কোরআনের পাঠক বাড়বে কিন্তু-

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  মুফতি আনিসুর রহমান

আলেমের পরিচিতি ও সংজ্ঞা স্পষ্ট হবে ইলমের পরিচিতি জানলে। ইলম শব্দটি কোরআন মাজিদে ৭৫০-এর বেশি ব্যবহৃত হয়েছে। এ ইলম আল্লাহতায়ালার সিফত এবং মুসলমানদের মৌলিক অংশ।

কারণ, ইলম ছাড়া কোনো আমল আল্লাহতায়ালার দরবারে গ্রহণযোগ্য হবে না। তিনি যাকে মহব্বত করেন তাকে এ ইলম দান করেন। আল্লাহতায়ালা সব নবীর এ ইলম দিয়ে সম্মানিত করেছেন। নবী (সা.) বলেছেন, কোন একদিন তোমাদের মাঝে অন্যায়, হত্যা বেড়ে যাবে।

তারপর তোমাদের মাঝে এমন যুগ আসবে যে যুগে কোরআনের পাঠক বেড়ে যাবে; কিন্তু কোরআনের প্রভাব তাদের জীবনে পড়বে না। তারপর এমন সময় আসবে যে সময়ে কাফির, মুশরিক ও মুনাফিক পরস্পর বাকবিতণ্ডা করবে।

মুমিন তাদের অনুসারী হবে। (আলমুসতাদরিক আলাস সহিহাইন, খণ্ড : ৪, পৃ: ৫০৪)। নবীদের আল্লাহতায়ালা যে মিশন নিয়ে এ পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন সেই মিশনের ধারক-বাহক একমাত্র ওলামায়ে কেরাম।

যতদিন এ মিশন থাকবে ততদিন এ পৃথিবীতে শান্তি থাকবে। নবীরা যে রকম উম্মতের কাণ্ডারি ছিলেন সেরকম তাদের পর সাহাবায়ে কেরাম, তাবিঈন, তবে তাবিঈন এবং ওলামায়ে কেরাম উম্মতের কাণ্ডারি হিসেবে সমাজের হাল ধরবেন। কারণ নবীরা সরাসরি রাব্বুল আলামিনের কাছ থেকে ইলম অর্জন করেছেন।

সাহাবায়ে কেরাম হজরত নবী করিম (সা.)-এর কাছ থেকে ইলম অর্জন করেছেন। এভাবে তাবিঈন, তবে তাবিঈন ও ওলামায়ে কেরাম একে অপরের কাছে থেকে ইলম অর্জনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে এসেছেন। যদি এ ইলম অর্জনের ধারাবাহিকতায় ত্র“টি থাকে তখন তা ভ্রান্ত হিসেবে গণ্য হবে।

লেখক : শিক্ষা পরিচালক-মুহিউস্সুন্নাহ মাদরাসা, চট্টগ্রাম