বর্ষার রানী কেয়া

  মোকারম হোসেন ০৪ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

কেয়ার স্থানীয় অন্যান্য নাম : কেতকী

বৈজ্ঞানিক নাম : Pandanus tectorius

ফুল ফোটার মৌসুম : বর্ষা

পরিবার : Pandanaceae

জন্মস্থান : বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার

বিস্তৃতি : ঢাকায় রমনা পার্ক, বলধা গার্ডেন, বোটানিক্যাল গার্ডেনসহ সমগ্র উপকূলীয় এলাকা

কেয়া বর্ষার রানী। কেয়া না ফুটলে কি বর্ষা হয়! মূলত শুভ্রতা ও সুগন্ধের জন্যই কেয়া সবার মন জয় করেছে। জানা যায় যে, প্রায় আড়াই হাজার বছর আগেও হিমালয়ের উঁচু স্থানে কেয়া ছিল। আমাদের প্রাচীন সাহিত্য, হিন্দু-পুরাণ, লোককাহিনী এবং জাতকেও আছে কেয়ার কথা।

কেয়া ফুলের গন্ধ গভীর ও মাদকতাপূর্ণ। কিন্তু ফুলে মধু নেই, আছে কাঁটায় ভরা রাশি রাশি লম্বা পাতা। কেয়া গাছ বেড়ে উঠে অনাদর আর অযত্নে। সাদা ও সোনালি রঙের পাতাভেদে এ ফুল দু’রকম। পুরুষ কেয়া সাদা, স্ত্রী কেয়ার রঙ সোনালি। গাছ ১০ থেকে ১৫ ফুট উঁচু হতে পারে। সাধারণত কাণ্ড থেকেই শাখা-প্রশাখা গজায়। পুরনো গাছের কাণ্ডের নিচ থেকে বটের মতো শেকড়ের ঝুরি বের হয়। দেখতে ঠেসমূলের মতোই। লম্বাটে পাতাগুলোর দু’পাশ করাতের দাঁতের মতো তীক্ষ্ণ কাঁটায় ভরা। পুরুষ ফুলের স্তবক আকারে ছোট, ডালের আগায় কয়েকটি থাকে। স্ত্রী ফুল সাদা ও সুগন্ধি ব্রাক্টে ঢাকা, ৫ সেন্টিমিটার চওড়া। ফল গুচ্ছবদ্ধ, ছোট, পাকলে হলুদ বা লাল। গ্রামে কেয়া কাঁঠাল নামে পরিচিত। কেয়ার হিন্দি নাম কেওড়া, সংস্কৃতে কেতক বা কেতকী নামে পরিচিত। শুধু সৌন্দর্য আর সুগন্ধের জন্যই নয়, কেয়া ওষুধি গুণেও অনন্য। কাণ্ড, পুষ্পদণ্ড, দণ্ড, বীজ ও ঝুরি নানা অসুখের ওষুধে কাজে লাগে। বিশেষত বিষাক্ত পোকার কামড় ও খুশকি কমাতে কেয়া বেশ উপকারী।

লেখক : প্রকৃতিবিষয়ক লেখক, সম্পাদক- তরুপল্লব

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter