পূজার ছুটিতে
jugantor
পূজার ছুটিতে

  ঘরেবাইরে প্রতিবেদক  

২০ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেখতে দেখতে চলে এলো মা দুর্গার আগমনের সময়। তাই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে চলছে মাকে বরণ করে নেয়ার নানা প্রস্তুতি। আর দুর্গাপূজা মানেই ঢাকের তালে তালে লাল পাড়ে সাদা শাড়ি কিংবা ধুতি-পাঞ্জাবিতে মাকে বরণ করে নেয়ার নানা উপলক্ষ। তাই দুর্গাপূজার ষষ্ঠী থেকে শুরু করে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী আর দশমীতে চলে সিঁদুর খেলা আর মাকে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আগামী বছর আবার মাকে নতুন করে নিজেদের মাঝে পাওয়ার দীর্ঘ অপেক্ষা। অন্যদিকে পূজা মানেই ছুটির একটি পর্ব। তাই অনেকে পূজার এ ছুটিতে পরিবার কিংবা প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার নানা পরিকল্পনা করে নিচ্ছেন ঝটপট। তবে গরমের এ সময় যতটা সম্ভব স্বস্তির সঙ্গে ঘোরাঘুরি কিংবা ভ্রমণের পরিকল্পনা রাখা আবশ্যক। এতে করে আপনি যেমন আরাম করে ছুটি উপভোগ করতে পারবেন, তেমনি ছুটি শেষে আবার কাজে যুক্ত হতে পারবেন প্রাণবন্তভাবে। তাই অল্প এ ছুটিতে আপনি চাইলে একদিনের ভ্রমণের পরিকল্পনা করে ফেলতে পারেন। আর এ তালিকায় রাখতে পারেন- সোনারগাঁর পানামনগর। ঢাকার খুব কাছে হওয়ায় আপনি চাইলে একদিনে ঘুরে আসতে পারেন প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে। আর কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া অতীতের স্মৃতি থেকেও ঘুরিয়ে আনতে পারেন নিজেকে। এছাড়া আপনি চাইলে একদিনের ভ্রমণের জন্য যেতে পারেন- মাওয়াঘাট, লালবাগ কেল্লা কিংবা আহসান মঞ্জিল। এসব জায়গা থেকে আপনি একদিনের মধ্যে ঘুরে আসতে পারেন। অন্যদিকে আপনার ছুটির পরিসর যদি কিছুটা বড় হয়ে থাকে তবে তাতে আপনি অনায়াসে যুক্ত করতে পারবেন- সাজেক কিংবা কক্সবাজারের মতো জায়গাগুলো। এছাড়া আপনি যদি হোন পাহাড়প্রেমী তাহলে যেতে পারেন বান্দরবান কিংবা সিলেট। তবে এ সময়ে আপনি যেখানেই ভ্রমণের পরিকল্পনা রাখেন না কেন পর্যাপ্ত পরিমাণে নিজেকে স্যানিটাইজ রাখা আর মাস্ক পরার বিষয়টি মাথায় রাখুন। গরমের এ সময় আমরা ঘুরতে বের হলে বাইরের খাবার যেমন- পানীয় থেকে শুরু করে মুখরোচক নান খাবার খেয়ে থাকি। এ সময় বাইরের খাবার না খাওয়াই উচিত। এছাড়া হঠাৎ এক পশলা বৃষ্টি যাতে আপনার ভ্রমণের পরিকল্পনায় বাধা হয়ে না দাঁড়ায় তাই ভ্রমণে সঙ্গী হিসেবে রাখতে পারেন ছাতা কিংবা রেইন কোট। আর বাইরের গরম থেকে বাঁচতে সঙ্গে রাখতে পারেন পানির বোতল। আর এভাবেই খুঁটিনাটি বিষয়গুলো মাথায় রেখে আপনি আপনার ভ্রমণকে করে তুলতে পারেন আনন্দময় আর স্মৃতির ফ্রেমে বন্দি করতে পারেন মিষ্টি মধুর সময়।

