ভিনদেশি মজার গল্প

তিনটি গল্প

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  আশরাফুল আলম পিনটু

ঘোড়া চালনা

জিমি খুব মোটাসোটা ছেলে। এ নিয়ে সবসময় তার মন খারাপ থাকে। একদিন সে পরামর্শের জন্য ডাক্তারের কাছে গেল। ডাক্তারের কাছে জানতে চাইল, ‘কী করলে ওজন কমাতে পারব? স্কুলে সবাই আমাকে ক্ষ্যাপায়।’

ডাক্তার তাকে রোজ ব্যায়াম করার পরামর্শ দিলেন। কিছুদিন পর জিমি আবার ডাক্তারের কাছে গেল। অভিযোগ জানাল, ব্যায়ামে তার কোনো লাভ হচ্ছে না। ওজন কমার চেয়ে আরও বেড়ে যাচ্ছে।

ডাক্তার জানতে চাইলেন সে কী ধরনের ব্যায়াম করছ।

জিমি জবাব দিল, ‘আমি প্রত্যেক দিন ঘোড়া চালনা করেছি। এতে আমার ওজন বেড়েছে। আর ওজন কমেছে ঘোড়ার!’

চিড়িয়াখানায়

একদিন ড্যানি তার বাবার সঙ্গে চিড়িয়াখানায় গেল। নানা রকম পশু-পাখি দেখে সে ভীষণ উত্তেজিত। এক সময় তারা এক সিংহের খাঁচার সামনে এলো। সিংহ কত হিংস আর শক্তিশালী তা ড্যানিকে বললেন বাবা। ড্যানি খুব মনোযোগ দিয়ে শুনল। তারপর বলল, ‘বাবা, যদি সিংহটা কোনোরকমে খাঁচার বাইরে আসে আর তোমাকে খেয়ে ফেলে, তাহলে আমি বাড়ি ফিরব কী করে? অন্তত বাড়ি পৌঁছার রাস্তাটা বলে দাও।’

মশারি

একদিন বউকে বাজারে যেতে বলল ডেভিড। একটা মশারি কিনে আনতে বলল। বউ বাজারে এক দোকানে গেল। দোকানদারকে বলল ভালো মানের মশারি দেখাতে।

খুব ভালো একটা মশারি দেখাল দোকানদার। বলল, ‘এটাই সবচেয়ে ভালো মশারি। আর কোথাও এমনটি খুঁজে পাবেন না। এর ভেতরে একটা মশাও ঢুকতে পারবে না।’

ডেভিডের বউ এই মশারিটা কিনতে রাজি হল না। দোকানদার কারণ জানতে চাইল। ডেভিডের বউ বলল, ‘যদি একটা মশাও এর মধ্যে ঢুকতে না পারে তাহলে আমরা দুজন ঢুকব কী করে?’