হায় মুসলমান হায় কাশ্মীর
jugantor
হায় মুসলমান হায় কাশ্মীর

  তানজিল আমির  

১৬ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বব্যাপী পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হলেও ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ঈদের আনন্দ এবার ছিল না।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজ্যটিতে ঈদ শুধু নামেমাত্র দেখা দিয়েছিল। কাশ্মীর ও শ্রীনগরের বেশিরভাগ মসজিদে ঈদের নামাজের অনুমতি দেয়নি সরকার। বিবিসি জানিয়েছে এসব খবর।

কাশ্মীরের জামা মসজিদ বা হজরতবালের মতো প্রধান মসজিদগুলোয়ও ঈদ জামাত হয়নি। আফসোস ৮০০ বছর ভারত শাসন করা মুসলমানদের আজ এ কী পরিস্থিতি। মনে হয় মুসলিম সম্প্রদায় আজ অন্যদের করুণায় বসবাস করছে।

শুধু কাশ্মীর নয়, পার্শ্ববর্তী রাখাইনসহ ফিলিস্তিন, ইরাক, আফগানিস্তানের মুসলমান আজ নির্যাতিত অত্যাচারিত।

শ্রেষ্ঠ নবীর অনুসারী হিসেবে পৃথিবীতে সর্বোচ্চ মর্যাদায় থাকার কথা ছিল এদেরই। আজকের পৃথিবীতে মুসলমানদের কেন এমন দশা? মুক্তি ও উন্নতির পথ একটিই, যে পথে রাসূল (সা.)-এর হাত ধরে সাহাবারা বিশ্বজয় করেছিলেন। আল্লাহর প্রেরিত পবিত্র কোরআন আঁকড়ে ধরাই মুসলমানদের মুক্তির একমাত্র পথ।

ইসলামের প্রথম কেবলা পবিত্র আল আকসা মসজিদে ঈদুল আজহার নামাজের সময় মুসল্লিদের ওপর ইসরাইলি সেনাদের অতর্কিত হামলায় ১৪ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। এদিন লক্ষাধিক মুসল্লি আল আকসায় ঈদ জামাতে শামিল হলে ইসরাইলি বাহিনী তাদের ওপর টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

বিশ্বব্যাপী মুসলিম নিপীড়নের যে তাণ্ডব চলছে, তাতে আজকের মুসলমান হিসেবে আমরা মর্মাহত। হতাশার এসব দৃশ্য দেখে আমরা হতাশ হই না। কারণ আল্লাহ হতাশ হতে বারণ করেছেন।

মুসলিম উম্মাহর চরম এ দুঃসময়ে সূরা নুরের এ আয়াতটি দেখে বারবার প্রেরণা পাই। আল্লাহতায়ালা বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদের ওয়াদা দিয়েছেন যে, তিনি অবশ্যই তাদেরকে পৃথিবীতে শাসনক্ষমতা দান করবেন।

যেমন তিনি শাসন কর্তৃত্ব দান করেছিলেন তাদের পূর্ববতীদেরকে। তিনি অবশ্যই সুদৃঢ় করবেন তাদের ধর্মকে যা তিনি তাদের জন্য পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয়ভীতির পরিবর্তে তাদেরকে অবশ্যই নিরাপত্তা প্রদান করবেন।

সুতরাং, বিশ্ব মুসলমানকে ফিরে যেতে হবে কোরআনের পথে কোরআনের জ্ঞানে। কোরআনের আলোয় খুঁজে নিতে হবে মুক্তির পথ।

লেখক : আলেম ও সাংবাদিক

হায় মুসলমান হায় কাশ্মীর

 তানজিল আমির 
১৬ আগস্ট ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বব্যাপী পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হলেও ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ঈদের আনন্দ এবার ছিল না।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজ্যটিতে ঈদ শুধু নামেমাত্র দেখা দিয়েছিল। কাশ্মীর ও শ্রীনগরের বেশিরভাগ মসজিদে ঈদের নামাজের অনুমতি দেয়নি সরকার। বিবিসি জানিয়েছে এসব খবর।

কাশ্মীরের জামা মসজিদ বা হজরতবালের মতো প্রধান মসজিদগুলোয়ও ঈদ জামাত হয়নি। আফসোস ৮০০ বছর ভারত শাসন করা মুসলমানদের আজ এ কী পরিস্থিতি। মনে হয় মুসলিম সম্প্রদায় আজ অন্যদের করুণায় বসবাস করছে।

শুধু কাশ্মীর নয়, পার্শ্ববর্তী রাখাইনসহ ফিলিস্তিন, ইরাক, আফগানিস্তানের মুসলমান আজ নির্যাতিত অত্যাচারিত।

শ্রেষ্ঠ নবীর অনুসারী হিসেবে পৃথিবীতে সর্বোচ্চ মর্যাদায় থাকার কথা ছিল এদেরই। আজকের পৃথিবীতে মুসলমানদের কেন এমন দশা? মুক্তি ও উন্নতির পথ একটিই, যে পথে রাসূল (সা.)-এর হাত ধরে সাহাবারা বিশ্বজয় করেছিলেন। আল্লাহর প্রেরিত পবিত্র কোরআন আঁকড়ে ধরাই মুসলমানদের মুক্তির একমাত্র পথ।

ইসলামের প্রথম কেবলা পবিত্র আল আকসা মসজিদে ঈদুল আজহার নামাজের সময় মুসল্লিদের ওপর ইসরাইলি সেনাদের অতর্কিত হামলায় ১৪ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। এদিন লক্ষাধিক মুসল্লি আল আকসায় ঈদ জামাতে শামিল হলে ইসরাইলি বাহিনী তাদের ওপর টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

বিশ্বব্যাপী মুসলিম নিপীড়নের যে তাণ্ডব চলছে, তাতে আজকের মুসলমান হিসেবে আমরা মর্মাহত। হতাশার এসব দৃশ্য দেখে আমরা হতাশ হই না। কারণ আল্লাহ হতাশ হতে বারণ করেছেন।

মুসলিম উম্মাহর চরম এ দুঃসময়ে সূরা নুরের এ আয়াতটি দেখে বারবার প্রেরণা পাই। আল্লাহতায়ালা বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদের ওয়াদা দিয়েছেন যে, তিনি অবশ্যই তাদেরকে পৃথিবীতে শাসনক্ষমতা দান করবেন।

যেমন তিনি শাসন কর্তৃত্ব দান করেছিলেন তাদের পূর্ববতীদেরকে। তিনি অবশ্যই সুদৃঢ় করবেন তাদের ধর্মকে যা তিনি তাদের জন্য পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয়ভীতির পরিবর্তে তাদেরকে অবশ্যই নিরাপত্তা প্রদান করবেন।

সুতরাং, বিশ্ব মুসলমানকে ফিরে যেতে হবে কোরআনের পথে কোরআনের জ্ঞানে। কোরআনের আলোয় খুঁজে নিতে হবে মুক্তির পথ।

লেখক : আলেম ও সাংবাদিক

 

ঘটনাপ্রবাহ : কাশ্মীর সংকট