ফিরে এসো কুরআনের পথে
jugantor
ফিরে এসো কুরআনের পথে

  মওলবি আশরাফ  

০৮ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হজরত ওমর (রা.) যখন খিলাফতের রাজসিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন, তার প্রথম নির্দেশনা ছিল খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.)কে সেনাপ্রধানের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে আবু উবায়দাহ ইবনুল জাররাহ (রা.)কে তার স্থলাভিষিক্ত করা।

আর এ পরিবর্তনের একমাত্র কারণ ছিল খালিদ বিন ওয়ালিদের রণকৌশলে মুসলমানদের অতিরিক্ত আস্থা। একজন মুসলমানের আস্থার প্রথমস্থল তো হবে কেবল আল্লাহ ও তার কিতাব, কোনো ব্যক্তির ওপর নয়, এটাই তার সবচেয়ে বড় রণকৌশল এবং নির্দেশনাপত্র পাওয়ার পর খালিদ বিন ওয়ালিদের প্রতিক্রিয়াও ছিল এমন ‘আমি তো ওমরের জন্য লড়াই করি না, আল্লাহর জন্য করি।’

অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন হজরত ওমর (রা.)-এর পারস্য ও রোমান সাম্রাজ্যে ইসলামের বিজয় নিশান ওড়ানো নিছক কাকতালীয় ছিল, ব্যাটে বল লেগে গিয়েছিল। কিন্তু আদতে তা একেবারেই মিথ্যা ধারণা।

তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো খালিদ বিন ওয়ালিদের মতো ‘অপরাজেয়’ সেনাপ্রধানের পদচ্যুতিকরণ, যেন মানুষ ঘুণাক্ষরেও এমন ভেবে বসতে না পারে যে, এ বিজয় এ সাফল্য খালিদ বিন ওয়ালিদের বদৌলতে, আল্লাহর প্রতি আস্থার কারণে নয়।

মুসলমানরা তখন সিরিয়ার অভিমুখে। প্রতিপক্ষ রোমান বাহিনীর প্রধান কায়কালান মুসলমানদের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য গোয়েন্দা পাঠান। গোয়েন্দা ফিরে এসে তাকে মুসলমানদের ইমানদারি ও ব্যক্তি জীবনে কুরআনের কার্যত বাস্তবায়নের ঘটনা শোনান।

এ কথা শুনে কায়কালান বলে ওঠে : ‘খোদার কসম, তোমার কথা যদি সত্য হয়, তাহলে তো মাটির ওপর থেকে মাটির তলাই ভালো। ভূগর্ভ তার পিঠের চেয়ে উত্তম!’

তার এ ভয় অহেতুক ছিল না। কারণ কেয়ামত অবধি যে বা যারাই কুরআনকে ব্যক্তি জীবনে বাস্তবায়ন করবে, আল্লাহ নিশ্চিত তাদের ইহকালীন ও পরকালীন সাফল্য দেবেন, এটা স্বয়ং আল্লাহর প্রতিশ্রুতি এবং এর বিপরীত ঘটা কখনোই সম্ভব নয়।

হজরত ওমর (রা.)-এর এ বিশ্বাস একশতে একশ ভাগ ছিল। খলিফা হওয়ার পর তিনি মুসলিম শাসনাধীন দেশে গভর্নরদের প্রায় সময় পত্রযোগে কোরআনের শিক্ষা জারি করার নির্দেশনা দিতেন এবং এর গুরুত্ব বিস্তারিত বর্ণনা করতেন।

বসরার গভর্নর আবু মুসা আশআরি (রা.)-এর কাছে এমনই একটি পত্রে ওমর (রা.) লিখেন : ‘তুমি জানো এ কুরআন তোমার জন্য সাফল্য ও উত্তম বিনিময়প্রাপ্তির উপায়। এ জন্য কুরআনের শিক্ষাকে বাস্তবায়ন কর এবং কুরআনকে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের সরঞ্জাম বানিও না। যিনি কুরআনকে জীবন বিধান ও অনুসরণীয় বানাবে, কুরআন তাকে জান্নাতের পথ দেখাবে।...

কুরআন হেদায়েতের ঝরনা, এলেমের ফুলবাগান এবং দয়াময় খোদার চিরসবুজ বাণী।... যেই ব্যক্তি কুরআন পড়েন, কুরআনের কথা মনে রাখেন এবং সে অনুযায়ী জীবনযাপন করেন, আল্লাহতায়ালা তার সব দোয়া কবুল করেন। মনে রেখ, আল্লাহর পুরস্কার সর্বোত্তম ও চিরস্থায়ী, আর তা এমনসব লোকেরাই বরণ করবেন যারা ইমানদার ও একমাত্র আল্লাহর প্রতি আস্থাশীল।’

ইহকালীন ও পরকালীন সফলতার জন্য কুরআনের বিকল্প নেই। কিন্তু আমরা যেভাবে তিলাওয়াত করি ঠিক সেভাবে নয়, কারণ কুরআন নাজিলের উদ্দেশ্য আল্লাহর নির্দেশ ব্যক্তি জীবনে প্রয়োগ করা, শুধুই প্রত্যেক হরফে নেকি অর্জন করা নয়।

এ বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা.) বলেন : ‘কুরআন আস্তে আস্তে ও চিন্তা-ফিকির করে পড়া, যদিও অল্প পড়া হয়, তবু দ্রুত পড়ার চেয়ে উত্তম। কেননা কুরআন পড়ার উদ্দেশ্য তা বোঝা ও কার্যত বাস্তবায়ন করা। কুরআন পাঠ ও মুখস্থকরণ যেন আল্লাহর বাণীর মর্ম উদঘাটনে সহায়ক হয়। এ জন্যই আমাদের পূর্বসূরিরা বলতেন, কুরআন নাজিল হয়েছে কার্যত বাস্তবায়নের জন্য, কিন্তু লোকজন স্রেফ তিলাওয়াতকে আমল বানিয়ে নিয়েছে।

আমাদের পূর্বসূরিদের মধ্যে ‘কুরআনওয়ালা’ তাদের বলা হতো যারা কুরআন সম্পর্কে জ্ঞান রাখতেন, একই সঙ্গে তা কার্যত বাস্তবায়ন করতেন। যদিও তাদের কারও কারও কুরআন মুখস্থ ছিল না। যে লোকের কুরআন মুখস্থ, কিন্তু সে তার অর্থ বোঝে না, কার্যত বাস্তবায়নের উপায়ও জানে না, সে ‘কুরআনওয়ালা’ হতে পারে না, যদিও প্রত্যেকটা অক্ষর সম্পর্কে তার জ্ঞান সোজা তীরের মতো একদম ঠিকঠাক হয়।

সাধারণ তিলাওয়াত, যেখানে কুরআন বোঝা ও চিন্তা-ফিকির করার বিষয়টি অনুপস্থিত থাকে, এমন তিলাওয়াত তো ভালো খারাপ, মুমিন মোনাফিক, যে কেউ করতে পারে। আল্লাহর রাসূল (সা.) এ কারণেই বলেন, যে মোনাফিক কুরআন তিলাওয়াত করে তার উদাহরণ রায়হান (নামক) সুগন্ধির মতো, তার ঘ্রাণ খুব সুন্দর বটে, কিন্তু স্বাদ তিতকুটে।’ ইবন মাসউদ আরও বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কেউ ১০ আয়াতের বেশি পড়তেন না, যদ্দিন না ওই আয়াতের মর্ম উদঘাটন করতেন এবং তা কার্যত বাস্তবায়নে আনতেন।’

বড়ই দুঃখজনক কথা, আমরা কুরআন বুঝে পড়ি না, মনে করি কুরআন বোঝা সম্ভব নয়। কিন্তু এই ‘মনে করা’ বাস্তবিক নয়। কারণ আল্লাহ নিজেই বলেছেন আমি কুরআন সহজ ভাষায় নাজিল করেছি।

অন্যত্রে বলেন-তিনিই সেই মহান সত্তা, যিনি নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে তাদেরই একজনকে রাসূল (সা.) বানিয়ে পাঠিয়েছেন, যিনি তাদের আল্লাহর বাণী পড়ে শোনান, তাদের জীবনকে সাজানো-গোছানো করেন, তাদের আল্লাহর কিতাব ও হেকমত শিক্ষা দেন, অথচ এ লোকগুলোই (রাসূল আসার) আগে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে নিমজ্জিত ছিল (সূরা জুমআ : আয়াত ২)।

যে কুরআন জাহিল আরবদের পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম মানবে পরিণত করেছিল, সেই কুরআন আমাদেরও সোনার মানুষ বানাতে সক্ষম। তার জন্য প্রয়োজন কেবল কুরআন বুঝে পড়া, তাকে কার্যত বাস্তবায়ন করা আর আল্লাহতায়ালার প্রতি নিরঙ্কুশ আস্থা রাখা। এ ছাড়া উভয় জাহানে সফলতার দ্বিতীয় কোনো পথ নেই।

