হে মুসলমান ধারণ কর আল কুরআন
jugantor
হে মুসলমান ধারণ কর আল কুরআন

  মাওলানা সেলিম হোসাইন আজাদী  

১৯ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কোনো একদিন এ পৃথিবীতে কুরআনের জ্ঞানীরা মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিল। বিশ্বের মানুষ তখন সমিহের চোখে দেখছিল তাদের। কেউ কেউ গ্রহণ করেছিল তাদের মতবাদ শ্রদ্ধার সঙ্গে। আলোড়ন পড়েছিল দুনিয়াজুড়ে মুসলমানদের বিষয়ে।

হায় আজ সেই মুসলমানই কত অসহায়। বিশ্ব তাদের নিয়ে পুতুল খেলা খেলছে। কুরআনের সৈনিকরা কি করে পুতুল হয়ে গেল? কুরআনরূপী মুসলমান আজ পুতলী হয়ে খেলতামাশায় লিপ্ত হয়েছে।

মহান আল্লাহর হুঁশিয়ারি তারা ভুলে গেছে-‘এ পৃথিবী আমি খেলতামাশার জন্য সৃষ্টি করিনি।’ হে তামাশায় মগ্ন মুসলমান ফিরে আসুন কুরআনে। আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়ান বীর বিক্রমে।

পৃথিবীজুড়ে প্রায় দুইশ কোটি মুসলমান রয়েছে। অসংখ্য মসজিদ-মাদ্রাসা, খানকাহ, পির-মাশায়েখ, হাফেজ, কারি, দায়ী রয়েছেন। দাওয়াতে তাবলিগে সময় লাগানো নিবেদিত কর্মীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। অমুসলিমরা ইসলাম ধর্মে দাখিল হচ্ছে।

এত কিছুর পরও মুসলমান আজ বিশ্বে লাঞ্ছিত, অপমানিত, অবদমিত জাতি হিসাবে পরগাছার মতো জীবনযাপন করছে। স্বার্থপরতা, কৃপণতা, ধনাসক্তি, নারীমোহ, দুনিয়াপ্রীতি, মানুষের প্রতি মায়াহীনতা ও মানবতাবোধের অভাব, সিংহের জাতিকে আজ বিড়ালের জাতিতে পরিণত করে রেখেছে।

রাসূল (সা.) এবং সাহাবিদের সময় মসজিদগুলো এত জাঁকজমকপূর্ণ ছিল না। তবে মুসল্লিদের হৃদয় আলোকিত ছিল। আলোকিত আত্মার খোঁজে সব মানুষ মসজিদে যেত। এক কুরআনের অনুসারী সাহাবিদের মধ্যে এত দলাদলি এবং কাদা ছোড়াছুড়ি ছিল না। ন্যায় এবং ভ্রাতৃত্বের সৌধের ওপর নবির সমাজ প্রতিষ্ঠিত ছিল। আজকের মুসলমান নবির আদর্শ কুরআনের শিক্ষা ভুলে গেছে।

ইতিহাস-ঐতিহ্যচর্চা ছেড়ে দিয়েছে। সর্বাঙ্গে জরাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে এ জাতি। প্রখ্যাত কবি আল্লামা ইকবাল লিখেছেন, ‘ফুল বাগান নষ্ট করার জন্য একটি হুতুম পেঁচাই যথেষ্ট। কিন্তু পেঁচা বসে গেছে প্রত্যেক ডালে ডালে, ফুল বাগানের অবস্থা কী হবে, আল্লাহই জানেন। আজকের এ জরাগ্রস্ত আত্মার ব্যাধিতে আক্রান্ত মুসলিম বিশ্বের চিত্র খুঁজে পাই জ্ঞানের শহরখ্যাত সাহাবি হজরত আলী ইবনে আবী তালেব (রা.)-এর মূল্যবান মণিমুক্তা তুল্য লেখালেখি থেকে।

তিনি (রা.) বলেন, ‘অচিরেই এমন একটি সময় আসবে, যখন নামে ইসলাম ছাড়া আর কিছুই বাকি থাকবে না। অর্থাৎ ইসলাম শুধু নামে থাকবে, কোনো ক্ষেত্রেই এর বাস্তবায়ন হবে না। না ব্যক্তি ও পরিবারে, না সমাজ ও রাষ্ট্রে। কুরআন শুধু শব্দ ছাড়া আর কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। অর্থাৎ কুরআনের শাব্দিক তেলাওয়াত হবে অসংখ্য, কিন্তু এর বিধান-আইন বাস্তবায়ন হবে না।

কুরআনের সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম-সাধনা হবে না। তখন লোকেরা জাঁকজমকপূর্ণ মসজিদ নির্মাণ করবে, কিন্তু মসজিদগুলো আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফিল থাকবে। ওই সময়ের সর্বনিকৃষ্ট লোক হবে আলেমরা। কারণ তাদের থেকেই ফেতনার সূচনা হবে এবং তাদের কাছেই তা ফিরে যাবে। (তাফসিরে কুরতুবি, ১২/২৮০)।

জ্ঞানশহরের দরজা আলী (রা.) তীক্ষ্ম বুদ্ধি ও প্রজ্ঞা দিয়ে ১৪শ বছর আগে মুসলিম উম্মাহ সম্পর্কে যে ধারণা করেছিলেন, আজ তা অক্ষরে অক্ষরে ফলছে। আমরা দেখছি বিশ্বজুড়ে নামেই ইসলাম রয়েছে। কাজকর্মে ইসলাম নেই। ইসলামের মহান আদর্শের কিতাবি চর্চা হচ্ছে, বাস্তব প্রতিফলন হচ্ছে না। মুসলমানরা বলে আমরা মুসলমান, কিন্তু মুসলমান কাকে বলে তারা জানে না। তারা আল্লাহ, কুরআন, জান্নাত-জাহান্নামে বিশ্বাসী দাবি করে, অথচ এর বিপরীত কাজ করছে।

এদের সম্পর্কে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘যখন মুনাফিকরা তোমার কাছে আসে তারা বলেন, ‘আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল।’ আল্লাহ জানেন যে তুমি নিশ্চয়ই তাঁর রাসূল এবং মুনাফেকরা অবশ্যই মিথ্যাবাদী।’ (মুনাফিকুন, ৬৩:১)। অর্থাৎ যারা মুখে এক অন্তরে আরেক এমন ইমানের দাবিদাররা অবশ্যই মিথ্যাবাদী। এদের সাক্ষ্য বা ইমানের প্রয়োজন নেই।

আপনি আল্লাহর রাসূল তারা সাক্ষ্য দিলেও না দিলেও। আজ আমাদের সমাজে কুরআন আছে, তেলাওয়াত আছে, দারস আছে, মাহফিল আছে, কিন্তু কুরআনের মানুষ নেই। আমরা কুরআন পড়ি সত্য। তবে এ পড়ার পেছনে ভিন্ন উদ্দেশ্য থাকে। কেউ কুরআন পড়ে সার্টিফিটের জন্য, কেউ কুরআন পড়ে টাকার জন্য, কেউ ওয়াজ করে টাকা কামানোর জন্য, কেউ ওয়াজ করে খ্যাতির জন্য। আবার কেউ হক আদায় করে চলছে এ কুরআনের। কুরআন পড়ে মানতে হবে-এ চিন্তাচেতনা নিয়ে মুসলমান আজ কুরআন পড়ছে না।

সাইয়েদ কুতুব (রহ.) ইসলামী সমাজবিপ্লবের ধারা বইয়ে লিখেছেন, সাহাবিরা একমাত্র কুরআন থেকে ইসলাম সম্পর্কে জানতেন এবং মানার জন্য কুরআন পড়তেন। এ কারণেই তারা সোনার মদিনায় সোনার মানুষ হতে পেরেছেন। আজকের সময় কোনো মুসলমান যদি ঠিক সাহাবিদের মতোই জ্ঞানের একমাত্র উৎস হিসাবে কুরআনকে গ্রহণ করে এবং মানার নিয়তে কুরআন অধ্যয়ন করে, তবে অবশ্যই তারা সাহাবিদের মতো সোনার মানুষ হতে পারবেন।

হজরত আলী (রা.) সর্বশেষে আলেমেদের সম্পর্কে বলেছেন, আলেমরা সবচেয়ে নিকৃষ্ট হবে। বর্তমান বিশ্বের আলেমদের দিকে তাকালে দেখা যায়, তারা কুরআন ভুলে অন্যায়ের সঙ্গে আপস করে আরামের জীবনযাপন করছেন। আর যেসব আলেম অন্যায়ের কাছে মাথা নত করছেন না, তারা নির্যাতিত-নিপীড়িত হচ্ছেন। বোকা মুসলমানরা সত্যিকার সত্যবাদী আলেমদের ছেড়ে ফরমায়েশি আলেমদের পেছনে ছুটছে। আর নিজেদের ইমান-আমলকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। হে মুসলমান! এগিয়ে আসুন কুরআনের পথে। কুরআন অধ্যয়ন করুন আমলের নিয়তে।

লেখক : চেয়ারম্যান-বাংলাদেশ মুফাস্সির সোসাইটি, পির সাহেব, আউলিয়ানগর খানকা

www.selimayadi.com

হে মুসলমান ধারণ কর আল কুরআন

 মাওলানা সেলিম হোসাইন আজাদী 
১৯ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কোনো একদিন এ পৃথিবীতে কুরআনের জ্ঞানীরা মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিল। বিশ্বের মানুষ তখন সমিহের চোখে দেখছিল তাদের। কেউ কেউ গ্রহণ করেছিল তাদের মতবাদ শ্রদ্ধার সঙ্গে। আলোড়ন পড়েছিল দুনিয়াজুড়ে মুসলমানদের বিষয়ে।

হায় আজ সেই মুসলমানই কত অসহায়। বিশ্ব তাদের নিয়ে পুতুল খেলা খেলছে। কুরআনের সৈনিকরা কি করে পুতুল হয়ে গেল? কুরআনরূপী মুসলমান আজ পুতলী হয়ে খেলতামাশায় লিপ্ত হয়েছে।

মহান আল্লাহর হুঁশিয়ারি তারা ভুলে গেছে-‘এ পৃথিবী আমি খেলতামাশার জন্য সৃষ্টি করিনি।’ হে তামাশায় মগ্ন মুসলমান ফিরে আসুন কুরআনে। আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়ান বীর বিক্রমে।

পৃথিবীজুড়ে প্রায় দুইশ কোটি মুসলমান রয়েছে। অসংখ্য মসজিদ-মাদ্রাসা, খানকাহ, পির-মাশায়েখ, হাফেজ, কারি, দায়ী রয়েছেন। দাওয়াতে তাবলিগে সময় লাগানো নিবেদিত কর্মীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। অমুসলিমরা ইসলাম ধর্মে দাখিল হচ্ছে।

এত কিছুর পরও মুসলমান আজ বিশ্বে লাঞ্ছিত, অপমানিত, অবদমিত জাতি হিসাবে পরগাছার মতো জীবনযাপন করছে। স্বার্থপরতা, কৃপণতা, ধনাসক্তি, নারীমোহ, দুনিয়াপ্রীতি, মানুষের প্রতি মায়াহীনতা ও মানবতাবোধের অভাব, সিংহের জাতিকে আজ বিড়ালের জাতিতে পরিণত করে রেখেছে।

রাসূল (সা.) এবং সাহাবিদের সময় মসজিদগুলো এত জাঁকজমকপূর্ণ ছিল না। তবে মুসল্লিদের হৃদয় আলোকিত ছিল। আলোকিত আত্মার খোঁজে সব মানুষ মসজিদে যেত। এক কুরআনের অনুসারী সাহাবিদের মধ্যে এত দলাদলি এবং কাদা ছোড়াছুড়ি ছিল না। ন্যায় এবং ভ্রাতৃত্বের সৌধের ওপর নবির সমাজ প্রতিষ্ঠিত ছিল। আজকের মুসলমান নবির আদর্শ কুরআনের শিক্ষা ভুলে গেছে।

ইতিহাস-ঐতিহ্যচর্চা ছেড়ে দিয়েছে। সর্বাঙ্গে জরাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে এ জাতি। প্রখ্যাত কবি আল্লামা ইকবাল লিখেছেন, ‘ফুল বাগান নষ্ট করার জন্য একটি হুতুম পেঁচাই যথেষ্ট। কিন্তু পেঁচা বসে গেছে প্রত্যেক ডালে ডালে, ফুল বাগানের অবস্থা কী হবে, আল্লাহই জানেন। আজকের এ জরাগ্রস্ত আত্মার ব্যাধিতে আক্রান্ত মুসলিম বিশ্বের চিত্র খুঁজে পাই জ্ঞানের শহরখ্যাত সাহাবি হজরত আলী ইবনে আবী তালেব (রা.)-এর মূল্যবান মণিমুক্তা তুল্য লেখালেখি থেকে।

তিনি (রা.) বলেন, ‘অচিরেই এমন একটি সময় আসবে, যখন নামে ইসলাম ছাড়া আর কিছুই বাকি থাকবে না। অর্থাৎ ইসলাম শুধু নামে থাকবে, কোনো ক্ষেত্রেই এর বাস্তবায়ন হবে না। না ব্যক্তি ও পরিবারে, না সমাজ ও রাষ্ট্রে। কুরআন শুধু শব্দ ছাড়া আর কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। অর্থাৎ কুরআনের শাব্দিক তেলাওয়াত হবে অসংখ্য, কিন্তু এর বিধান-আইন বাস্তবায়ন হবে না।

কুরআনের সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম-সাধনা হবে না। তখন লোকেরা জাঁকজমকপূর্ণ মসজিদ নির্মাণ করবে, কিন্তু মসজিদগুলো আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফিল থাকবে। ওই সময়ের সর্বনিকৃষ্ট লোক হবে আলেমরা। কারণ তাদের থেকেই ফেতনার সূচনা হবে এবং তাদের কাছেই তা ফিরে যাবে। (তাফসিরে কুরতুবি, ১২/২৮০)।

জ্ঞানশহরের দরজা আলী (রা.) তীক্ষ্ম বুদ্ধি ও প্রজ্ঞা দিয়ে ১৪শ বছর আগে মুসলিম উম্মাহ সম্পর্কে যে ধারণা করেছিলেন, আজ তা অক্ষরে অক্ষরে ফলছে। আমরা দেখছি বিশ্বজুড়ে নামেই ইসলাম রয়েছে। কাজকর্মে ইসলাম নেই। ইসলামের মহান আদর্শের কিতাবি চর্চা হচ্ছে, বাস্তব প্রতিফলন হচ্ছে না। মুসলমানরা বলে আমরা মুসলমান, কিন্তু মুসলমান কাকে বলে তারা জানে না। তারা আল্লাহ, কুরআন, জান্নাত-জাহান্নামে বিশ্বাসী দাবি করে, অথচ এর বিপরীত কাজ করছে।

এদের সম্পর্কে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘যখন মুনাফিকরা তোমার কাছে আসে তারা বলেন, ‘আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি নিশ্চয়ই আল্লাহর রাসূল।’ আল্লাহ জানেন যে তুমি নিশ্চয়ই তাঁর রাসূল এবং মুনাফেকরা অবশ্যই মিথ্যাবাদী।’ (মুনাফিকুন, ৬৩:১)। অর্থাৎ যারা মুখে এক অন্তরে আরেক এমন ইমানের দাবিদাররা অবশ্যই মিথ্যাবাদী। এদের সাক্ষ্য বা ইমানের প্রয়োজন নেই।

আপনি আল্লাহর রাসূল তারা সাক্ষ্য দিলেও না দিলেও। আজ আমাদের সমাজে কুরআন আছে, তেলাওয়াত আছে, দারস আছে, মাহফিল আছে, কিন্তু কুরআনের মানুষ নেই। আমরা কুরআন পড়ি সত্য। তবে এ পড়ার পেছনে ভিন্ন উদ্দেশ্য থাকে। কেউ কুরআন পড়ে সার্টিফিটের জন্য, কেউ কুরআন পড়ে টাকার জন্য, কেউ ওয়াজ করে টাকা কামানোর জন্য, কেউ ওয়াজ করে খ্যাতির জন্য। আবার কেউ হক আদায় করে চলছে এ কুরআনের। কুরআন পড়ে মানতে হবে-এ চিন্তাচেতনা নিয়ে মুসলমান আজ কুরআন পড়ছে না।

সাইয়েদ কুতুব (রহ.) ইসলামী সমাজবিপ্লবের ধারা বইয়ে লিখেছেন, সাহাবিরা একমাত্র কুরআন থেকে ইসলাম সম্পর্কে জানতেন এবং মানার জন্য কুরআন পড়তেন। এ কারণেই তারা সোনার মদিনায় সোনার মানুষ হতে পেরেছেন। আজকের সময় কোনো মুসলমান যদি ঠিক সাহাবিদের মতোই জ্ঞানের একমাত্র উৎস হিসাবে কুরআনকে গ্রহণ করে এবং মানার নিয়তে কুরআন অধ্যয়ন করে, তবে অবশ্যই তারা সাহাবিদের মতো সোনার মানুষ হতে পারবেন।

হজরত আলী (রা.) সর্বশেষে আলেমেদের সম্পর্কে বলেছেন, আলেমরা সবচেয়ে নিকৃষ্ট হবে। বর্তমান বিশ্বের আলেমদের দিকে তাকালে দেখা যায়, তারা কুরআন ভুলে অন্যায়ের সঙ্গে আপস করে আরামের জীবনযাপন করছেন। আর যেসব আলেম অন্যায়ের কাছে মাথা নত করছেন না, তারা নির্যাতিত-নিপীড়িত হচ্ছেন। বোকা মুসলমানরা সত্যিকার সত্যবাদী আলেমদের ছেড়ে ফরমায়েশি আলেমদের পেছনে ছুটছে। আর নিজেদের ইমান-আমলকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। হে মুসলমান! এগিয়ে আসুন কুরআনের পথে। কুরআন অধ্যয়ন করুন আমলের নিয়তে।

লেখক : চেয়ারম্যান-বাংলাদেশ মুফাস্সির সোসাইটি, পির সাহেব, আউলিয়ানগর খানকা

www.selimayadi.com

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন