প্রভুর নৈকট্যের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম তাহাজ্জুদ
jugantor
প্রভুর নৈকট্যের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম তাহাজ্জুদ

  রাশেদ নাইব  

১৮ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দুনিয়া যখন গভীর ঘুমে নিমগ্ন থাকে তখন আল্লাহর কিছু প্রিয় বান্দা জায়নামাজে দাঁড়িয়ে যান। প্রভুর ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য তাহাজ্জুদের নামাজের নিয়ত করেন। আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, তারা শয্যা ত্যাগ করে তাদের প্রতিপালককে ডাকে ভয় ও আশায়। আর আমি তাদের যে রিজিক দিয়েছি, তা থেকে তারা ব্যয় করে। (সূরা : সাজদা, আয়াত : ১৬)।

শুধু নামাজ আদায় নয়, রাতের শেষ ভাগে আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করা ও ক্ষমা প্রার্থনা করা খাঁটি ইমানদারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ইমানদারদের গুণাবলি সম্পর্কে কুরআনে বলা হয়েছে, তারা ধৈর্যশীল, সত্যবাদী, অনুগতপরায়ণ, আল্লাহর পথে ব্যয়কারী ও রাতের শেষ প্রহরে ক্ষমা প্রার্থনাকারী।’ (সূরা : আলে ইমরান, আয়াত: ১৭)।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর শ্রেষ্ঠ নামাজ তাহাজ্জুদ। মহানবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.) বলেছেন, রমজানের পর সর্বশ্রেষ্ঠ রোজা হলো আল্লাহর মাস মুহাররমের রোজা। আর ফরজ নামাজের পর সর্বশ্রেষ্ঠ নামাজ হলো রাতের তাহাজ্জুদের নামাজ। (মুসলিম, হাদিস নম্বর : ১১৬৩)।

তিনি আরও বলেন, আল্লাহতায়ালা প্রতিদিন রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নিচের আসমানে অবতরণ করেন এবং বলেন, কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব! কে আমার কাছে কিছু চাইবে, আমি তাকে দান করব! আর কে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব! (বুখারি ও মুসলিম)।

রাসূলুল্লাহ (সা.) ৮ রাকাআত তাহাজ্জুদ পড়তেন। তাই ৮ রাকাত তাহাজ্জুদ পড়াই ভালো। তবে এটা পড়া আবশ্যক নয়। সম্ভব হলে ১২ রাকাত তাহাজ্জুদ আদায় করা। তবে ৮ রাকাত আদায় করা উত্তম। সম্ভব না হলে ৪ রাকাত আদায় করা। যদি তাও সম্ভব না হয়, তবে ২ রাকাত হলেও তাহাজ্জুদ আদায় করা যাবে।

প্রিয় নবী (সা.) দুই রাকাত করে এ নামাজ আদায় করতেন। যে কোনো সূরা দিয়েই এ নামাজ পড়া যায়। তবে তিনি লম্বা কেরাতে নামাজ আদায় করতেন। তাই লম্বা কেরাতে তাহাজ্জুদ আদায় করা উত্তম।

তাকবিরে তাহরিমা ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নিয়ত বাধা; অতঃপর ছানা পড়া; সূরা ফাতেহা পড়া; অন্য একটি সূরা মেলানো তথা কেরাত পড়া। অতঃপর অন্যান্য নামাজের মতো রুকু, সেজদা আদায় করা। এভাবেই দ্বিতীয় রাকাত আদায় করে তাশাহহুদ, দরুদ ও দোয়া মাছুরা পড়ে সালাম ফেরানোর মাধ্যমে নামাজ সম্পন্ন করা। এভাবে দুই রাকাত করে নামাজ আদায় করা উত্তম।

প্রভুর নৈকট্যের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম তাহাজ্জুদ

 রাশেদ নাইব 
১৮ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দুনিয়া যখন গভীর ঘুমে নিমগ্ন থাকে তখন আল্লাহর কিছু প্রিয় বান্দা জায়নামাজে দাঁড়িয়ে যান। প্রভুর ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য তাহাজ্জুদের নামাজের নিয়ত করেন। আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, তারা শয্যা ত্যাগ করে তাদের প্রতিপালককে ডাকে ভয় ও আশায়। আর আমি তাদের যে রিজিক দিয়েছি, তা থেকে তারা ব্যয় করে। (সূরা : সাজদা, আয়াত : ১৬)।

শুধু নামাজ আদায় নয়, রাতের শেষ ভাগে আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করা ও ক্ষমা প্রার্থনা করা খাঁটি ইমানদারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ইমানদারদের গুণাবলি সম্পর্কে কুরআনে বলা হয়েছে, তারা ধৈর্যশীল, সত্যবাদী, অনুগতপরায়ণ, আল্লাহর পথে ব্যয়কারী ও রাতের শেষ প্রহরে ক্ষমা প্রার্থনাকারী।’ (সূরা : আলে ইমরান, আয়াত: ১৭)।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর শ্রেষ্ঠ নামাজ তাহাজ্জুদ। মহানবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.) বলেছেন, রমজানের পর সর্বশ্রেষ্ঠ রোজা হলো আল্লাহর মাস মুহাররমের রোজা। আর ফরজ নামাজের পর সর্বশ্রেষ্ঠ নামাজ হলো রাতের তাহাজ্জুদের নামাজ। (মুসলিম, হাদিস নম্বর : ১১৬৩)।

তিনি আরও বলেন, আল্লাহতায়ালা প্রতিদিন রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নিচের আসমানে অবতরণ করেন এবং বলেন, কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব! কে আমার কাছে কিছু চাইবে, আমি তাকে দান করব! আর কে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব! (বুখারি ও মুসলিম)।

রাসূলুল্লাহ (সা.) ৮ রাকাআত তাহাজ্জুদ পড়তেন। তাই ৮ রাকাত তাহাজ্জুদ পড়াই ভালো। তবে এটা পড়া আবশ্যক নয়। সম্ভব হলে ১২ রাকাত তাহাজ্জুদ আদায় করা। তবে ৮ রাকাত আদায় করা উত্তম। সম্ভব না হলে ৪ রাকাত আদায় করা। যদি তাও সম্ভব না হয়, তবে ২ রাকাত হলেও তাহাজ্জুদ আদায় করা যাবে।

প্রিয় নবী (সা.) দুই রাকাত করে এ নামাজ আদায় করতেন। যে কোনো সূরা দিয়েই এ নামাজ পড়া যায়। তবে তিনি লম্বা কেরাতে নামাজ আদায় করতেন। তাই লম্বা কেরাতে তাহাজ্জুদ আদায় করা উত্তম।

তাকবিরে তাহরিমা ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নিয়ত বাধা; অতঃপর ছানা পড়া; সূরা ফাতেহা পড়া; অন্য একটি সূরা মেলানো তথা কেরাত পড়া। অতঃপর অন্যান্য নামাজের মতো রুকু, সেজদা আদায় করা। এভাবেই দ্বিতীয় রাকাত আদায় করে তাশাহহুদ, দরুদ ও দোয়া মাছুরা পড়ে সালাম ফেরানোর মাধ্যমে নামাজ সম্পন্ন করা। এভাবে দুই রাকাত করে নামাজ আদায় করা উত্তম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন