রেস্টুরেন্ট

গ্যালেসিয়ায় একদিন

  খালেদ সাইফুল্লাহ মাহমুদ ০৯ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সময়টা মনে হয় খাদ্য বিলাসের! অথবা বলা যায় ভোজন রসিকদের! না হলে যেদিকে তাকাই এত এত রেস্টুরেন্ট কেন? শুধু কি রেস্টুরেন্ট? এ তো দেখছি বৈচিত্র্যময় সব রেস্টুরেন্ট আর তাবৎ বিশ্বের যত ধরনের খাবার হতে পারে তার বর্ণিল চলমান প্রদর্শনী! কথাগুলো বলছি বাংলাদেশের বর্তমান নানা ধরনের রেস্টুরেন্টের উপস্থিতি আর আমাদের সবার বৈচিত্র্যময় খাবারের প্রতি অন্যরকম আগ্রহ দেখে। রাজধানী ঢাকার যে দিকেই যাবেন কোনো না কোনো ভিন্ন ধারার খাবারের আয়োজন নিয়ে সাজানো কোনো একটি রেস্টুরেন্টের প্রতি আপনার দৃষ্টি আটকাবেই! মনে হবে এখানেও রয়েছে একটু ভিন্নতার আভাস। এখন যে কোনো একটা এলাকা ঘিরেই গড়ে ওঠে বৈচিত্র্যময় সব রেস্টুরেন্ট। নানা স্বাদের, নানা বৈচিত্র্যের খাবার আর নান্দনিক পরিবেশ যে কাউকেই একটু ভিন্নতার আমেজ অনুভব করায়। আড্ডা গল্পে আর স্বাদেও থাকে তার রেশ।

রাজধানী ঢাকার অভিজাত এলাকা বনানী। নগরায়ণের আগ্রাসনের মাঝেও বনানীতে এখনও পর্যাপ্ত গাছগাছালি চোখে পড়ে। বহুবর্ষী বড় বড় গাছ এখনও এখানে টিকে আছে। সবুজের মাঝে বনানীর আভিজাত্য একটু স্বতন্ত্র। পরিকল্পিত সুপরিসর রাস্তাঘাট আর ছিমছাম গোছানো কিছু নান্দনিক বাড়ি, কোলাহলমুক্ত নিরিবিলি পরিবেশ বনানীর আভিজাত্যে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে।

পুরো বনানী জুড়েই রয়েছে বিভিন্ন ধারার বৈচিত্র্যময় রেস্টুরেন্ট আর কফিশপ। সেখানে গভীর রাত অবধি থাকে ভোজন বিলাসী মানুষের আনাগোনা। বনানীর তেমনই এক ঠিকানা বনানীর ২১ নাম্বার রোডের বি ব্লকে অবস্থিত গ্যালেসিয়া হোটেল ও রিসোর্ট। বন্ধুদের নিয়ে আড্ডায় মেতেছিলাম একদিন।

একেবারে প্রকৃত বাংলাদেশি অকৃতিম আতিথেয়তা সেবায় অনন্য এ গ্যালেসিয়ায় রয়েছে ২২টি বিলাসবহুল রুম। রয়েছে ভিন্ন ধারার বৈশিষ্ট্যের কয়েকটি রেস্টুরেন্ট যেমন ফর্ক অ্যান্ড স্পুন যা বৈচিত্র্যময় সুস্বাদু এশিয়ান ও ইন্দো-বাংলা খাবারের সমন্বয়ে সাজানো হয়েছে। মনোলোভা ব্যতিক্রম স্বাদের প্রাণবন্ত ভূমধ্যসাগরীয় খাবারের বৈচিত্র্য নিয়ে রয়েছে তাবাক বারবিকিউ। একেবারেই নিজের মতো করে সময় কাটানো আর আপনজনদের নিয়ে খাবারের স্বাদে মেতে উঠতে রয়েছে ভার্দে। চাঁদের আলোয় প্রিয়জনকে নিয়ে ধোঁয়া ওঠা খাবারের স্বাদ নেয়ার জন্য রয়েছে মুন শ্যাডো রেস্টুরেন্ট আর ফাস্টফুড প্রেমীদের জন্য আছে বার্গার স্ট্রিট আর ডেইলি ডিলাইট। এছাড়া রয়েছে পারিবারিক উৎসব আয়োজনে বেনক্যুইট হল রয়েল এক্সপ্লোশন।

দেশি-বিদেশি অতিথিদের পদচারণায় মুখর হয়ে থাকে এ গ্যালেসিয়া। হৃদয় নিংড়ানো আতিথেয়তার সঙ্গে সুন্দর আর নিরিবিলি পরিবেশে প্রাণবন্ত সময়গুলো কখন যে কিভাবে কেটে যায় তা বলা যায় না। এ প্রসঙ্গে গ্যালেসিয়ার ব্যবস্থাপক রেজা খান বলেন, একেবারেই বাংলাদেশীয় আতিথেয়তার ঐতিহ্যের ধারা ধরে রেখেই আমরা দেশি-বিদেশি অতিথিদের সেবা করে যাচ্ছি। নানা আয়োজনেই প্রতিনিয়ত আমরা বাংলাদশের কৃষ্টি কালচার, খাদ্য ঐতিহ্য দেশি-বিদেশি অতিথিদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করি। এখানকার খাবারের স্বাদ, সেবার মান আর আন্তরিকতায় কোনো অতিথিকে সন্তুষ্ট করতে পারলেই আমাদের সার্থকতা।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×