ছোট বাচ্চাদের রমজানের শিক্ষা

  মাইশা শওকত ০৮ মে ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

এ মাস অনেক পবিত্র এবং বরকতময়। সাওম বা রোজার আভিধানিক অর্থ দাঁড়ায় বিরত থাকা অর্থাৎ সুবহে সাদিকের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সব ধরনের পানাহার, অশালীন কাজকর্ম, পাপাচার কামাচার এবং সেই সঙ্গে যাবতীয় ভোগ-বিলাস ও অপ্রয়োজনীয় কাজ থেকে বিরত থাকার নামই সাওম বা রোজা। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমের জন্য রোজা রাখা ফরজ। কিন্তু আমরা যেভাবে পানাহার না করার বিষয়ে সতর্ক থাকি সেভাবে অন্য বিষয়ে সতর্ক থাকি না। অথচ সব বিষয় মেনেই কিন্তু পরিপূর্ণ রোজা রাখতে হয়। বেশিরভাগ পরিবার থেকে শুধু পানাহার থেকে বিরত থাকার বিষয়ে শিক্ষা দেয়া হয়। কিন্তু সাওম পালনের সবগুলো বিষয় সম্পর্কে পরিবারের ছোটবেলা থেকে শিক্ষা দেয়া অতি জরুরি। ছোট বাচ্চাদের মুখে অনেক সময় বলতে শোনা যায়, ‘আজকে আমি তিনটা রোজা রেখেছি।’ অর্থাৎ সেই বাচ্চাটি তিনবেলা সেদিন খেয়েছে। বাচ্চাদের সাধারণত উৎসাহদানের জন্যই এভাবে করে শেখান হয়। কিন্তু পানাহার থেকে বিরত থাকার বিষয়টি থেকেও জরুরি হচ্ছে রমজান মাস থেকেই সব ধরনের খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকার শিক্ষা দেয়া। অর্থাৎ রমজান মাসের তাৎপর্য তুলে ধরা। এ ক্ষেত্রে মিথ্যা বলা, মারামারি করা, অন্যের নিন্দা করা, কাউকে ছোট করা থেকে বিরত থাকার শিক্ষা দেয়া যেতে পারে।

এ ছাড়া নামাজ পড়া এবং শিক্ষা দেয়া যেতে পারে। পরিবারের সঙ্গে সাহরি এবং ইফতারি খাওয়ার বিষয়েও তাকে উৎসাহ দেয়া জরুরি। এভাবে ছোট থেকে শেখালেই একজন শিশু সাওম পালনের গুরুত্ব বুঝতে পারবে। বড় হওয়ার পর সে পানাহার থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি সব ধরনের খারাপ কাজ থেকেও বিরত থাকবে। একজন শিশুর প্রথম বিদ্যালয় হচ্ছে তার পরিবার। সুতরাং প্রত্যেকটি শিশুর পরিবারের উচিত তাদের সব বিষয়ে শুদ্ধ জ্ঞান প্রদান করা।

লেখক : সঙ্গীত বিভাগ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত