বাংলাদেশে অ্যারোমা থেরাপি নিয়ে আসছেন কেয়া শেঠ
jugantor
বাংলাদেশে অ্যারোমা থেরাপি নিয়ে আসছেন কেয়া শেঠ

   

১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এশিয়ার প্রাচীনতম চিকিৎসা অ্যারোমা থেরাপি। মূলত এ পদ্ধতিতে গন্ধ শুঁকলেই মাইগ্রেন, অনিদ্রা, অ্যাসিডিটি, স্পন্ডেলাইটিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসা সম্ভব। প্রাচীনতম এ চিকিৎসা পদ্ধতি বাংলাদেশের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চান ভারতের প্রখ্যাত রূপ বিশেষজ্ঞ কেয়া শেঠ। সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন করে ৪৪টি পণ্য সরবরাহের ঘোষণা দেন তিনি।

বর্তমানে কাজের চাপে নির্দিষ্ট বয়সের আগেই অনেকেই বুড়ো হয়ে যাচ্ছেন। অবস্থা এতই খারাপ যে ৪০ পার হলেই সুস্থভাবে হেঁটে চলা মানুষের সংখ্যা কমে আসছে। এ ছাড়া যারা সারা দিন ঘাড় গুঁজে কম্পিউটারে কাজ করেন তাদের স্পন্ডেলাইটিস বা আর্থ্রাইটিসের অসুস্থতা বাড়ছে। অনেকে আবার কাজের চাপের কারণে মাইগ্রেন বা অনিদ্রা সমস্যায় ভুগছেন। কেয়া শেঠ বলছেন, এমন রোগের চিকিৎসা গন্ধ শুঁকে বা অ্যারোমা থেরাপি দিয়ে সহজেই সারিয়ে তোলা সম্ভব।

কেয়া শেঠ বলেন, এতদিন অ্যারোমা থেরাপি দিয়ে মানুষের ত্বক, চুল থেকে শুরু করে মুখাবয়বের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে দিয়েছিলাম। চুল পড়ে যাওয়া রুখে দিতে, মুখের দাগ, চোখের নিচের কালিমা দূর করতে আমার প্রোডাক্ট শুধু ভারত বা বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন শহরে খুবই জনপ্রিয়। কিন্তু এবার বাংলাদেশে এসব সৌন্দর্যের পাশাপাশি মানুষের নানা শারীরিক অসুস্থতা দূর করতে অ্যারোমা থেরাপি চিকিৎসা বাঙালির ঘরে ঘরে পৌঁছানোর উদ্যোগ নিয়েছি।

অ্যারোমা থেরাপির যুগান্তকারী নানা উদ্ভাবন নিয়ে কেয়া শেঠ আগামী ১২ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বসুন্ধরা বিমস্টেক আয়ুষ ট্রাডিশনাল হেলথ কেয়ার প্রাকৃতিক ও জৈব পণ্য এক্সপো ২০২০-এ ঢাকায় অবস্থান করবেন। বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটির এক্সপোতে তিন দিনই কেয়া শেঠ উপস্থিত থেকে সবার সঙ্গে ভাববিনিময় করবেন। কেয়া শেঠ জানান, বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি নিয়ে ইতিমধ্যে আমরা নয়াপল্টনে অফিস (১০৬/কেএ কসমিক টাওয়ার নবম তলা, নয়াপল্টন ঢাকা) খুলে এ অ্যারোমা চিকিৎসাকে বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছানোর কাজ ইতিমধ্যে শুরু করেছি। পাশাপাশি অ্যারোমা থেরাপির নেটওয়ার্ক বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে ইতিমধ্যে চট্টগ্রামে কারখানা স্থাপনেরও প্রস্তুতি শুরু করেছি। এতে বাংলাদেশে কেয়া শেঠের পণ্যগুলো যেমন সুলভ হবে তেমনি সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থানও।

বাংলাদেশে অ্যারোমা থেরাপি নিয়ে আসছেন কেয়া শেঠ

  
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এশিয়ার প্রাচীনতম চিকিৎসা অ্যারোমা থেরাপি। মূলত এ পদ্ধতিতে গন্ধ শুঁকলেই মাইগ্রেন, অনিদ্রা, অ্যাসিডিটি, স্পন্ডেলাইটিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসা সম্ভব। প্রাচীনতম এ চিকিৎসা পদ্ধতি বাংলাদেশের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চান ভারতের প্রখ্যাত রূপ বিশেষজ্ঞ কেয়া শেঠ। সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন করে ৪৪টি পণ্য সরবরাহের ঘোষণা দেন তিনি।

বর্তমানে কাজের চাপে নির্দিষ্ট বয়সের আগেই অনেকেই বুড়ো হয়ে যাচ্ছেন। অবস্থা এতই খারাপ যে ৪০ পার হলেই সুস্থভাবে হেঁটে চলা মানুষের সংখ্যা কমে আসছে। এ ছাড়া যারা সারা দিন ঘাড় গুঁজে কম্পিউটারে কাজ করেন তাদের স্পন্ডেলাইটিস বা আর্থ্রাইটিসের অসুস্থতা বাড়ছে। অনেকে আবার কাজের চাপের কারণে মাইগ্রেন বা অনিদ্রা সমস্যায় ভুগছেন। কেয়া শেঠ বলছেন, এমন রোগের চিকিৎসা গন্ধ শুঁকে বা অ্যারোমা থেরাপি দিয়ে সহজেই সারিয়ে তোলা সম্ভব।

কেয়া শেঠ বলেন, এতদিন অ্যারোমা থেরাপি দিয়ে মানুষের ত্বক, চুল থেকে শুরু করে মুখাবয়বের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে দিয়েছিলাম। চুল পড়ে যাওয়া রুখে দিতে, মুখের দাগ, চোখের নিচের কালিমা দূর করতে আমার প্রোডাক্ট শুধু ভারত বা বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন শহরে খুবই জনপ্রিয়। কিন্তু এবার বাংলাদেশে এসব সৌন্দর্যের পাশাপাশি মানুষের নানা শারীরিক অসুস্থতা দূর করতে অ্যারোমা থেরাপি চিকিৎসা বাঙালির ঘরে ঘরে পৌঁছানোর উদ্যোগ নিয়েছি।

অ্যারোমা থেরাপির যুগান্তকারী নানা উদ্ভাবন নিয়ে কেয়া শেঠ আগামী ১২ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বসুন্ধরা বিমস্টেক আয়ুষ ট্রাডিশনাল হেলথ কেয়ার প্রাকৃতিক ও জৈব পণ্য এক্সপো ২০২০-এ ঢাকায় অবস্থান করবেন। বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটির এক্সপোতে তিন দিনই কেয়া শেঠ উপস্থিত থেকে সবার সঙ্গে ভাববিনিময় করবেন। কেয়া শেঠ জানান, বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি নিয়ে ইতিমধ্যে আমরা নয়াপল্টনে অফিস (১০৬/কেএ কসমিক টাওয়ার নবম তলা, নয়াপল্টন ঢাকা) খুলে এ অ্যারোমা চিকিৎসাকে বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছানোর কাজ ইতিমধ্যে শুরু করেছি। পাশাপাশি অ্যারোমা থেরাপির নেটওয়ার্ক বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে ইতিমধ্যে চট্টগ্রামে কারখানা স্থাপনেরও প্রস্তুতি শুরু করেছি। এতে বাংলাদেশে কেয়া শেঠের পণ্যগুলো যেমন সুলভ হবে তেমনি সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থানও।