কীর্তিতে অমর হোসাইন আহমদ মাদানি
jugantor
কীর্তিতে অমর হোসাইন আহমদ মাদানি

  আরাফাত আল মিসবাহ  

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাইয়েদ হোসাইন আহমদ মাদানি (রহ.) ১৮৭৯ খ্রি. ভারতের উত্তর প্রদেশের ‘উন্নাও’ জেলার ‘বাঙ্গারমৌ’ নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। তার পূর্বপুরুষরা ইসলাম প্রচারের উদ্দেশে মদিনা থেকে ভারতের ফয়জাবাদ জেলার এলাহাবাদে চলে আসেন। তারা ছিলেন হজরত হোসাইন (রা.)-এর বংশধর।

শায়খুল ইসলাম মাদানি (রহ.)-এর শিক্ষাজীবন শুরু হয় নিজ ঘরে। বাবা-মায়ের তত্ত্বাবধানে তিনি পবিত্র কুরআনুল কারিমের হাফেজ হন। ১৮৯৮ খ্রিষ্টাব্দে তিনি দারুল উলুম দেওবন্দে ভর্তি হন। মাত্র ১৯ বছর বয়সে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। তার শিক্ষকদের মধ্যে মাহমুদ হাসান দেওবন্দি (রহ.) নামই সর্বাধিক প্রসিদ্ধ। প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ গুছিয়ে তিনি সপরিবারে মদিনায় চলে যান। তিনি মদিনায় মসজিদে নববিতে হাদিসের দরস দিতেন।

ছাত্রজীবনেই তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে যান। তবে ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে ঐতিহাসিক রেশমি রুমাল আন্দোলনের নেতা শায়খুল হিন্দ মদিনায় আগমন করলে তিনি সরাসরি রাজনীতিতে যোগদান করেন এবং হেজাজেই শায়খুল হিন্দের সঙ্গে কারাবরণ করেন।

পরবর্তী সময়ে তাদের মিসরের কারাগারে এবং মাল্টা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়। তিন বছর সাত মাস নির্বাসনে থাকার পর মুক্তি বাতাসে ফিরে আসেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের এ অগ্রসেনানী। ৫ ডিসেম্বর ১৯৫৭ সালে কিংবদন্তি এ আলেম ইন্তেকাল করেন। দারুল উলুম দেওবন্দের কবরস্থানে তাকে চিরদিনের জন্য সমাহিত করা হয়।

কীর্তিতে অমর হোসাইন আহমদ মাদানি

 আরাফাত আল মিসবাহ 
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাইয়েদ হোসাইন আহমদ মাদানি (রহ.) ১৮৭৯ খ্রি. ভারতের উত্তর প্রদেশের ‘উন্নাও’ জেলার ‘বাঙ্গারমৌ’ নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। তার পূর্বপুরুষরা ইসলাম প্রচারের উদ্দেশে মদিনা থেকে ভারতের ফয়জাবাদ জেলার এলাহাবাদে চলে আসেন। তারা ছিলেন হজরত হোসাইন (রা.)-এর বংশধর।

শায়খুল ইসলাম মাদানি (রহ.)-এর শিক্ষাজীবন শুরু হয় নিজ ঘরে। বাবা-মায়ের তত্ত্বাবধানে তিনি পবিত্র কুরআনুল কারিমের হাফেজ হন। ১৮৯৮ খ্রিষ্টাব্দে তিনি দারুল উলুম দেওবন্দে ভর্তি হন। মাত্র ১৯ বছর বয়সে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। তার শিক্ষকদের মধ্যে মাহমুদ হাসান দেওবন্দি (রহ.) নামই সর্বাধিক প্রসিদ্ধ। প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ গুছিয়ে তিনি সপরিবারে মদিনায় চলে যান। তিনি মদিনায় মসজিদে নববিতে হাদিসের দরস দিতেন।

ছাত্রজীবনেই তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে যান। তবে ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে ঐতিহাসিক রেশমি রুমাল আন্দোলনের নেতা শায়খুল হিন্দ মদিনায় আগমন করলে তিনি সরাসরি রাজনীতিতে যোগদান করেন এবং হেজাজেই শায়খুল হিন্দের সঙ্গে কারাবরণ করেন।

পরবর্তী সময়ে তাদের মিসরের কারাগারে এবং মাল্টা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়। তিন বছর সাত মাস নির্বাসনে থাকার পর মুক্তি বাতাসে ফিরে আসেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের এ অগ্রসেনানী। ৫ ডিসেম্বর ১৯৫৭ সালে কিংবদন্তি এ আলেম ইন্তেকাল করেন। দারুল উলুম দেওবন্দের কবরস্থানে তাকে চিরদিনের জন্য সমাহিত করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন