ঘরের কোণে শখের বাগান
jugantor
জেনে নিন
ঘরের কোণে শখের বাগান

  ফারিন সুমাইয়া  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঘরের কোণে শখের বাগান।

ইট-কাঠের শহরে যখন সবুজের দেখা পাওয়া কঠিন তখন আপনার ঘরের কোণে থাকা ছোট্ট বাগান আপনার সেই সবুজপ্রেমী মনকে রাঙিয়ে তুলতে পারে সবুজের ক্যানভাসে। ঘরের কোণে থাকা এক টুকরা বাগান যে কেবল সবুজের ছোঁয়া দিবে তাই না, আপনাকে রাখবে সব সময় বেশ প্রফুল্ল। বড় পরিসরে না করতে পারলেও ছোট্ট পরিসরে করা বাগানে আপনি রাখতে পারেন নানা ফুল আর ফলের সমাহার।

আপনার পছন্দের তালিকার গাছ যেমন থাকবে তেমনই নানা ধরনের মৌসুমি ফুল আর ফলের গাছ দিয়ে আপনি আপনার বারান্দাকে সাজিয়ে তুলতে পারেন। এসব বাগানে তাই অনায়াসে লেবু গাছের চারা থেকে শুরু করে মরিচ কিংবা আম গাছের চারাও রোপণ করতে পারেন। আর ফুলের দিক থেকে নানা ফুলের রঙের আভা এ ঘরের কোণকে কোনো ক্যানভাস থেকে কম করে তুলবে না।

এসব বাগানে আপনি যেমন রাখতে পারেন বেলি, অর্কিড তেমন শরতের এ সময়ের ফুলেও আপনি আপনার ছোট্ট বাগানটি সাজিয়ে তুলতে পারেন নিজের মনের মতো করে। তাই ছোট ছোট টবে মল্লিকা কিংবা কামিনীকে নতুন সদস্য করে জায়গা দিতে পারেন পুরনোদের ভিড়ে। এছাড়া বছরের সব ঋতুতেই যেসব ফুল ফুটে যেমন গোলাপ, হাসনাহেনা, বেলি, অর্কিড ফুলের গাছ রাখতে পারেন আপনার প্রিয় বাগানে।

এছাড়া আপনি আপনার শখের বারান্দাটি সাজাতে এসব গাছের ভিড়ে রাখতে পারেন মানিপ্ল্যান্ট। ফুলের মাঝে মাঝে মানিপ্ল্যান্ট গাছের একেবেঁকে চলা ভিন্ন এক রূপ দিবে আপনার শখের বাগানকে। তবে গাছ রোপণের পাশাপাশি গাছের পরিচর্যাও আবশ্যক। ঘরের পাশেই যখন আপনার ছোট্ট সবুজ বাগান তখন পোকামাকড় থেকে বাঁচতে এর নিয়মিত পরিষ্কার যেমন প্রয়োজন তেমনই প্রয়োজন গাছের সঠিক পরিচর্যা।

তাই গাছ পরিমিত আলো পাচ্ছে কিনা তার দিকে যেমন খেয়াল রাখুন তেমনই পরিমিত পানি পাচ্ছে কিনা সেদিকেও খেয়াল রাখুন। এছাড়া তিন মাস অন্তর অন্তর জৈব সার ব্যবহার করুন। গাছের গোড়ার মাটি আলগা করে দিন যাতে সঠিকভাবে গাছ পানি পায়। গাছ আকারে বড় হয়ে গেলে টব পাল্টে দিতে পারেন। এতে করে গাছের বৃদ্ধি পেতে সুবিধা হয়। অন্যদিকে প্রায়ই গাছের পাতা কুঁকড়ে যেতে দেখা যায়। তাই গাছকে পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করতে কীটনাশক ব্যবহার করতে পারেন পরিমাণমতো।

অন্যদিকে গাছ এক দিকে না রেখে কিছু গাছ বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলিয়ে দিতে পারেন, কিছু গাছ নিচে সাজিয়ে রাখতে পারেন আর কিছু গাছ রাখতে পারেন তাক তাক করে সাজিয়ে। এতে করে গাছ যেমন পর্যাপ্ত আলো পাবে তেমনই পানি দিতেও সুবিধা হবে। বারান্দায় যাতে পানি জমে না থাকে সে দিকেও নজর রাখুন সমানভাবে। তবেই আপনার শখের বাগানে যেমন নানা ফুলের রঙের মেলা হবে সব ঋতুতেই তেমনই গাছও থাকবে সুস্থ আর ছোট্ট বাগান সবুজে পরিপূর্ণ।

জেনে নিন

ঘরের কোণে শখের বাগান

 ফারিন সুমাইয়া 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
ঘরের কোণে শখের বাগান।
ঘরের কোণে শখের বাগান। ছবি সংগৃহীত

ইট-কাঠের শহরে যখন সবুজের দেখা পাওয়া কঠিন তখন আপনার ঘরের কোণে থাকা ছোট্ট বাগান আপনার সেই সবুজপ্রেমী মনকে রাঙিয়ে তুলতে পারে সবুজের ক্যানভাসে। ঘরের কোণে থাকা এক টুকরা বাগান যে কেবল সবুজের ছোঁয়া দিবে তাই না, আপনাকে রাখবে সব সময় বেশ প্রফুল্ল। বড় পরিসরে না করতে পারলেও ছোট্ট পরিসরে করা বাগানে আপনি রাখতে পারেন নানা ফুল আর ফলের সমাহার।

আপনার পছন্দের তালিকার গাছ যেমন থাকবে তেমনই নানা ধরনের মৌসুমি ফুল আর ফলের গাছ দিয়ে আপনি আপনার বারান্দাকে সাজিয়ে তুলতে পারেন। এসব বাগানে তাই অনায়াসে লেবু গাছের চারা থেকে শুরু করে মরিচ কিংবা আম গাছের চারাও রোপণ করতে পারেন। আর ফুলের দিক থেকে নানা ফুলের রঙের আভা এ ঘরের কোণকে কোনো ক্যানভাস থেকে কম করে তুলবে না।

এসব বাগানে আপনি যেমন রাখতে পারেন বেলি, অর্কিড তেমন শরতের এ সময়ের ফুলেও আপনি আপনার ছোট্ট বাগানটি সাজিয়ে তুলতে পারেন নিজের মনের মতো করে। তাই ছোট ছোট টবে মল্লিকা কিংবা কামিনীকে নতুন সদস্য করে জায়গা দিতে পারেন পুরনোদের ভিড়ে। এছাড়া বছরের সব ঋতুতেই যেসব ফুল ফুটে যেমন গোলাপ, হাসনাহেনা, বেলি, অর্কিড ফুলের গাছ রাখতে পারেন আপনার প্রিয় বাগানে।

এছাড়া আপনি আপনার শখের বারান্দাটি সাজাতে এসব গাছের ভিড়ে রাখতে পারেন মানিপ্ল্যান্ট। ফুলের মাঝে মাঝে মানিপ্ল্যান্ট গাছের একেবেঁকে চলা ভিন্ন এক রূপ দিবে আপনার শখের বাগানকে। তবে গাছ রোপণের পাশাপাশি গাছের পরিচর্যাও আবশ্যক। ঘরের পাশেই যখন আপনার ছোট্ট সবুজ বাগান তখন পোকামাকড় থেকে বাঁচতে এর নিয়মিত পরিষ্কার যেমন প্রয়োজন তেমনই প্রয়োজন গাছের সঠিক পরিচর্যা।

তাই গাছ পরিমিত আলো পাচ্ছে কিনা তার দিকে যেমন খেয়াল রাখুন তেমনই পরিমিত পানি পাচ্ছে কিনা সেদিকেও খেয়াল রাখুন। এছাড়া তিন মাস অন্তর অন্তর জৈব সার ব্যবহার করুন। গাছের গোড়ার মাটি আলগা করে দিন যাতে সঠিকভাবে গাছ পানি পায়। গাছ আকারে বড় হয়ে গেলে টব পাল্টে দিতে পারেন। এতে করে গাছের বৃদ্ধি পেতে সুবিধা হয়। অন্যদিকে প্রায়ই গাছের পাতা কুঁকড়ে যেতে দেখা যায়। তাই গাছকে পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করতে কীটনাশক ব্যবহার করতে পারেন পরিমাণমতো।

অন্যদিকে গাছ এক দিকে না রেখে কিছু গাছ বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলিয়ে দিতে পারেন, কিছু গাছ নিচে সাজিয়ে রাখতে পারেন আর কিছু গাছ রাখতে পারেন তাক তাক করে সাজিয়ে। এতে করে গাছ যেমন পর্যাপ্ত আলো পাবে তেমনই পানি দিতেও সুবিধা হবে। বারান্দায় যাতে পানি জমে না থাকে সে দিকেও নজর রাখুন সমানভাবে। তবেই আপনার শখের বাগানে যেমন নানা ফুলের রঙের মেলা হবে সব ঋতুতেই তেমনই গাছও থাকবে সুস্থ আর ছোট্ট বাগান সবুজে পরিপূর্ণ।