জয়তুন বৃক্ষের কথা
jugantor
জয়তুন বৃক্ষের কথা

  আতিক আল মাসউদ  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ত্বীন ফল যেসব চিকিৎসার উপশম বলে দিয়েছেন-

১. ত্বীন ফল জরায়ু ক্যান্সারের প্রতিষেধক; ২. ব্লাড প্রেসার এবং স্নায়ুরোগ কমাতে কার্যকর; ৩. মায়ের দুধ উৎপাদনে সাহায্য করে; ৪. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও হাঁপানি রোগ নিরাময়ে ভূমিকা রাখে; ৫. ত্বকের সমস্যা, চুলের রোগ, কিডনি ও লিভার নিরাপদ রাখতে খুবই উপকারী।

জয়তুন বৃক্ষ যেসব চিকিৎসার উপশমও বলা হয়েছে-

১. এ বৃক্ষ প্রজনন প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা পালন করে; ২. ক্যান্সার বিস্তারের বিরুদ্ধে মেমব্রেনকে সতেজ করে; ৩. যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে; ৪. চুল ও দাড়িতে ব্যবহারে চুল পাকার প্রবণতা কমায়; ৫. স্মৃতিভ্রম দূর করে; ৬. টিউমারকে ধ্বংস করে দেয়।

ত্বীন ও জয়তুন দিয়ে আসলে কি ওপরে বর্ণিত ফলগুলোকে নির্দেশ করা হল এমন প্রশ্নের জবাব হিসেবে মুফাসসিরদের শিরোমণি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস, ইকরামা ও মুজাহিদ প্রমুখ বলেন-

এটি হল ওই ত্বীন বা ডুমুর, যা থেকে তোমরা খেয়ে থাক এবং ওই জয়তুন যা থেকে তোমরা তেল বের করে ব্যবহার করে থাক। (কুরতুবি, ইবনে কাসির)।

জয়তুনকে আল্লাহ উদাহরণ হিসেবে অন্য জায়গায় ব্যবহার করেছেন। প্রদীপটি প্রজ্বলিত করা হয় পূত-পবিত্র জয়তুন বৃক্ষের তেল দিয়ে। (সূরা নূর ২৪-৩৫)। এতে বোঝা যায়, এ জয়তুন বৃক্ষটি ছিল সূরা ত্বীনের সেই উপকারী বৃক্ষ। আবার সূরা মোমিনের ২০নং আয়াতে আল্লাহ বলেন-

অর্থাৎ- এবং সৃষ্টি করি এক বৃক্ষ, যা জন্মে সিনাই পর্বতে। এতে উৎপন্ন হয় ভোজনকারীদের জন্য তেল ও ব্যঞ্জন। সিনাই পর্বতে যেই গাছটি পাওয়া যায় সেটিও সূরা ত্বীনের আলোচিত বৃক্ষটি। মুফাসসিররা এটিই ব্যাখ্যা দিয়েছেন। (তাফসিরে তবরি)।

সুতরাং বোঝা যায়, ত্বীন ও জয়তুন নিয়ে বিজ্ঞান যা বলল এবং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিস এ ফলকে কেন্দ্র করে উপস্থাপিত তথ্যাদি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

লেখক : শিক্ষার্থী, আবুতোরাব ফাজিল মাদ্রাসা

জয়তুন বৃক্ষের কথা

 আতিক আল মাসউদ 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ত্বীন ফল যেসব চিকিৎসার উপশম বলে দিয়েছেন-

১. ত্বীন ফল জরায়ু ক্যান্সারের প্রতিষেধক; ২. ব্লাড প্রেসার এবং স্নায়ুরোগ কমাতে কার্যকর; ৩. মায়ের দুধ উৎপাদনে সাহায্য করে; ৪. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও হাঁপানি রোগ নিরাময়ে ভূমিকা রাখে; ৫. ত্বকের সমস্যা, চুলের রোগ, কিডনি ও লিভার নিরাপদ রাখতে খুবই উপকারী।

জয়তুন বৃক্ষ যেসব চিকিৎসার উপশমও বলা হয়েছে-

১. এ বৃক্ষ প্রজনন প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা পালন করে; ২. ক্যান্সার বিস্তারের বিরুদ্ধে মেমব্রেনকে সতেজ করে; ৩. যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে; ৪. চুল ও দাড়িতে ব্যবহারে চুল পাকার প্রবণতা কমায়; ৫. স্মৃতিভ্রম দূর করে; ৬. টিউমারকে ধ্বংস করে দেয়।

ত্বীন ও জয়তুন দিয়ে আসলে কি ওপরে বর্ণিত ফলগুলোকে নির্দেশ করা হল এমন প্রশ্নের জবাব হিসেবে মুফাসসিরদের শিরোমণি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস, ইকরামা ও মুজাহিদ প্রমুখ বলেন-

এটি হল ওই ত্বীন বা ডুমুর, যা থেকে তোমরা খেয়ে থাক এবং ওই জয়তুন যা থেকে তোমরা তেল বের করে ব্যবহার করে থাক। (কুরতুবি, ইবনে কাসির)।

জয়তুনকে আল্লাহ উদাহরণ হিসেবে অন্য জায়গায় ব্যবহার করেছেন। প্রদীপটি প্রজ্বলিত করা হয় পূত-পবিত্র জয়তুন বৃক্ষের তেল দিয়ে। (সূরা নূর ২৪-৩৫)। এতে বোঝা যায়, এ জয়তুন বৃক্ষটি ছিল সূরা ত্বীনের সেই উপকারী বৃক্ষ। আবার সূরা মোমিনের ২০নং আয়াতে আল্লাহ বলেন-

অর্থাৎ- এবং সৃষ্টি করি এক বৃক্ষ, যা জন্মে সিনাই পর্বতে। এতে উৎপন্ন হয় ভোজনকারীদের জন্য তেল ও ব্যঞ্জন। সিনাই পর্বতে যেই গাছটি পাওয়া যায় সেটিও সূরা ত্বীনের আলোচিত বৃক্ষটি। মুফাসসিররা এটিই ব্যাখ্যা দিয়েছেন। (তাফসিরে তবরি)।

সুতরাং বোঝা যায়, ত্বীন ও জয়তুন নিয়ে বিজ্ঞান যা বলল এবং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিস এ ফলকে কেন্দ্র করে উপস্থাপিত তথ্যাদি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

 

লেখক : শিক্ষার্থী, আবুতোরাব ফাজিল মাদ্রাসা