ঝুমুর ঝুমুর নূপুর পায়ে...

  মানসুরা সিদ্দিক ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ঝুমুর ঝুমুর নূপুর পায়ে।
ঝুমুর ঝুমুর নূপুর পায়ে। ছবি সংগৃহীত

বাঙালি ফ্যাশনে তো বটেই, ওয়েস্টার্ন ফ্যাশনেও এখন চলে এসেছে নূপুরের ব্যবহার। এ জন্য আপনাকে ওয়েস্টার্ন পোশাকের সঙ্গে মিল রেখে নূপুর পরতে হবে। নূপুরের ডিজাইন আর বৈচিত্র্যেও রয়েছে রকমফের বাহার। বাজারে হরেক রকমের নূপুর রয়েছে। চাইলে পরতে পারেন কড়ি, ঝিনুক, শামুক দিয়ে বানানো। কম খরচেও অনন্যা হয়ে উঠতে চেয়ে এমন গয়না বেছে নিতেই পারেন। আর যদি চান চিরকালীন বাঙালি সাজে সাজতে তবে বেছে নিতে পারেন সোনা বা রুপার গয়না। যাদের সোনার গয়না পরতে অতটা ভালোলাগে না তারা সোনার চকচকে প্রলেপ দেয়া নূপুর বেছে নিতে পারেন।

যদি চান শাড়ির সঙ্গে নূপুর পরতে সে ক্ষেত্রে চওড়া কারুকাজের নূপুর বেছে নেয়াটাই হবে বুদ্ধিমতির কাজ। ফ্যাশনে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলতে সব সময় নিজের পছন্দকে প্রাধান্য দিন। কোন নূপুরটিতে আপনাকে ভালো লাগবে তা নিজেই বাছাই করে নিতে পারেন। মনে রাখবেন বর্তমানে নূপুরের ক্ষেত্রে গরজিয়াস লুকটাকেই সবাই প্রাধান্য দিচ্ছে। চকচকে পাথরের কারুকাজের নূপুরই সবচেয়ে বেশি চলছে। এক্ষেত্রে পাথরের রং আর ডিজাইনেও রয়েছে ভিন্নতা।

পাথরের কারুকাজের নূপুরে খুব সহজেই তারুণ্যে উচ্ছলতা ফুটে ওঠে। বর্তমানে এক পায়ে নূপুরই পরে সবাই। অনেকে ৫-৬টা নূপুরই এক পায়ে পরে। চিকন, সূক্ষ্ম কাজের এসব নূপুর অনেকেই ২-৩টা পেঁচিয়ে পায়ে জড়িয়ে থাকেন। সোনার তৈরি নূপুরের পাশাপাশি এখন সেখানে জায়গা করে নিয়েছে রুপা, ইমিটেশনসহ আরও নানা উপকরণের নূপুর। এখন স্বর্ণের নূপুরের তুলনায় ইমিটেশনের নূপুরই বেশি জনপ্রিয়। খুব জমকালো ভারি নূপুরের ডিজাইনের প্রচলন না থাকলেও সঙ্গে থাকতে পারে পুঁতি, স্টোন, কৃত্রিম মুক্তা আর ইমিটেশনের নানা গয়না। পছন্দসই নূপুর তো পরবেনই, লক্ষ রাখতে হবে জুতার দিকেও। খেয়াল রাখবেন, সব ধরনের জুতার সঙ্গে কিন্তু নূপুর মানানসই নয়।

খুব বেশি হাই হিল বা একেবারেই ওয়েস্টার্ন মডেলের জুতার সঙ্গে নূপুর একেবারেই পরা যায় না। এক্ষেত্রে যারা সর্বক্ষণ নূপুর পরেন তারা এ ধরনের জুতা এড়িয়ে চলুন। বেশি সাধারণ জুতা বা লো হিলের সঙ্গে নূপুর সবসময়ই বেশ মানানসই। ফ্লিপ-ফ্লপ ধরনের জুতার সঙ্গে নূপুরের সখ্য বেশি, তাই এ ধরনের জুতার সঙ্গে নূপুর ভালো মানায়।

নূপুর শুধু পরলেই হবে না, যত্নও নিতে হবে। যেমন সপ্তাহে একবার হলেও নূপুর পরিষ্কার করতে হবে। যেহেতু নূপুর পায়ে থাকে আর পায়েই বেশি ধুলাবালি লাগে। তাই নূপুর নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। তাতে করে আপনি আপনার পছন্দের নূপুরটি অনেক দিন ব্যবহারও

করতে পারবেন। যে কোনো ক্লিনার যেমন তরল সাবান বা ডিটারজেন্টে ৫-১০ মিনিট নূপুর ভিজিয়ে রাখলেই আপনার নূপুরটি পরিষ্কার হয়ে যাবে। কিছু কিছু মেটাল দিয়ে তৈরি হওয়া নূপুর পানিতে ভেজালে নষ্ট হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে যেন নূপুরে পানি না লাগে। এ ধরনের নূপুরগুলো তুলি বা ব্রাশ দিয়েই পরিষ্কার করতে হবে। স্নিগ্ধ সকালের ভেজা ঘাসে বা ক্লান্ত বিকালের মলিন ঘাসে পরবে এক জোড়া পা, যেখানে থাকবে এক পায়ে নূপুর।

স্বর্ণ কিংবা রুপার নূপুর কিনতে হয় তাহলে যেতে হবে স্বর্ণের দোকানে। ঢাকার বসুন্ধরা সিটি, চাঁদনী চক, মৌচাক, তাঁতীবাজার, বাইতুল মোকাররম আর বড় সব শপিং মলেই আছে কম-বেশি সোনার দোকান। এসব স্থানে সোনা বা রুপার নূপুর কিনতে পাওয়া যাবে। এ ছাড়া নিজের ডিজাইন অনুযায়ী অর্ডার করেও তৈরি করে নিতে পারেন। এছাড়া যে কোনো গয়নার দোকানেই পছন্দের নূপুরের দেখা মিলবে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×