কেশোয়ারী

  প্রকৃতি ও জীবন ডেস্ক ০৯ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

উটপাখি ও ইমুর পরই বড় পাখি হচ্ছে নিউগিনি দ্বীপের কেশোয়ারী। অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেইনফরেস্টে এদের দেখা মেলে। উটপাখির মতো কেশোয়ারীও উড়তে পারে না। তবে প্রচণ্ডগতিতে দৌড়াতে পারে। এরা দক্ষ সাঁতারু। পাঁচ ফুট উঁচু এবং ১৮০ পাউন্ড ওজনের বিশালদেহী কেশোয়ারীর ঝলমলে শরীর দেখতে আকর্ষণীয়। অনেকটা টার্কির মতো। এদের উজ্জ্বল নীল রঙের গলায় আছে টকটকে লাল চামড়ার ঝালর। মাথায় থাকা হাড়ের গড়নটিকে দেখতে টুপির মতো মনে হয়। কেশোয়ারীর দেহ ঢাকা থাকে লম্বা মোটা কালো লোমে। এদের রয়েছে মজবুত পা। আর প্রতি পায়ে রয়েছে তিনটি করে আঙুল। চালচলনে বেশ নিরীহ মনে হলেও রেগে গেলে এরা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। শূন্যে লাফ দিয়ে ধারালো নখ দ্বারা প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে। এদের প্রতিটি আঙুলের ডগায় রয়েছে বল্লমের ফলার মতো ধারালো নখ। মাঝের নখটি প্রায় ৫ ইঞ্চি লম্বা, ছুরির মতো ধারালো ও তীক্ষ্ণ, যা দিয়ে মুহূর্তে শিকারের গলা চিরে ফেলে মৃত্যুকে অনিবার্য করে তোলে। কুকুর, ঘোড়াসহ অন্যান্য পশু এমনকি মানুষেরও মৃত্যু হয়েছে কেশোয়ারীর ধারালো নখে। এদের ভয়ঙ্কর রূপ দেখে ২০০৭ সালে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড এদের বিশ্বের সবচেয়ে হিংস পাখি হিসেবে বর্ণনা করা হয়।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×