ফিরে এসো কুরআনের পথে

 মওলবি আশরাফ 
০৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হজরত ওমর (রা.) যখন খিলাফতের রাজসিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন, তার প্রথম নির্দেশনা ছিল খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.)কে সেনাপ্রধানের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে আবু উবায়দাহ ইবনুল জাররাহ (রা.)কে তার স্থলাভিষিক্ত করা।

আর এ পরিবর্তনের একমাত্র কারণ ছিল খালিদ বিন ওয়ালিদের রণকৌশলে মুসলমানদের অতিরিক্ত আস্থা। একজন মুসলমানের আস্থার প্রথমস্থল তো হবে কেবল আল্লাহ ও তার কিতাব, কোনো ব্যক্তির ওপর নয়, এটাই তার সবচেয়ে বড় রণকৌশল এবং নির্দেশনাপত্র পাওয়ার পর খালিদ বিন ওয়ালিদের প্রতিক্রিয়াও ছিল এমন ‘আমি তো ওমরের জন্য লড়াই করি না, আল্লাহর জন্য করি।’

অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন হজরত ওমর (রা.)-এর পারস্য ও রোমান সাম্রাজ্যে ইসলামের বিজয় নিশান ওড়ানো নিছক কাকতালীয় ছিল, ব্যাটে বল লেগে গিয়েছিল। কিন্তু আদতে তা একেবারেই মিথ্যা ধারণা।

তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো খালিদ বিন ওয়ালিদের মতো ‘অপরাজেয়’ সেনাপ্রধানের পদচ্যুতিকরণ, যেন মানুষ ঘুণাক্ষরেও এমন ভেবে বসতে না পারে যে, এ বিজয় এ সাফল্য খালিদ বিন ওয়ালিদের বদৌলতে, আল্লাহর প্রতি আস্থার কারণে নয়।

মুসলমানরা তখন সিরিয়ার অভিমুখে। প্রতিপক্ষ রোমান বাহিনীর প্রধান কায়কালান মুসলমানদের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য গোয়েন্দা পাঠান। গোয়েন্দা ফিরে এসে তাকে মুসলমানদের ইমানদারি ও ব্যক্তি জীবনে কুরআনের কার্যত বাস্তবায়নের ঘটনা শোনান।

এ কথা শুনে কায়কালান বলে ওঠে : ‘খোদার কসম, তোমার কথা যদি সত্য হয়, তাহলে তো মাটির ওপর থেকে মাটির তলাই ভালো। ভূগর্ভ তার পিঠের চেয়ে উত্তম!’

তার এ ভয় অহেতুক ছিল না। কারণ কেয়ামত অবধি যে বা যারাই কুরআনকে ব্যক্তি জীবনে বাস্তবায়ন করবে, আল্লাহ নিশ্চিত তাদের ইহকালীন ও পরকালীন সাফল্য দেবেন, এটা স্বয়ং আল্লাহর প্রতিশ্রুতি এবং এর বিপরীত ঘটা কখনোই সম্ভব নয়।

হজরত ওমর (রা.)-এর এ বিশ্বাস একশতে একশ ভাগ ছিল। খলিফা হওয়ার পর তিনি মুসলিম শাসনাধীন দেশে গভর্নরদের প্রায় সময় পত্রযোগে কোরআনের শিক্ষা জারি করার নির্দেশনা দিতেন এবং এর গুরুত্ব বিস্তারিত বর্ণনা করতেন।

বসরার গভর্নর আবু মুসা আশআরি (রা.)-এর কাছে এমনই একটি পত্রে ওমর (রা.) লিখেন : ‘তুমি জানো এ কুরআন তোমার জন্য সাফল্য ও উত্তম বিনিময়প্রাপ্তির উপায়। এ জন্য কুরআনের শিক্ষাকে বাস্তবায়ন কর এবং কুরআনকে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের সরঞ্জাম বানিও না। যিনি কুরআনকে জীবন বিধান ও অনুসরণীয় বানাবে, কুরআন তাকে জান্নাতের পথ দেখাবে।...

কুরআন হেদায়েতের ঝরনা, এলেমের ফুলবাগান এবং দয়াময় খোদার চিরসবুজ বাণী।... যেই ব্যক্তি কুরআন পড়েন, কুরআনের কথা মনে রাখেন এবং সে অনুযায়ী জীবনযাপন করেন, আল্লাহতায়ালা তার সব দোয়া কবুল করেন। মনে রেখ, আল্লাহর পুরস্কার সর্বোত্তম ও চিরস্থায়ী, আর তা এমনসব লোকেরাই বরণ করবেন যারা ইমানদার ও একমাত্র আল্লাহর প্রতি আস্থাশীল।’

ইহকালীন ও পরকালীন সফলতার জন্য কুরআনের বিকল্প নেই। কিন্তু আমরা যেভাবে তিলাওয়াত করি ঠিক সেভাবে নয়, কারণ কুরআন নাজিলের উদ্দেশ্য আল্লাহর নির্দেশ ব্যক্তি জীবনে প্রয়োগ করা, শুধুই প্রত্যেক হরফে নেকি অর্জন করা নয়।

এ বিষয়ে আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা.) বলেন : ‘কুরআন আস্তে আস্তে ও চিন্তা-ফিকির করে পড়া, যদিও অল্প পড়া হয়, তবু দ্রুত পড়ার চেয়ে উত্তম। কেননা কুরআন পড়ার উদ্দেশ্য তা বোঝা ও কার্যত বাস্তবায়ন করা। কুরআন পাঠ ও মুখস্থকরণ যেন আল্লাহর বাণীর মর্ম উদঘাটনে সহায়ক হয়। এ জন্যই আমাদের পূর্বসূরিরা বলতেন, কুরআন নাজিল হয়েছে কার্যত বাস্তবায়নের জন্য, কিন্তু লোকজন স্রেফ তিলাওয়াতকে আমল বানিয়ে নিয়েছে।

আমাদের পূর্বসূরিদের মধ্যে ‘কুরআনওয়ালা’ তাদের বলা হতো যারা কুরআন সম্পর্কে জ্ঞান রাখতেন, একই সঙ্গে তা কার্যত বাস্তবায়ন করতেন। যদিও তাদের কারও কারও কুরআন মুখস্থ ছিল না। যে লোকের কুরআন মুখস্থ, কিন্তু সে তার অর্থ বোঝে না, কার্যত বাস্তবায়নের উপায়ও জানে না, সে ‘কুরআনওয়ালা’ হতে পারে না, যদিও প্রত্যেকটা অক্ষর সম্পর্কে তার জ্ঞান সোজা তীরের মতো একদম ঠিকঠাক হয়।

সাধারণ তিলাওয়াত, যেখানে কুরআন বোঝা ও চিন্তা-ফিকির করার বিষয়টি অনুপস্থিত থাকে, এমন তিলাওয়াত তো ভালো খারাপ, মুমিন মোনাফিক, যে কেউ করতে পারে। আল্লাহর রাসূল (সা.) এ কারণেই বলেন, যে মোনাফিক কুরআন তিলাওয়াত করে তার উদাহরণ রায়হান (নামক) সুগন্ধির মতো, তার ঘ্রাণ খুব সুন্দর বটে, কিন্তু স্বাদ তিতকুটে।’ ইবন মাসউদ আরও বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কেউ ১০ আয়াতের বেশি পড়তেন না, যদ্দিন না ওই আয়াতের মর্ম উদঘাটন করতেন এবং তা কার্যত বাস্তবায়নে আনতেন।’

বড়ই দুঃখজনক কথা, আমরা কুরআন বুঝে পড়ি না, মনে করি কুরআন বোঝা সম্ভব নয়। কিন্তু এই ‘মনে করা’ বাস্তবিক নয়। কারণ আল্লাহ নিজেই বলেছেন আমি কুরআন সহজ ভাষায় নাজিল করেছি।

অন্যত্রে বলেন-তিনিই সেই মহান সত্তা, যিনি নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে তাদেরই একজনকে রাসূল (সা.) বানিয়ে পাঠিয়েছেন, যিনি তাদের আল্লাহর বাণী পড়ে শোনান, তাদের জীবনকে সাজানো-গোছানো করেন, তাদের আল্লাহর কিতাব ও হেকমত শিক্ষা দেন, অথচ এ লোকগুলোই (রাসূল আসার) আগে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে নিমজ্জিত ছিল (সূরা জুমআ : আয়াত ২)।

যে কুরআন জাহিল আরবদের পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম মানবে পরিণত করেছিল, সেই কুরআন আমাদেরও সোনার মানুষ বানাতে সক্ষম। তার জন্য প্রয়োজন কেবল কুরআন বুঝে পড়া, তাকে কার্যত বাস্তবায়ন করা আর আল্লাহতায়ালার প্রতি নিরঙ্কুশ আস্থা রাখা। এ ছাড়া উভয় জাহানে সফলতার দ্বিতীয় কোনো পথ নেই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন