সাহসী অভিযাত্রার দুই দশক: শুভার্থীদের শুভেচ্ছা

যুগান্তরের সাহসী অভিযাত্রার দুই দশকে পদার্পণ উপলক্ষে রূপবিশেষজ্ঞ, ফ্যাশন ডিজাইনার, মডেল ও অভিনেত্রীদের শুভেচ্ছা আর অভিনন্দন

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৯ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দৈনিক যুগান্তর
দৈনিক যুগান্তর।

রাহিমা সুলতানা রীতা, রূপবিশেষজ্ঞ

যুগান্তরের সঙ্গে অনেকদিন ধরেই আছি। সহযোগিতা, সহমর্মিতায় সবসময় পাশে পেয়েছি এ পত্রিকাকে। যদি কেউ আমার প্রিয় পত্রিকার নাম জানতে চান তবে উত্তরে যুগান্তরই বলব। এর সবগুলো বিভাগই খুঁটিয়ে পড়া হয় আমার। ভালোও লাগে। সবচেয়ে বেশি পছন্দের বিভাগটি হল ঘরে বাইরে। ঘরে বাইরে সময়োপযোগী সব লেখাই প্রকাশ করে আমি বলব।

সাজসজ্জা, রূপচর্চা, ফ্যাশনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যের দিকটাতেও নজর দেয়া উচিত। স্বাস্থ্য বলতে শুধু শারীরিক দিকটাই নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতিও আলোকপাত করতে হবে। আমাদের দেশে টিনএজারদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা অনেকটাই বেড়েছে। এর কারণ সচেতনতার অভাব। এ কাজটিই করতে পারে ঘরে বাইরে। সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত নানা ফিচার, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ, প্রশ্নোত্তর বিভাগ রাখা যেতে পারে। কারণ সুন্দর জীবনযাপনের জন্য শরীর এবং মন দুটিই সুস্থ থাকতে হবে।

শুভকামনা যুগান্তরের প্রতি। যুগান্তর যুগ যুগ এগিয়ে যাক। একটা সময় আমরা থাকব না, কিন্তু যুগান্তর থেকে যাবে এ প্রত্যাশাই করি।

শাহীন আহমেদ, ফ্যাশন ডিজাইনার

যুগান্তরের শুরু থেকেই আমরা এর সঙ্গে আছি। তাই নিজেকে যুগান্তর পরিবারের একজন সদস্য বলেই মনে করি। যে কোনো উৎসব-আনন্দে ঘরে বাইরের নানা আয়োজন সত্যিই ভালোলাগে। এ ছাড়া যখনই নতুন কোনো কাজ করেছি, ঘরে বাইরেকে পাশে পেয়েছি। এতে প্রকাশিত লেখার মান, ছবির মান সবকিছুই সময়োপযোগী। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই এগিয়ে যাওয়া এ দেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির জন্য অনেক ইতিবাচক একটি দিক। আশা করি, সবসময়ই এ পত্রিকাটি এমন ফ্যাশন সহায়ক থাকবে।

যুগান্তর ও ঘরে বাইরের প্রত্যেক সদস্যর জন্য শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।

সৌমিক দাস, ফ্যাশন ডিজাইনার

সফলতার সঙ্গে এতটা পথ আসার জন্য শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই যুগান্তরকে। দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে আমরা কাজ করি। এ ক্ষেত্রে সবসময় যুগান্তরের সহায়তা পেয়েছি। আমরা যারা ফ্যাশন নিয়ে কাজ করছি, তারা নানামুখী চাপে আছি। অনেক কিছুই আমাদের প্রয়োজন, যা কিনা আমাদের জন্য সহজলভ্য নয়। আমরা আশা করছি, এ ক্ষেত্রেও যুগান্তরকে পাশে পাব। ঘরে বাইরের প্রতি প্রত্যাশা থাকবে আমাদের সহযোগী থাকার, আমাদের প্রতি সমর্থন থাকার। আমাদের খবরগুলো আরও বেশি বেশি প্রকাশ করার।

আশরাফুল হক ফারুক, ফ্যাশন ডিজাইনার

যুগান্তর বরাবরই ফ্যাশন নিয়ে চিন্তা করে। আমাদের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি এখন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। এ চ্যালেঞ্জ বিদেশি সংস্কৃতিকে পিছু হটিয়ে দেশীয় সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখার চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে আমাদের যুগান্তরের সাহায্য দরকার। আমাদের ফ্যাশনকে ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে টিকিয়ে রাখতে যুগান্তরের সাহায্য দরকার। যার যেটি দায়িত্ব, সে সেটি ঠিকভাবে পালন করলেই লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব। মানুষকে দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