পূজার ছুটিতে

 ঘরেবাইরে প্রতিবেদক 
২০ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেখতে দেখতে চলে এলো মা দুর্গার আগমনের সময়। তাই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে চলছে মাকে বরণ করে নেয়ার নানা প্রস্তুতি। আর দুর্গাপূজা মানেই ঢাকের তালে তালে লাল পাড়ে সাদা শাড়ি কিংবা ধুতি-পাঞ্জাবিতে মাকে বরণ করে নেয়ার নানা উপলক্ষ। তাই দুর্গাপূজার ষষ্ঠী থেকে শুরু করে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী আর দশমীতে চলে সিঁদুর খেলা আর মাকে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আগামী বছর আবার মাকে নতুন করে নিজেদের মাঝে পাওয়ার দীর্ঘ অপেক্ষা। অন্যদিকে পূজা মানেই ছুটির একটি পর্ব। তাই অনেকে পূজার এ ছুটিতে পরিবার কিংবা প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার নানা পরিকল্পনা করে নিচ্ছেন ঝটপট। তবে গরমের এ সময় যতটা সম্ভব স্বস্তির সঙ্গে ঘোরাঘুরি কিংবা ভ্রমণের পরিকল্পনা রাখা আবশ্যক। এতে করে আপনি যেমন আরাম করে ছুটি উপভোগ করতে পারবেন, তেমনি ছুটি শেষে আবার কাজে যুক্ত হতে পারবেন প্রাণবন্তভাবে। তাই অল্প এ ছুটিতে আপনি চাইলে একদিনের ভ্রমণের পরিকল্পনা করে ফেলতে পারেন। আর এ তালিকায় রাখতে পারেন- সোনারগাঁর পানামনগর। ঢাকার খুব কাছে হওয়ায় আপনি চাইলে একদিনে ঘুরে আসতে পারেন প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে। আর কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া অতীতের স্মৃতি থেকেও ঘুরিয়ে আনতে পারেন নিজেকে। এছাড়া আপনি চাইলে একদিনের ভ্রমণের জন্য যেতে পারেন- মাওয়াঘাট, লালবাগ কেল্লা কিংবা আহসান মঞ্জিল। এসব জায়গা থেকে আপনি একদিনের মধ্যে ঘুরে আসতে পারেন। অন্যদিকে আপনার ছুটির পরিসর যদি কিছুটা বড় হয়ে থাকে তবে তাতে আপনি অনায়াসে যুক্ত করতে পারবেন- সাজেক কিংবা কক্সবাজারের মতো জায়গাগুলো। এছাড়া আপনি যদি হোন পাহাড়প্রেমী তাহলে যেতে পারেন বান্দরবান কিংবা সিলেট। তবে এ সময়ে আপনি যেখানেই ভ্রমণের পরিকল্পনা রাখেন না কেন পর্যাপ্ত পরিমাণে নিজেকে স্যানিটাইজ রাখা আর মাস্ক পরার বিষয়টি মাথায় রাখুন। গরমের এ সময় আমরা ঘুরতে বের হলে বাইরের খাবার যেমন- পানীয় থেকে শুরু করে মুখরোচক নান খাবার খেয়ে থাকি। এ সময় বাইরের খাবার না খাওয়াই উচিত। এছাড়া হঠাৎ এক পশলা বৃষ্টি যাতে আপনার ভ্রমণের পরিকল্পনায় বাধা হয়ে না দাঁড়ায় তাই ভ্রমণে সঙ্গী হিসেবে রাখতে পারেন ছাতা কিংবা রেইন কোট। আর বাইরের গরম থেকে বাঁচতে সঙ্গে রাখতে পারেন পানির বোতল। আর এভাবেই খুঁটিনাটি বিষয়গুলো মাথায় রেখে আপনি আপনার ভ্রমণকে করে তুলতে পারেন আনন্দময় আর স্মৃতির ফ্রেমে বন্দি করতে পারেন মিষ্টি মধুর সময়।