করোনা হয়েছে সন্দেহ হলে যোগাযোগ করুন
jugantor
করোনা হয়েছে সন্দেহ হলে যোগাযোগ করুন

  অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী  

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ছবি সংগৃহীত

* করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মৃদু, ঠাণ্ডা সর্দির মতো উপসর্গ যদি কফ থাকে, শুকনো কাশি, জ্বর আছে, ক্লান্তি হচ্ছে, মনে হচ্ছে যে কোভিড-১৯-এর মুখোমুখি হয়েছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখপাত্র তারিক জ্যাসাবেভিক বলেন, আমরা জানি ৮০ শতাংশ লোক যারা সংক্রমিত এদের মৃদু কাশ হয়, আর ঘরে থেকে অন্যদের রক্ষা করে সেরেও ওঠেন।

* কখন ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন?

রোগের উপসর্গ জ্বর, কফ বা শ্বাসকষ্ট আর ভাইরাসের সম্মুখীন হওয়ার ২-১৪ দিনের মধ্যে এদের আবির্ভাব ঘটে বলে সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেশন (সিডিসি) জানিয়েছে।

তারা আরও জানায়, অন্যান্য উপসর্গের মধ্যে আছে নাক দিয়ে জল ঝরা, গলাব্যথা ও নাক বন্ধ, ব্যথা বেদনা, কখনও ডায়রিয়া।

* যদি মনে করেন করোনাভাইরাসের মুখোমুখি হয়েছেন, জ্বর আছে, ওপরে উল্লেখ করা উপসর্গ আছে তাহলে স্বাস্থ্য পরিচর্যা সেবার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আইইডিসিআরের হটলাইন, মেল বা ফেসবুকে প্রশ্ন ও চাহিদা পাঠাতে পারেন পরামর্শের জন্য।

* এতে ঘরের বাইরে ভাইরাস বিস্তার সীমিত হবে, আর স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর চাপ কমবে, হাসপাতালেও রোগীর চাপ কমবে, গুরুতর রোগীরা অগ্রাধিকার পাবে হাসপাতালে।

* তবে সিডিসি কোভিড-১৯-এর ক্ষেত্রে কিছু জরুরি সংকেত উল্লেখ করেছেন এবং বক্তব্য হল এরকম উপসর্গ হলে অবশ্য চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে :

* শ্বাস নিতে ছাড়তে কষ্ট

* বুকে অটল ব্যথা বা চাপ চাপভাব

* হতবুদ্ধিভাব, জেগে উঠতে অসুবিধা

* ঠোঁট বা মুখ নীলবর্ণ হয়ে যাওয়া।

চিকিৎসা আসার আগে ফেসমাক্স পরে নিতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলে, ৬ জনের মধ্যে ১ জনের অবস্থা হয় গুরুতর বয়স্ক লোক ও যাদের ক্রনিক অসুখ আছে যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ ও ক্রনিক শ্বাসযন্ত্রের রোগ, তাদের গুরুতর অসুখের ঝুঁকি বেশি।

আর করোনাভাইরাস সংক্রমিত এমন লোকদের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে এলে অথবা এমন কোনো এলাকা থেকে ভ্রমণ করে এসেছেন বা ছিলেন এমন হলে স্বাস্থ্য পরিচর্যা কেন্দ্রের পরামর্শ নিতে হবে।

করোনা হয়েছে সন্দেহ হলে যোগাযোগ করুন

 অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী 
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
ছবি সংগৃহীত
ছবি সংগৃহীত

* করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মৃদু, ঠাণ্ডা সর্দির মতো উপসর্গ যদি কফ থাকে, শুকনো কাশি, জ্বর আছে, ক্লান্তি হচ্ছে, মনে হচ্ছে যে কোভিড-১৯-এর মুখোমুখি হয়েছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখপাত্র তারিক জ্যাসাবেভিক বলেন, আমরা জানি ৮০ শতাংশ লোক যারা সংক্রমিত এদের মৃদু কাশ হয়, আর ঘরে থেকে অন্যদের রক্ষা করে সেরেও ওঠেন।

* কখন ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন?

রোগের উপসর্গ জ্বর, কফ বা শ্বাসকষ্ট আর ভাইরাসের সম্মুখীন হওয়ার ২-১৪ দিনের মধ্যে এদের আবির্ভাব ঘটে বলে সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেশন (সিডিসি) জানিয়েছে।

তারা আরও জানায়, অন্যান্য উপসর্গের মধ্যে আছে নাক দিয়ে জল ঝরা, গলাব্যথা ও নাক বন্ধ, ব্যথা বেদনা, কখনও ডায়রিয়া।

* যদি মনে করেন করোনাভাইরাসের মুখোমুখি হয়েছেন, জ্বর আছে, ওপরে উল্লেখ করা উপসর্গ আছে তাহলে স্বাস্থ্য পরিচর্যা সেবার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আইইডিসিআরের হটলাইন, মেল বা ফেসবুকে প্রশ্ন ও চাহিদা পাঠাতে পারেন পরামর্শের জন্য।

* এতে ঘরের বাইরে ভাইরাস বিস্তার সীমিত হবে, আর স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর চাপ কমবে, হাসপাতালেও রোগীর চাপ কমবে, গুরুতর রোগীরা অগ্রাধিকার পাবে হাসপাতালে।

* তবে সিডিসি কোভিড-১৯-এর ক্ষেত্রে কিছু জরুরি সংকেত উল্লেখ করেছেন এবং বক্তব্য হল এরকম উপসর্গ হলে অবশ্য চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে :

* শ্বাস নিতে ছাড়তে কষ্ট

* বুকে অটল ব্যথা বা চাপ চাপভাব

* হতবুদ্ধিভাব, জেগে উঠতে অসুবিধা

* ঠোঁট বা মুখ নীলবর্ণ হয়ে যাওয়া।

চিকিৎসা আসার আগে ফেসমাক্স পরে নিতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলে, ৬ জনের মধ্যে ১ জনের অবস্থা হয় গুরুতর বয়স্ক লোক ও যাদের ক্রনিক অসুখ আছে যেমন ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ ও ক্রনিক শ্বাসযন্ত্রের রোগ, তাদের গুরুতর অসুখের ঝুঁকি বেশি।

আর করোনাভাইরাস সংক্রমিত এমন লোকদের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে এলে অথবা এমন কোনো এলাকা থেকে ভ্রমণ করে এসেছেন বা ছিলেন এমন হলে স্বাস্থ্য পরিচর্যা কেন্দ্রের পরামর্শ নিতে হবে।