ধর্মপ্রাণ মানুষের মুখপাত্র
jugantor
ধর্মপ্রাণ মানুষের মুখপাত্র

  রাকিবুল হাসান  

২৮ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাইশ পেরিয়ে তেইশে পা দিচ্ছে দেশের প্রতিশ্রুতিশীল ও মননশীল পত্রিকা দৈনিক যুগান্তর। শুরু থেকেই দৈনিকটি সংবাদের বৈচিত্র্যের সঙ্গে সপ্তাহে দুদিন চার রঙের ‘ইসলাম ও জীবন’ পাতা প্রকাশ করে পত্রিকার জগতে যোগ করে ভিন্ন মাত্রা।

বাইশ পেরিয়ে তেইশে পা দিচ্ছে দেশের প্রতিশ্রুতিশীল ও মননশীল পত্রিকা দৈনিক যুগান্তর। শুরু থেকেই দৈনিকটি সংবাদের বৈচিত্র্যের সঙ্গে সপ্তাহে দুদিন চার রঙের ‘ইসলাম ও জীবন’ পাতা প্রকাশ করে পত্রিকার জগতে যোগ করে ভিন্ন মাত্রা।

দৈনিক আজাদের পর আধুনিক সংবাদপত্রগুলোর মধ্যে দৈনিক যুগান্তরই প্রথম ধর্মীয় পাতা প্রকাশ করে। তাই আধুনিক গণমাধ্যমে ইসলাম পাতার পথিকৃৎ বলা চলে দৈনিক যুগান্তরকে। যুগান্তরের অনুকরণে এখন অনেক পত্রিকা সাপ্তাহিক, সপ্তাহে দুদিন বা প্রতিদিন ইসলাম পাতা প্রকাশ করে।

বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের মনন গঠনে বেশ সচেতনতা ও তৎপরতার সঙ্গেই ইসলাম পাতা ছাপায় যুগান্তর। ইসলাম পাতাটি কোনো ইস্যুতে বিতর্কে জড়ায় না; বরং তুলে ধরে সত্য ও সুন্দরের কথা। সমস্যা চিহ্নিত করে ইসলামের আলোকে বয়ান করার চেষ্টা করে সুনিপুণ সমাধান। জাতীয় গণমাধ্যমের এ ধর্মীয় পাতাটি সব মত ও পথের মানুষকে ইসলামের বন্ধনে একীভূত করার চেষ্টা করে থাকে সব সময়।

যুগান্তরের ইসলাম পাতার বিশেষ একটি বৈশিষ্ট্য-এতে সমসাময়িক এবং প্রয়োজনীয় ইস্যুতে নিয়মিত একটি কিংবা দুটি করে প্রতিবেদন ও ফিচার ছাপা হয়। সেসব প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয় সমকালীন ইস্যুর অনুসন্ধান এবং তার সমাধানে আলেমদের বক্তব্য ও মতামত। তা ছাড়াও মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো ইসলাম পাতায় ছাপানোর মতো সাহস করেছে যুগান্তর। পাশাপাশি পাতাটিতে ছাপানো হয় দেশের শীর্ষ আলেমদের সাক্ষাৎকার। ফলে ইসলাম পাতাটি কেবল ফাজায়েল ও মাসায়েল বর্ণনায় সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং পাতাটি হয়ে উঠেছে মুসলিম মানসের কণ্ঠস্বর।

১৯৭১ সালের পর এ দেশে আলেমদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অপবাদ ছিল তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী। এ অপবাদের বিপরীতে ‘আলেম মুক্তিযোদ্ধার খোঁজে’ শিরোনামে সেই অপবাদ নিরসন শুরু হয় দৈনিক যুগান্তরের এ ইসলাম পাতায়।

‘ইসলাম ও জীবন’ পাতার মাধ্যমে যুগান্তর প্রচার করেছে ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে স্বাধীনতার কথা, বিজয় দিবস, মাতৃভাষা, জাতীয় পতাকা, দেশপ্রেম, আলেম সমাজের মর্যাদা, ইমাম-খতিবদের দায়িত্ব, ইসলামি শিক্ষা ও সভ্যতা-সংস্কৃতির কথা। এভাবেই দুই দশকেরও অধিক সময় ধরে যুগান্তর পরম মমতায় চেষ্টা করেছে আলেম সমাজ ও এ দেশের জেনারেল ধারার সঙ্গে সেতুবন্ধ তৈরি করতে।

এ পাতায় লিখতে লিখতে নীরবে গড়ে উঠেছে একঝাঁক আলেম লেখক। লেখকদের বলা হয় সমাজের মুখপাত্র। যুগান্তর এ দেশের মুসলমানদের মুখপাত্র হিসাবে এসব আলেম লেখকদের তৈরি করার চেষ্টা করেছে। যারা এখন বিভিন্ন দৈনিকের ইসলাম পাতা সম্পাদনা করছে, লেখালেখির অঙ্গনে দ্যুতি ছড়াচ্ছে। যুগান্তরের এ অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে যুগ থেকে যুগান্তর।

আমার একান্ত প্রার্থনা যুগান্তরের পথচলা মসৃণ হোক। দ্বীন প্রচারে এ পাতাটি রাখুক প্রত্যয়ী ভূমিকা। আল্লাহ সহায়।

ধর্মপ্রাণ মানুষের মুখপাত্র

 রাকিবুল হাসান 
২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
বাইশ পেরিয়ে তেইশে পা দিচ্ছে দেশের প্রতিশ্রুতিশীল ও মননশীল পত্রিকা দৈনিক যুগান্তর। শুরু থেকেই দৈনিকটি সংবাদের বৈচিত্র্যের সঙ্গে সপ্তাহে দুদিন চার রঙের ‘ইসলাম ও জীবন’ পাতা প্রকাশ করে পত্রিকার জগতে যোগ করে ভিন্ন মাত্রা।
তাবলিগ জামাতের প্রাণকেন্দ্র কাকরাইল মসজিদের বারান্দায় যুগান্তরের ‘ইসলাম ও জীবন’ পাতাটি পড়ছেন দুই মুসল্লি। ২০১৮ সালে ছবিটি তুলেছিলেন- তানজিল আমির।

বাইশ পেরিয়ে তেইশে পা দিচ্ছে দেশের প্রতিশ্রুতিশীল ও মননশীল পত্রিকা দৈনিক যুগান্তর। শুরু থেকেই দৈনিকটি সংবাদের বৈচিত্র্যের সঙ্গে সপ্তাহে দুদিন চার রঙের ‘ইসলাম ও জীবন’ পাতা প্রকাশ করে পত্রিকার জগতে যোগ করে ভিন্ন মাত্রা।

দৈনিক আজাদের পর আধুনিক সংবাদপত্রগুলোর মধ্যে দৈনিক যুগান্তরই প্রথম ধর্মীয় পাতা প্রকাশ করে। তাই আধুনিক গণমাধ্যমে ইসলাম পাতার পথিকৃৎ বলা চলে দৈনিক যুগান্তরকে। যুগান্তরের অনুকরণে এখন অনেক পত্রিকা সাপ্তাহিক, সপ্তাহে দুদিন বা প্রতিদিন ইসলাম পাতা প্রকাশ করে।

বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের মনন গঠনে বেশ সচেতনতা ও তৎপরতার সঙ্গেই ইসলাম পাতা ছাপায় যুগান্তর। ইসলাম পাতাটি কোনো ইস্যুতে বিতর্কে জড়ায় না; বরং তুলে ধরে সত্য ও সুন্দরের কথা। সমস্যা চিহ্নিত করে ইসলামের আলোকে বয়ান করার চেষ্টা করে সুনিপুণ সমাধান। জাতীয় গণমাধ্যমের এ ধর্মীয় পাতাটি সব মত ও পথের মানুষকে ইসলামের বন্ধনে একীভূত করার চেষ্টা করে থাকে সব সময়।

যুগান্তরের ইসলাম পাতার বিশেষ একটি বৈশিষ্ট্য-এতে সমসাময়িক এবং প্রয়োজনীয় ইস্যুতে নিয়মিত একটি কিংবা দুটি করে প্রতিবেদন ও ফিচার ছাপা হয়। সেসব প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয় সমকালীন ইস্যুর অনুসন্ধান এবং তার সমাধানে আলেমদের বক্তব্য ও মতামত। তা ছাড়াও মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো ইসলাম পাতায় ছাপানোর মতো সাহস করেছে যুগান্তর। পাশাপাশি পাতাটিতে ছাপানো হয় দেশের শীর্ষ আলেমদের সাক্ষাৎকার। ফলে ইসলাম পাতাটি কেবল ফাজায়েল ও মাসায়েল বর্ণনায় সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং পাতাটি হয়ে উঠেছে মুসলিম মানসের কণ্ঠস্বর।

১৯৭১ সালের পর এ দেশে আলেমদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অপবাদ ছিল তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী। এ অপবাদের বিপরীতে ‘আলেম মুক্তিযোদ্ধার খোঁজে’ শিরোনামে সেই অপবাদ নিরসন শুরু হয় দৈনিক যুগান্তরের এ ইসলাম পাতায়।

‘ইসলাম ও জীবন’ পাতার মাধ্যমে যুগান্তর প্রচার করেছে ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে স্বাধীনতার কথা, বিজয় দিবস, মাতৃভাষা, জাতীয় পতাকা, দেশপ্রেম, আলেম সমাজের মর্যাদা, ইমাম-খতিবদের দায়িত্ব, ইসলামি শিক্ষা ও সভ্যতা-সংস্কৃতির কথা। এভাবেই দুই দশকেরও অধিক সময় ধরে যুগান্তর পরম মমতায় চেষ্টা করেছে আলেম সমাজ ও এ দেশের জেনারেল ধারার সঙ্গে সেতুবন্ধ তৈরি করতে।

এ পাতায় লিখতে লিখতে নীরবে গড়ে উঠেছে একঝাঁক আলেম লেখক। লেখকদের বলা হয় সমাজের মুখপাত্র। যুগান্তর এ দেশের মুসলমানদের মুখপাত্র হিসাবে এসব আলেম লেখকদের তৈরি করার চেষ্টা করেছে। যারা এখন বিভিন্ন দৈনিকের ইসলাম পাতা সম্পাদনা করছে, লেখালেখির অঙ্গনে দ্যুতি ছড়াচ্ছে। যুগান্তরের এ অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে যুগ থেকে যুগান্তর।

আমার একান্ত প্রার্থনা যুগান্তরের পথচলা মসৃণ হোক। দ্বীন প্রচারে এ পাতাটি রাখুক প্রত্যয়ী ভূমিকা। আল্লাহ সহায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন