দরুদের গুরুত্ব ও ফজিলত
jugantor
দরুদের গুরুত্ব ও ফজিলত

  আ খ ম সুহাইল আহমদ  

১৫ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হজরত আদম (আ.) কে সৃষ্টি এবং তার ভেতর রুহ দেওয়ার পর তিনি চোখ খুলে আসমানে দেখেন ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’। ফলে মুহাম্মদ (সা.)-এর নাম সম্পর্কে তার অন্তরে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হলে আল্লাহর কাছে জানতে চান-তিনি কে?

আল্লাহ বলেন, মুহাম্মাদ হলো তোমার সন্তানের মধ্যে সর্বোত্তম এবং শ্রেষ্ঠ নবী। হজরত আদম (আ.) হাওয়া (আ.) কে স্ত্রী হিসাবে পাওয়ার পর তার কাছে যেতে চাইলে ফেরেশতারা নিষেধ করেন এবং মোহর আদায় করতে বলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তার মোহর কী?

ফেরেশতারা বললেন, ‘মুহাম্মাদ (সা.)-এর প্রতি ৩ বার দরুদ পাঠ।’ ইবনুল জাওজি বলেন, হাওয়া (আ.) ফেরেশতাদের কথোপকথন শুনে আদম (আ.) থেকে তার মোহর চাইলেন। তখন তিনি আল্লাহকে জিজ্ঞেস করলেন, কী মোহর দেবেন? আল্লাহ বললেন, ‘তুমি আমার হাবিব মুহাম্মাদ-এর ওপর ২০ বার দরুদ পাঠ করো।’ তিনি তাই করলেন।

আল্লাহ বলেন ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তার ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ প্রেরণ করেন। (অতএব) হে মুমিনরা! তোমরাও তার প্রতি দরুদ ও সালাম প্রেরণ কর।’ (সূরা আহজাব-৫৬)। ওই আয়াতে আল্লাহতায়ালা বিশ্ববাসীকে আদেশ করেছেন, যেন তারাও নবীর প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠ করে।

হাদিসে দরুদের সংক্ষিপ্ত অনেক শব্দ বর্ণিত হয়েছে, সেগুলোর একটি হলো ‘সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’। তবে উত্তম হলো দরুদে ইবরাহিম তথা নামাজে যেই দরুদ পাঠ করা হয়।

দরুদের গুরুত্ব ও ফজিলত

 আ খ ম সুহাইল আহমদ 
১৫ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হজরত আদম (আ.) কে সৃষ্টি এবং তার ভেতর রুহ দেওয়ার পর তিনি চোখ খুলে আসমানে দেখেন ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’। ফলে মুহাম্মদ (সা.)-এর নাম সম্পর্কে তার অন্তরে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হলে আল্লাহর কাছে জানতে চান-তিনি কে?

আল্লাহ বলেন, মুহাম্মাদ হলো তোমার সন্তানের মধ্যে সর্বোত্তম এবং শ্রেষ্ঠ নবী। হজরত আদম (আ.) হাওয়া (আ.) কে স্ত্রী হিসাবে পাওয়ার পর তার কাছে যেতে চাইলে ফেরেশতারা নিষেধ করেন এবং মোহর আদায় করতে বলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তার মোহর কী?

ফেরেশতারা বললেন, ‘মুহাম্মাদ (সা.)-এর প্রতি ৩ বার দরুদ পাঠ।’ ইবনুল জাওজি বলেন, হাওয়া (আ.) ফেরেশতাদের কথোপকথন শুনে আদম (আ.) থেকে তার মোহর চাইলেন। তখন তিনি আল্লাহকে জিজ্ঞেস করলেন, কী মোহর দেবেন? আল্লাহ বললেন, ‘তুমি আমার হাবিব মুহাম্মাদ-এর ওপর ২০ বার দরুদ পাঠ করো।’ তিনি তাই করলেন।

আল্লাহ বলেন ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তার ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ প্রেরণ করেন। (অতএব) হে মুমিনরা! তোমরাও তার প্রতি দরুদ ও সালাম প্রেরণ কর।’ (সূরা আহজাব-৫৬)। ওই আয়াতে আল্লাহতায়ালা বিশ্ববাসীকে আদেশ করেছেন, যেন তারাও নবীর প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠ করে।

হাদিসে দরুদের সংক্ষিপ্ত অনেক শব্দ বর্ণিত হয়েছে, সেগুলোর একটি হলো ‘সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’। তবে উত্তম হলো দরুদে ইবরাহিম তথা নামাজে যেই দরুদ পাঠ করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন