ঈশ্বরের চোখ
jugantor
জেনে নিন
ঈশ্বরের চোখ

  প্রকৃতি ও জীবন ডেস্ক  

২১ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়া। ওখান থেকে উত্তর দিকে দু’ঘণ্টার পথ পেরোলেই দেখা মিলবে অদ্ভুত এক গুহার, একেবারে প্রাকৃতিক। নাম প্রহোদনা। তবে বিশ্ববাসীর কাছে এ গুহার আরেক নাম ঈশ্বরের চোখ! শুনতে অন্যরকম লাগলেও গুহার অদ্ভুত গড়নের কারণেই এমন নাম। গুহার মাঝ বরাবর উপরিভাগে একেবারে চোখের মতো দেখতে দুটি গর্ত যা লোকমুখে ‘ওনাটা’ বা ‘ঈশ্বরের চোখ’ নামেই পরিচিত। ১৯৬২ সালে প্রথম প্রহোদনাকে প্রাকৃতিক গুহার মর্যাদা দেয়া হয়। এরপর ১৯৮৮ সালের ‘টাইম অফ ভায়োলেন্স’ নামক বুলগেরিয়ান চলচ্চিত্রে একে তুলে ধরা হয়। ২৬২ মিটার লম্বা এ গুহা বর্তমানে অর্জন করেছে বুলগেরিয়ার সবচেয়ে দীর্ঘ প্রাকৃতিক গুহার খেতাব। এর প্রবেশপথ দুটি। একটি বড়, আরেকটি ছোট। গুহাটি বাঞ্জি জাম্পিং ও পর্বত আরোহণের জন্য একেবারে উপযুক্ত। যে কারণে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের কাছে এটি বেশ আকর্ষণীয়। বুলগেরিয়ার অন্য সব গুহার মতো এ গুহা প্রবেশে কোনো ধরনের ফি লাগে না এবং এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।

জেনে নিন

ঈশ্বরের চোখ

 প্রকৃতি ও জীবন ডেস্ক 
২১ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়া। ওখান থেকে উত্তর দিকে দু’ঘণ্টার পথ পেরোলেই দেখা মিলবে অদ্ভুত এক গুহার, একেবারে প্রাকৃতিক। নাম প্রহোদনা। তবে বিশ্ববাসীর কাছে এ গুহার আরেক নাম ঈশ্বরের চোখ! শুনতে অন্যরকম লাগলেও গুহার অদ্ভুত গড়নের কারণেই এমন নাম। গুহার মাঝ বরাবর উপরিভাগে একেবারে চোখের মতো দেখতে দুটি গর্ত যা লোকমুখে ‘ওনাটা’ বা ‘ঈশ্বরের চোখ’ নামেই পরিচিত। ১৯৬২ সালে প্রথম প্রহোদনাকে প্রাকৃতিক গুহার মর্যাদা দেয়া হয়। এরপর ১৯৮৮ সালের ‘টাইম অফ ভায়োলেন্স’ নামক বুলগেরিয়ান চলচ্চিত্রে একে তুলে ধরা হয়। ২৬২ মিটার লম্বা এ গুহা বর্তমানে অর্জন করেছে বুলগেরিয়ার সবচেয়ে দীর্ঘ প্রাকৃতিক গুহার খেতাব। এর প্রবেশপথ দুটি। একটি বড়, আরেকটি ছোট। গুহাটি বাঞ্জি জাম্পিং ও পর্বত আরোহণের জন্য একেবারে উপযুক্ত। যে কারণে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের কাছে এটি বেশ আকর্ষণীয়। বুলগেরিয়ার অন্য সব গুহার মতো এ গুহা প্রবেশে কোনো ধরনের ফি লাগে না এবং এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন