ইনশাআল্লাহ আমরা কামিয়াব হবই
jugantor
ইনশাআল্লাহ আমরা কামিয়াব হবই

  মোহাম্মদ মাকছুদ উল্লাহ  

১৩ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন আল্লাহর ওপর দৃঢ় আস্থাশীল। তিনি বিশ্বাস করতেন, জীবনের সাফল্য-ব্যর্থতা সবই আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত। তিনি সর্বাবস্থায় আল্লাহর ওপর ভরসা করতেন, যা তার বিভিন্ন সময়ের বক্তৃতা ও ভাষণে প্রকাশ পেয়েছে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ শুরু হলেও ৪৭-এর পর থেকে কয়েকটি পর্যায়ে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতার সেটি ছিল চূড়ান্ত রূপ। ভাষা আন্দোলনকে তাই স্বাধীনতা আন্দোলনের ভূমিকা বলা যায়।

বঙ্গবন্ধু জীবনের শুরু থেকেই বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করে গেছেন। আর তার জীবনের সব কর্মকাণ্ডই পরিচালিত হয়েছে আল্লাহর প্রতি সুদৃঢ় আস্থা ও ভরসার ওপর ভর করে। বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মহান ভাষা দিবস উপলক্ষে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত সমাবেশে যে ভাষণ দিয়েছিলেন তাতে মহান আল্লাহর ওপর দৃঢ় আস্থার বিষয়টিই ধ্বনিত হয়েছিল।

তিনি বলেছিলেন, ‘১৯৫২ সালে আমাদের ভাইয়েরা রক্ত দিয়ে প্রমাণ করে বাংলাভাষাকে অমর্যাদা করতে আমরা দেব না। রক্তের বিনিময়ে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করব, ইনশাআল্লাহ বাংলা রাষ্ট্রভাষা হয়েছে।’ (নির্ঝর নৈঃশব্দ, ওঙ্কারসমগ্র, বঙ্গবন্ধুর নির্বাচিত ভাষণের শ্রুতিলিপি, ঐতিহ্য, ঢাকা : ২০১৭ ইং, পৃষ্ঠা : ১১)

বঙ্গবন্ধু পশ্চিম পাকিস্তানিদের শোষণ-নির্যাতন ও বঞ্চনার হাত থেকে পূর্ব পাকিস্তানকে তথা বাংলাকে মুক্ত করার সব ধরনের রাজনৈতিক প্রচেষ্টা বিফল হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানের লাখো জনতার বিশাল সমাবেশের ঐতিহাসিক ভাষণে মুক্তির একমাত্র উপায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের জন্য দেশবাসীর প্রতি যে আহ্বান জানান তাতেও আল্লাহর প্রতি তার অবিচল আস্থার বিষয়টি প্রকাশ পায়।

বঙ্গবন্ধু সে দিনের ভাষণে বলেছিলেন, ‘প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলো এবং তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেবো। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ।’ (ওঙ্কারসমগ্র, পৃষ্ঠা : ১৭)

একাত্তরের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দেন, তার নির্দেশে বাংলার আপামর জনতা বর্বর পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে ওই রাতেই পাকিস্তানি বাহিনী বন্দি করে নিয়ে যায় পশ্চিম পাকিস্তানে। অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বের সামনে দুর্ধর্ষ পাকিস্তানি সেনারা পরাজয়বরণ করে। সাড়ে নয় মাসের যুদ্ধের পর দেশ স্বাধীন হলে পশ্চিমাদের সব ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ফিরে আসেন স্বাধীন বাংলাদেশে। সেদিনও তিনি তার সংবর্ধনায় সমবেত লাখো জনতার সমাবেশে দেয়া ভাষণে আল্লাহর ওপর ভরসা করে সাগর সমান রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে যে কোনো মূল্যে রক্ষার ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, ‘আজ বলে যাচ্ছি, তোমরা ঠিক থাকো, একতাবদ্ধ থাকো। কারও কথা শুনো না। ইনশাআল্লাহ স্বাধীন যখন হয়েছি, স্বাধীন থাকবো। একজন মানুষ এ বাংলাদেশে বেঁচে থাকতে কেউ আমাদের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে পারবে না।

বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১৬ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট ভবনের প্রথম ভাষণে আল্লাহর ওপর ভরসা করে পশ্চিম পাকিস্তানি নরপিশাচদের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তূপের ওপর নতুন করে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘তিরিশ লাখ লোককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমার মা-বোনদের ওপর পাশবিক অত্যাচার করা হয়েছে। আমার দেশের মানুষের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। স্কুল-কলেজ ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। যা করতে নমরুদ-ফেরাউন বোধহয় লজ্জা পেত, তা পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর লোকেরা করেছে। চিন্তা নেই আমার এত সুন্দর জনগণ, আমার এমন সোনার মানুষ, আর আমার এ সোনার বাংলাদেশ- ধৈর্য ধরে যদি কাজ করেন সবাই মিলে, ইনশাআল্লাহ নতুন সমাজ গড়ে তুলতে পারবো’ (নির্ঝর নৈঃশব্দ, ওঙ্কারসমগ্র বঙ্গবন্ধুর নির্বাচিত ভাষণের শ্রুতিলিপি, ঐতিহ্য, ঢাকা : ২০১৭ ইং, পৃষ্ঠা : ২৬)।

বঙ্গবন্ধু ৯ মে ১৯৭২ তারিখের এক ভাষণে ধ্বংসস্তূপের ওপর গণমানুষের স্বপ্নের সৌধ নির্মাণে আল্লাহর ওপর ভরসা করে বলেন, ‘এ ধ্বংসস্তূপকে যদি একবার খাড়া করতে পারি। ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের মানুষ কষ্টে থাকবে না। কিন্তু সময় লাগবে। একটা গাছ লাগালে পাঁচ বছরের আগে ফল হয় না’ (মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাণী চিরন্তণী, পৃষ্ঠা : ৪৯, বাণী নং : ১৮৭)।

“যদি সবাই মিলে আপনারা নতুন প্রাণে নতুন মন নিয়ে খোদাকে হাজির-নাজির করে, নিজের আত্মসংশোধন করে, আত্মশুদ্ধি করে, ‘ইনশাআল্লাহ’ বলে কাজে অগ্রসর হন; তাহলে জানবেন, বাংলার জনগণ আপনাদের সঙ্গে আছে, বাংলার জনগণ আপনাদের পাশে আছে। জনগণকে আপনারা যা বলবেন, তারা তাই করবে। আপনাদের অগ্রসর হতে হবে। ইনশাআল্লাহ আমরা কামিয়াব হবই।”

সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ ও দেশের জনসাধারণকে বঙ্গবন্ধু আল্লাহর ওপর ভরসা করে আল্লাহর নামে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য দমনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “তাই, আল্লাহর নামে, চলুন, আমরা অগ্রসর হই। ‘বিস্মিল্লাহ’ বলে আল্লাহর নামে অগ্রসর হই। ইনশাআল্লাহ আমরা কামিয়াব হবই। খোদা আমাদের সহায় আছেন”।

লেখক : পেশ ইমাম, রাজশাহী কলেজ কেন্দ্রীয় মসজিদ

ইনশাআল্লাহ আমরা কামিয়াব হবই

 মোহাম্মদ মাকছুদ উল্লাহ 
১৩ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন আল্লাহর ওপর দৃঢ় আস্থাশীল। তিনি বিশ্বাস করতেন, জীবনের সাফল্য-ব্যর্থতা সবই আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত। তিনি সর্বাবস্থায় আল্লাহর ওপর ভরসা করতেন, যা তার বিভিন্ন সময়ের বক্তৃতা ও ভাষণে প্রকাশ পেয়েছে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ শুরু হলেও ৪৭-এর পর থেকে কয়েকটি পর্যায়ে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতার সেটি ছিল চূড়ান্ত রূপ। ভাষা আন্দোলনকে তাই স্বাধীনতা আন্দোলনের ভূমিকা বলা যায়।

বঙ্গবন্ধু জীবনের শুরু থেকেই বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করে গেছেন। আর তার জীবনের সব কর্মকাণ্ডই পরিচালিত হয়েছে আল্লাহর প্রতি সুদৃঢ় আস্থা ও ভরসার ওপর ভর করে। বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মহান ভাষা দিবস উপলক্ষে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত সমাবেশে যে ভাষণ দিয়েছিলেন তাতে মহান আল্লাহর ওপর দৃঢ় আস্থার বিষয়টিই ধ্বনিত হয়েছিল।

তিনি বলেছিলেন, ‘১৯৫২ সালে আমাদের ভাইয়েরা রক্ত দিয়ে প্রমাণ করে বাংলাভাষাকে অমর্যাদা করতে আমরা দেব না। রক্তের বিনিময়ে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করব, ইনশাআল্লাহ বাংলা রাষ্ট্রভাষা হয়েছে।’ (নির্ঝর নৈঃশব্দ, ওঙ্কারসমগ্র, বঙ্গবন্ধুর নির্বাচিত ভাষণের শ্রুতিলিপি, ঐতিহ্য, ঢাকা : ২০১৭ ইং, পৃষ্ঠা : ১১)

বঙ্গবন্ধু পশ্চিম পাকিস্তানিদের শোষণ-নির্যাতন ও বঞ্চনার হাত থেকে পূর্ব পাকিস্তানকে তথা বাংলাকে মুক্ত করার সব ধরনের রাজনৈতিক প্রচেষ্টা বিফল হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানের লাখো জনতার বিশাল সমাবেশের ঐতিহাসিক ভাষণে মুক্তির একমাত্র উপায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের জন্য দেশবাসীর প্রতি যে আহ্বান জানান তাতেও আল্লাহর প্রতি তার অবিচল আস্থার বিষয়টি প্রকাশ পায়।

বঙ্গবন্ধু সে দিনের ভাষণে বলেছিলেন, ‘প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলো এবং তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেবো। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ।’ (ওঙ্কারসমগ্র, পৃষ্ঠা : ১৭)

একাত্তরের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দেন, তার নির্দেশে বাংলার আপামর জনতা বর্বর পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে ওই রাতেই পাকিস্তানি বাহিনী বন্দি করে নিয়ে যায় পশ্চিম পাকিস্তানে। অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বের সামনে দুর্ধর্ষ পাকিস্তানি সেনারা পরাজয়বরণ করে। সাড়ে নয় মাসের যুদ্ধের পর দেশ স্বাধীন হলে পশ্চিমাদের সব ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ফিরে আসেন স্বাধীন বাংলাদেশে। সেদিনও তিনি তার সংবর্ধনায় সমবেত লাখো জনতার সমাবেশে দেয়া ভাষণে আল্লাহর ওপর ভরসা করে সাগর সমান রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে যে কোনো মূল্যে রক্ষার ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, ‘আজ বলে যাচ্ছি, তোমরা ঠিক থাকো, একতাবদ্ধ থাকো। কারও কথা শুনো না। ইনশাআল্লাহ স্বাধীন যখন হয়েছি, স্বাধীন থাকবো। একজন মানুষ এ বাংলাদেশে বেঁচে থাকতে কেউ আমাদের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে পারবে না।

বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১৬ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট ভবনের প্রথম ভাষণে আল্লাহর ওপর ভরসা করে পশ্চিম পাকিস্তানি নরপিশাচদের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তূপের ওপর নতুন করে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘তিরিশ লাখ লোককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমার মা-বোনদের ওপর পাশবিক অত্যাচার করা হয়েছে। আমার দেশের মানুষের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। স্কুল-কলেজ ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। যা করতে নমরুদ-ফেরাউন বোধহয় লজ্জা পেত, তা পশ্চিম পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর লোকেরা করেছে। চিন্তা নেই আমার এত সুন্দর জনগণ, আমার এমন সোনার মানুষ, আর আমার এ সোনার বাংলাদেশ- ধৈর্য ধরে যদি কাজ করেন সবাই মিলে, ইনশাআল্লাহ নতুন সমাজ গড়ে তুলতে পারবো’ (নির্ঝর নৈঃশব্দ, ওঙ্কারসমগ্র বঙ্গবন্ধুর নির্বাচিত ভাষণের শ্রুতিলিপি, ঐতিহ্য, ঢাকা : ২০১৭ ইং, পৃষ্ঠা : ২৬)।

বঙ্গবন্ধু ৯ মে ১৯৭২ তারিখের এক ভাষণে ধ্বংসস্তূপের ওপর গণমানুষের স্বপ্নের সৌধ নির্মাণে আল্লাহর ওপর ভরসা করে বলেন, ‘এ ধ্বংসস্তূপকে যদি একবার খাড়া করতে পারি। ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের মানুষ কষ্টে থাকবে না। কিন্তু সময় লাগবে। একটা গাছ লাগালে পাঁচ বছরের আগে ফল হয় না’ (মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাণী চিরন্তণী, পৃষ্ঠা : ৪৯, বাণী নং : ১৮৭)।

“যদি সবাই মিলে আপনারা নতুন প্রাণে নতুন মন নিয়ে খোদাকে হাজির-নাজির করে, নিজের আত্মসংশোধন করে, আত্মশুদ্ধি করে, ‘ইনশাআল্লাহ’ বলে কাজে অগ্রসর হন; তাহলে জানবেন, বাংলার জনগণ আপনাদের সঙ্গে আছে, বাংলার জনগণ আপনাদের পাশে আছে। জনগণকে আপনারা যা বলবেন, তারা তাই করবে। আপনাদের অগ্রসর হতে হবে। ইনশাআল্লাহ আমরা কামিয়াব হবই।”

সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ ও দেশের জনসাধারণকে বঙ্গবন্ধু আল্লাহর ওপর ভরসা করে আল্লাহর নামে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য দমনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “তাই, আল্লাহর নামে, চলুন, আমরা অগ্রসর হই। ‘বিস্মিল্লাহ’ বলে আল্লাহর নামে অগ্রসর হই। ইনশাআল্লাহ আমরা কামিয়াব হবই। খোদা আমাদের সহায় আছেন”।

লেখক : পেশ ইমাম, রাজশাহী কলেজ কেন্দ্রীয় মসজিদ

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন