ডেঙ্গু আতঙ্ক

ডেঙ্গু জ্বরের ভয়ে কাঁপছে শহর এবং গ্রাম। সিটি কর্পোরেশনও আছে দৌড়ের ওপর। কিন্তু তাতে মশা খুব একটা কমছে না। ডেঙ্গু নিয়ে হাজির হয়েছেন সোহানুর রহমান অনন্ত

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক   

অ্যালার্ম আবিষ্কার করে ডেঙ্গু প্রতিরোধ

১ম ব্যক্তি : ঘটনা কী! অ্যালার্ম বাজতেই সবাই এমন দৌড় মেরে মশারির ভেতর ঢুকতাছে ক্যান? আমার তো ডরে হাত-পা কাঁপতাছে!

২য় ব্যক্তি : ভাই, বেকুবের মতো দাঁড়াইয়া না থাইকা খিচ্চা দৌড় দিয়ে মশারির ভেতর ঢুকেন। ডেঙ্গু মশা আইসা পড়ছে। নয়তো কিছুক্ষণ পর চোখে শনি, রবি সব গ্রহ দেখা শুরু করবেন!

*

মশার ভাষা শিখে মশাদের শায়েস্তা করুন

১ম ব্যক্তি : ঘ্যা ঘ্যা গু লু লু সি ছি ছি ছি- এসব মশার কোন ধরনের ভাষা! আর ওদের কথা শিখে আপনি কী করবেন?

২য় ব্যক্তি : একবার ভাষা শিখতে পারলেই কিছু রংবাজ মশা ভাড়া করে ডেঙ্গু মশাদের শায়েস্তা করব। যেন আমার ঘরের ত্রিসীমানায় আর না আসে।

*

মশা থেকে রক্ষা পেতে বিকল্প ব্যবস্থা

১ম ব্যক্তি : চারদিকে যা শুনতাছি, ডেঙ্গু মশার জন্য তো রাতে ভয়ে ঘুম আসে না ভাই। মাঝে মাঝে ঘুম থেকে উইঠা চিক্কুর মারি। একটা বুদ্ধি দেন তো।

২য় ব্যক্তি : একটা সিম্পলের মধ্যে গর্জিয়াস বুদ্ধি দিই। চার-পাঁচটা মানুষের মতো ডল রাখবেন ঘরে। মানুষ ভাইবা মশা ওদের কামড়াইব। আর কামড়াইতে গিয়া মশার হুল ভাইঙ্গা যাইব। তখন আর আপনারে কামড়াইতে পারব না!

*

মশাও হতে পারে উপকারী বন্ধু

১ম ব্যক্তি : সবাই মশার কামড় থেইকা বাঁচতে মশারি, কয়েল জ্বালাচ্ছে- আর আপনি উল্টা মশা খুঁজতাছেন! পাগল হইছেন নাকি মিয়া!

২য় ব্যক্তি : ভাইরে, কাহিনী খুবই করুণ! নতুন ফোন কিনে লক সিস্টেম চালুর সময় মোবাইলের স্ক্রিনে একটা মশা বসছিল। এখন স্ক্রিনে মশা না বসলে কিছুতেই লক খুলে না!