রেস্টুরেন্ট

লাঞ্চ ও ডিনারে গুগুগাগা

  ইমন হক ১৬ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রেস্টুরেন্টে সবুজ ঘাসে বসেছেন কয়েকজন। হাতে কুশন, ছোট্ট সবুজ ঘাসের টেবিল। তবে ঘাসগুলো অবশ্য প্রকৃত নয়, প্লাস্টিকের। রেস্টুরেন্টের দেয়ালেও সেই ঘাসের ছিটেফোঁটা। আড্ডা চলছে, চলছে গল্প। কেউ গান শোনাচ্ছে আবার কেউ খোশগল্পে মেতেছে। গুগুগাগাতে এমন দৃশ্য প্রতিদিনই চোখে পড়বে। ও.. আচ্ছা গুগুগাগা আবার কি ভাবছেন তো? গুগুগাগা একটি রেস্টুরেন্টের নাম। রাজধানী ঢাকার উত্তরার ১১নং সেক্টরে জমজম টাওয়ারে ফুডকোর্ডে গেলেই দেখতে পাবেন ‘গুগুগাগা’। পরিপাটি এ রেস্টুরেন্ট কর্মময় জীবনের ব্যস্ততায় অনেকের আড্ডার জায়গা। এখানে লাঞ্চ বা ডিনার করতে অনেকেই আসেন।

নগরে রেস্টুরেন্টের অভাব নেই। প্রতি মোড়ে মোড়েই রয়েছে অসংখ্য রেস্টুরেন্ট বা ক্যাফে। যেগুলোর বেশিরভাগ বিভিন্ন পচাবাসি খাবারের নানা অভিযোগে অভিযুক্ত। যার ফলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযানের ফলে জরিমানা হিসেবে তাদের গুনতে হয়েছে মোটা অংকের টাকা। তবে এর কিছুদিন পরেই আবার শুরু হয় ভেজাল খাদ্য পরিবেশনের রমরমা বাণিজ্য। এর মাঝেও নগরে বেশ কিছু ভালোমানের রেস্টুরেন্ট বা ক্যাফেও রয়েছে। এরই মধ্যে জনপ্রিয় একটি ‘গুগুগাগা’।

আজকাল অনেকেই বার্থডে পার্টি, সেমিনার, বিভিন্ন স্পেশাল দিবস বা বিশেষ আয়োজনের পাশাপাশি অনেক ভোজনরসিক খাবারের ভিন্নধর্মী স্বাদ খুঁজতে বেড়িয়ে পড়েন নামি-দামি রেস্টুরেন্টে।

নগরীর রেস্টুরেন্টগুলোর গতানুগতিক ধারা থেকে বাইরে এসে খাবার পরিবেশন করছে উত্তরার জমজম টাওয়ারে অবস্থিত ‘গুগুগাগা’। ওয়েস্টার্ন ফুডকে নগরীতে জনপ্রিয় এবং সহজলভ্য করার পেছনে ‘গুগুগাগা’ এর অবদান বেশ ঈর্ষণীয়। রেস্টুরেন্টের নিজস্ব মৌলিকতা এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ওয়েস্টার্ন খাবার তৈরি ও পরিবেশনের ফলে নগরীতে এরই মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও খাবারের সর্বোচ্চমান নিশ্চিতকরণে এরই মধ্যে মানসম্মত রেস্টুরেন্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। আবার অনেকের কাছে জুস পার্লার হিসেবে পরিচিত ‘গুগুগাগা’।

কথার তোড়ে ভেসে যাওয়া কিংবা গানে গানে আসর মাতানোই যেন তারুণ্যের ট্রেন্ড। পাড়ার চায়ের দোকানে, সড়কের পাশে রেলিংয়ে, এমনকি ফুটপাতেও চলে আড্ডা। আড্ডার নিত্যনতুন জায়গা খুঁজে নিতেও জুড়ি নেই তরুণদের। সন্ধ্যা থেকে রাত অবধি সে জায়গাগুলোতে প্রাণের ফোয়ারা ছোটাচ্ছেন তরুণেরা।

জমিয়ে আড্ডা দিচ্ছিলেন তাসনিয়া। তাসনিয়া বলেন, ক্লাসের ফাঁকে বন্ধুদের সঙ্গে এখানে খেতে আসি। এখানকার খাবার আমার ভালো লাগে। পরিবেশও অনেক সুন্দর।

ভালো পরিবেশে অনেকক্ষণ বসা যায় বলে তরুণেরা ছুটে আসেন এখানে। খাবারের দাম হাতের নাগালে থাকায় তারা আড্ডার জন্য গুগুগাগাতে আসেন।

গুগুগাগার ৬টি স্পেশাল প্যাকেজ রয়েছে। মূল আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে স্মোক্ড চিকেন সেন্ডহুইচ, বার্থডে চিকেন মিল, বারবিকিউ চিকেন মিল, চিকেন স্টেইক মিল। গতানুগতিক ধারার বাইরে স্যান্ডউইচ, ফ্রাইড রাইস এবং বিখ্যাত আমেরিকানো (ব্ল্যাককফি) ও ক্যাপাসিনো কফির সঙ্গে পরিবেশন করার হচ্ছে স্পেশাল জুস। এ ছাড়া স্টুডেন্টের জন্য থাকছে বিশেষ ডিসকাউন্ট। রয়েছে মেগা কম্বো অফার মাত্র ১৯৯ টাকায়।

গুগুগাগার কর্ণদ্বার আনাম চৌধুরীর বলেন, গ্রাহকদের চাহিদানুযায়ী ওয়েস্টার্ন ফুড এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পরিবেশনের ওপর আমরা জোর দিয়ে থাকি। গ্রাহকের সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে শতভাগ খাদ্যমান নিশ্চিত করি। তাছাড়া আমাদের বিশেষ আয়োজন থাকে যা প্রথাগত আয়োজন থেকে ভিন্ন এবং রুচিশীল।

তিনি আরও বলেন, গতানুগতিক ভাজা পোড়া খাবারের বাইরেও যে ভিন্ন স্বাদের স্বাস্থ্য সম্মত খাবার পরিবেশন করে গ্রাহকের সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়। সেটি বোধ হয় ঢাকায় গুগুগাগা দেখাতে সমর্থ হয়েছে। আমাদের মূললক্ষ্য গ্রাহক সন্তুষ্টি এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পরিবেশন। সেক্ষেত্রে গুগুগাগা পূর্ণাঙ্গ সফলতা পেয়েছে ইতিমধ্যে। দৈনন্দিন ১২ থেকে ১৫ জনের গেট টুগেদার আয়োজনের সুযোগ রয়েছে গুগুগাগাতে।

আনাম চৌধুরী বলেন, গুণগতমানের খাবার, সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতার সমন্বয়ে এমনভাবে সাজানো হয়েছে যেখানে কোনো গ্রাহক একবার গেলে তার কাছে রেস্টুরেন্ট তালিকায় পছন্দের অদ্বিতীয় হিসেবে স্থান পাবে গুগুগাগা। খাবারের সার্বিকমান ও সেবার কথা বিবেচনায় তাই ঢাকার উত্তরায় অন্যতম তারুণ্যের পছন্দের রেস্টুরেন্টের তালিকায় রয়েছে এটি।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter