রেইনবো কর্ন

  প্রকৃতি ও জীবন ডেস্ক ২১ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

হঠাৎ করে দেখলে মনে হবে ছোট ছোট অনেকগুলো রত্নপাথর কিংবা কাচের তৈরি শস্যদানা বসিয়ে ভুট্টার শো-পিস বানানো হয়েছে। গৃহসজ্জার উপকরণ মনে হলেও এগুলো সত্যিকারের খাওয়ার উপযোগী ভুট্টা। অভিনব রং আর আকর্ষণীয় দীপ্তির কারণে সাধারণ হলুদ ভুট্টার তুলনায় এর দামও কিন্তু চড়া। কার্ল বার্নস নামের ওকলাহোমার এক কৃষক ২০১২ সালে প্রথম এই কাচসদৃশ ভুট্টার চাষ জনপ্রিয় করতে ভূমিকা রাখেন। তবে এর ইতিহাস কিন্তু আরও প্রাচীন। অনেক জাতের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে এমন ভিন্ন জাতের ভুট্টা চাষের প্রচলন শুরু হয়েছিল ১৮০০ শতকের দিকে, যা পরবর্তীতে নেটিভ আমেরিকান উপজাতির মধ্যে সাড়া ফেলেছিল। প্রতিবেশী দেশের মানুষের কাছে ক্রয়-বিক্রয় করে কয়েকটি দেশে ছড়িয়েও গিয়েছিল। কিন্তু পরে তা আবার বিলুপ্ত হয়ে যায়। এদিকে পূর্বপুরুষদের কৃষ্টি লালন করে আসছিল কৃষক কার্ল বার্নসের পরিবার। স্থানীয়ভাবে চাষ ও বাজারজাতকরণের একপর্যায়ে কৃষি মেলায় গ্রেগ শোয়েন নামের কৃষক দারুণভাবে আকৃষ্ট হন ঝলমলে রংধনুর মতো এমন ভুট্টার প্রতি। তিনিও আগ্রহী হলেন অদ্ভুত সুন্দর এ ভুট্টা চাষে। কার্ল বার্নসের কাছ থেকে বীজ নিয়ে রীতিমতো গবেষণায় লেগে যান শোয়েন। বিশ্ববাজারে বেশ চাহিদা রয়েছে এ অভিনব ভুট্টার।

আরও খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত