

স্ত্রী : তিনটা কেন?

স্বামী : একটা তোমার জন্য আর বাকি দুইটা তোমার বাবা-মার জন্য!

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.