যুগান্তরের প্রতি শুভকামনা। যুগান্তর এগিয়ে যাক। টিকে থাকুক যুগ যুগ ধরে।

খালিদ মাহমুদ খান, ফ্যাশন ডিজাইনার

দৈনিক যুগান্তর এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কে ক্র্যাফট-এর পক্ষ থেকে যুগান্তর এর সবার জন্য রইলো শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঘরে বাইরে টিম আরও সমৃদ্ধ হয়েছে। বিষয় নির্বাচন, লেখনী, লে আউট- ডিজাইনিং এ বৈচিত্র্য লক্ষণীয়। দেশীয় পোশাক শিল্পের বিকাশ, উন্নয়ন ও প্রসারে দৈনিক যুগান্তর বরাবরের মতো ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।

উর্মিলা শ্রাবন্তি কর, মডেল ও অভিনেত্রী

যুগান্তরের সঙ্গে পথচলা সেই প্রথম থেকেই। তাই কাজের ক্ষেত্র ছাড়াও যুগান্তরের সঙ্গে প্রাণের এক বন্ধন আছে সবসময়। যুগান্তর তার যে কোনো ধরনের খবরে বস্তুনিষ্ঠতার ছোঁয়া রাখে। চারপাশের হলুদ সাংবাদিকতার ভিড়ে যুগান্তর তার কাজে কখনও পিছপা হয়নি। আর এভাবেই যাতে যুগান্তর তার কাজ করে যেতে পারে এবং নানা খবরের মাঝে আসল তথ্যভিত্তিক খবর পাঠকের কাছে তুলে ধরতে পারে সেটাই আশা করি। এ ছাড়া যুগান্তরের সেই পথচলা থেকেই তারা নিজেদের কিছুটা আলাদাভাবে গণমাধ্যমের মাঝে টিকিয়ে রেখেছেন। আমি চাই এভাবেই যাতে তারা সামনের দিনেও কাজ করে যায় এবং হলুদ সাংবাদিকতা পরিহার করে।

যুগান্তরের আরেকটি আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে তারা বর্তমানে বিশ্বাসী। হাল ফ্যাশনের তাই নানা ধরনের লেখা চোখে পড়ে ঘরে বাইরে পাতায়। তাই ঘরে বাইরে পাতা পাঠক মহলে তার জায়গা তৈরি করে নিয়েছে কিছুটা আলাদা করে।

আমি চাই যাতে তারা এভাবেই ভ্রমণ, খাবার, ফ্যাশন টিপসসহ নানা তথ্য দিয়ে কাজ করে। ঘরে বাইরে পাতা নিয়ে চিন্তাভাবনা বলতে নতুন তেমনভাবে উপস্থাপন না করে যেভাবে তারা কাজ করে যাচ্ছে তাই যেন অব্যাহত থাকে সে দিকে খেয়াল রাখা উচিত বলে আমি মনে করি। অন্যদিকে ঘরে বাইরে পাতা নতুন মুখদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় দুয়ার, তাই তাদের এ কাজ যেন অব্যাহত থাকে সেটি চাই। আর দুই দশকের এ পথচলা চলতে থাকুক আরও কয়েকশ’ যুগ এমনটাই আমার চাওয়া। যুগান্তরের জন্মদিনের এই ক্ষণে আমার পক্ষে থেকে রইল শুভকামনা। যুগান্তর তার পথচলা এভাবেই চালিয়া যাক এমনটাই আশা করি। আর যুগান্তরকে জানাই জন্মদিনে আমার পক্ষ থেকে শুভ জন্মদিন যুগান্তর।

শাহিনা আফরিন মৌসুমী, রূপবিশেজ্ঞ

যুগান্তরকে অনেক শুভেচ্ছা। সেসঙ্গে শুভেচ্ছা ঘরে বাইরেকেও। ঘরে বাইরে আমাদের দেশীয় ফ্যাশনের অগ্রযাত্রাকে অনেকটাই ত্বরান্বিত করেছে। বিশেষ করে আমরা যারা নারী উদ্যোক্তা রয়েছি তাদের একটি প্লাটফর্ম তৈরি করেছে ঘরে বাইরে। এ সহযোগিতার কারণে আরও অনেকেই স্বপ্ন দেখতে পারছে উদ্যোক্তা হওয়ার। খবর, ছবি ইত্যাদি প্রকাশের মাধ্যমে ঘরে বাইরেকে সবসময় পাশে পেয়েছি। যুগান্তর আরও অনেক দূর এগিয়ে যাক এ কামনাই করি। প্রিয় এ পত্রিকাটির প্রতি অনেক প্রত্যাশা। এর মধ্যে একটি দাবি- ঘরে বাইরে ট্যাবলয়েডের প্রিন্টের মান আরেকটু ঝকঝকে হোক। কারণ অনেকেই অভিযোগ করেন, বিশেষ করে যারা মডেলিং করেন এবং নিয়মিত পাঠক, ঘরে বাইরেতে ছবি কিছুটা ঝাপসা ছাপা হয়। আশা করছি, পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নজরে আনবেন। যুগান্তারের প্রতি শুভকামনা সবসময়ই রয়েছে। সেসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি ভালোবাসা।

অর্নব, মডেল

যুগান্তর সবসময় সত্যনিষ্ঠ এবং যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা গণমাধ্যমগুলোর মধ্যে অন্যতম। শুধু সংবাদ নয় যুগান্তর তার পদচারণা রেখেছে সব ক্ষেত্রে। চুলচেরা বিশ্লেষণে যুগান্তর সর্বদা সচেষ্ট। খেলার মাঠ কিংবা রাজনৈতিক সংলাপ যুগান্তর সবসময় তুলে ধরেছে সঠিক চিত্র। তাই পাঠকপ্রিয়তায় যুগান্তরের অবস্থান সবার হৃদয়ের কাছে। এসব কিছু ছাড়াও যুগান্তর লাইফস্টাইলকে তুলে নিয়ে এসেছে তার নিজস্ব আঙ্গিকের ছোঁয়ায়। সব বয়সের মানুষদের ফ্যাশন সম্পর্কিত তথ্যাবলি পাওয়া যায় যুগান্তরের ঘরে বাইরে পাতায়। এ ছাড়া ঘরে বাইরে পাতাতে চোখে পড়ার মতো একটি বিষয় হচ্ছে এর ছবিগুলো। প্রত্যেকটি আয়োজনকে ছবির মাধ্যমে তারা ভাষা দিয়ে থাকে। এ ছাড়া ঘরে বাইরে পাতার নিয়মিত আয়োজনের মধ্যে ভ্রমণ নিয়ে লেখাগুলো বেশ চোখে পড়ার মতো। নানা ব্যস্ততার মাঝেও খুব অল্প সময়ের মধ্যে কোথায় কোন সময়ে ঘুরতে যাওয়া সম্ভব তার একটা পরিকল্পনা করে ফেলা সম্ভব। এসব কিছু ছাড়াও এর প্রত্যেকটি পাতায় আছে নিজস্বতা।

পড়তে গেলেই সব তথ্য চোখের সামনে ছবি হয়ে কথা বলে। এ ছাড়া যুগান্তর হেলথ সম্পর্কিত যেসব খুঁটিনাটি তথ্য দিয়ে থাকে তা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। হাল ফ্যাশনের যে কোনো খবরও পাওয়া সম্ভব যুগান্তরের মাধ্যমে। আর এভাবেই সামনের দিনে যুগান্তরের যুগান্তকারী পথচলা দেখতে চাই। যাতে পাঠকের আরও কাছে যুগান্তর পৌঁছে যেতে পারে। এ ছাড়া হাল ফ্যাশনের আরও খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে যুগান্তর কাজ করতে পারে।

সে ক্ষেত্রে শুধু ফ্যাশন সম্পর্কিত তথ্য দিয়ে মাসিক বা সাপ্তাহিক কোনো ম্যাগাজিন তারা আনতে পারে বলে আমি মনে করি। আর ঘরে বাইরে পাতা যেভাবে কাজ করছে সেভাবেই যাতে কাজ করে যেতে থাকে- সেটাই আশা করি। তবে তাতে যদি আলাদা করে মেয়েদের নিয়ে একটি পাতা সংযুক্ত করা হয় তবে হয়তো একটি নতুন চমক হিসেবে তা কাজ করবে বলে মনে করি। এর পাশাপাশি হেলথ সম্পর্কিত তথ্য নিয়েও আলাদা পাতা করা যেতে পারে, যাতে পাঠকের দৃষ্টি আরেকটু বেশি পড়বে বলে মনে করি। আর দিন শেষে বলতে হয় যুগান্তর আমাদের খুব কাছের এবং আমার আরেকটি পরিবারের মতো। তাই এর দুই দশকে পদার্পণে রইল আমার পক্ষ থেকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা এবং শুভ জন্মদিন বলতে চাই যুগান্তরকে। আর যুগান্তরকে যাতে এভাবেই সবসময় পাশে পাই তার আশা করি।

শারমিন কচি, রূপবিশেষজ্ঞ

যুগান্তরের সঙ্গে আমার হৃদ্যতা অনেক গভীরের। ঘরে বাইরের জন্মলগ্ন থেকেই আমি এর সঙ্গে আছি। যখন পরিকল্পনা হচ্ছিল এমন একটি ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল বিষয়ক ট্যাবলয়েড হতে পারে তখন এতে কোন কোন বিভাগ থাকতে পারে সেসব ভাবনার একটা অংশ ছিল আমার। নিজের স্বপ্নের প্রতিফলন ছিল এ ঘরে বাইরে। সেজন্য যুগান্তরের প্রতি আন্তরিকতাও অনেক বেশি।

একটানা নয় বছর কাজ করেছি ঘরে বাইরে ট্যাবলয়েডে। আজকে আমি শারমিন কচি তৈরি হয়েছি যুগান্তরের হাত ধরে। যুগান্তরের এ সহায়তার ধারা অব্যাহত থাকুক। যেন এভাবে আরও অনেকেই এগিয়ে যেতে পারে, নিজস্ব পরিচিতি তৈরি করতে পারে। ঘরে বাইরেতে অনেক উপকারী বিভাগই রয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যের দিকটাতেই নজর দিতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতামত ও প্রশ্নোত্তর পর্ব রাখা যেতে পারে।

যুগান্তর ভালো থাকুক। সবাইকে ভালো রাখুক। শুভকামনা এবং ভালোবাসা ছিল, আছে, থাকবে।

পূর্ণিমা বৃষ্টি, মডেল

যুগান্তর আমার কাছে সবসময় খুব কাছের একটি জায়গা। বেশ কিছু কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়েছে যুগান্তরের সঙ্গে। যুগান্তর যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করে বলে আমার পছন্দের গণমাধ্যমগুলোর মধ্যে অন্যতম। যুগান্তর সবসময় বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে তার কাজ করে চলেছে। এ ছাড়া যুগান্তর সবসময় চেষ্টা করে পাঠকের না বলা কথা যুগান্তর তার কলমের কালিতে তুলে ধরতে। যুগান্তরের আরেকটি অন্যতম অংশ হচ্ছে ঘরে বাইরে পাতা। নতুনদের সামনের দিনে কাজ করতে যেভাবে তারা সাহায্য এবং মনোবল দিয়ে থাকেন তা আসলেই অকল্পনীয়। নতুন মুখদের কাছে তাই যুগান্তর একটি নতুন অধ্যায় হতে পারে। আর অন্যভাবে বললে যুগান্তরের প্রতিটি পাতায় আছে তার নিজস্বতা। এক একটি লেখাকে প্রাণ দিয়ে তুলেন তারা। আর যুগান্তরকে নিয়ে যদি ভাবনা কিংবা চিন্তার কথা বলতে হয় তাহলে বলতে হয়, যুগান্তরের কাজ নিয়ে আমি বেশ আশাবাদী। এ ছাড়া যুগান্তর আমার আরেকটি পরিবারও। পুরাতনদের ভিড়ে তারা নতুনদের জন্যও যে জায়গা তৈরি করে দিচ্ছে তা খুব কম গণমাধ্যমেই চোখে পড়ে। তাই আমি আশা করি তারা যাতে তাদের এ ধারা অব্যাহত রাখে। সামনের দিনেও যুগান্তরকে ঠিক একই রূপে দেখতে চাই তবে সে ক্ষেত্রে ফ্যাশনের ক্ষেত্র তাদের আরও একটু বড় আঙ্গিকে দেখতে চাই ঘরে বাইরে পাতার মাধ্যমে। এ ছাড়া অন্য তেমন কোনো পরিবর্তন প্রয়োজন নেই বলে মনে হয় আমার। কারণ যুগান্তর তার নিজস্বতায় সবসময় শ্রেয়। আর এভাবেই যাতে যুগান্তর সব বাধা পেরিয়ে তার সামনের দিকে এগিয়ে যায়- এ কামনা করি। সেসঙ্গে যুগান্তকে জানাই শুভ জন্মদিন। দুই দশক পেরিয়েও যুগান্তর সবসময় থাকুক এমন তারা ঝলমল আর প্রাণবন্ত।

গ্রন্থনা : ফারিন সুমাইয়া ও হাবীবাহ্ নাসরীন

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×