ঈদে সাজবে ছেলেরাও
jugantor
ঈদে সাজবে ছেলেরাও

  আঞ্জুমান আরা কেয়া  

১১ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঈদের দিন শুধু মেয়েরাই সাজগোজ করবে এমন ধারণা এখন বেশ পুরোনো। এদিন সাজগোজের প্রয়োজন রয়েছে ছেলেদেরও। কারণ যে কোনো উৎসব অনুষ্ঠানে সাধারণ সময়ের চেয়ে নিজেকে একটু বেশি পরিপাটি করে রাখা, নিজেকে সজীব ও স্মার্ট লুকে তুলে ধরা যেমন আপনার ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে তেমনি ভালোলাগা কাজ করে। তাই সাজগোজের প্রয়োজন রয়েছে ছেলেদেরও। ভাবছেন, বাইরে করোনা আতঙ্ক। ঈদটা তো ঘরেই কাটবে! তাতে কী? পরিপাটি লুকে ঘরোয়া ঈদটাকেই না হয় এবার পুরোদমে উৎসবমুখর করে তুলুন। নিজে আনন্দে থাকুন পরিবারের সদস্যদেরও আনন্দে রাখুন।

যদিও এখন কোলাকুলি করা মানা। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়াও নিরাপদ নয়। আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে গিয়ে হবে না সালাম করাও। তবুও তো ঈদ! যা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরে পালন করতে বাধা নেই। মানা নেই সাজগোজ করতেও।

ছেলেদের সাজ মানে কিন্তু মেকআপ করা নয়। ছেলেদের সাজ মানে নিজেকে সতেজ ও পরিপাটি রাখা। পোশাক-আশাক থেকে অনুষঙ্গ সবকিছুতেই রুচি আর ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলা। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ঈদের দিন ছেলেদের সাজগোজ ও ঈদের আগের প্রস্তুতি সম্পর্কে-

ঈদের আগের প্রস্তুতি

ঈদের দিন পরিপাটি থাকতে ঈদের আগে কিছু কাজ গুছিয়ে রাখুন। হাতে সময় কম। এখনই কাটিয়ে ফেলুন চুল। চুল কাটানোর ক্ষেত্রে নিজের চেহারার সঙ্গে ঠিকমতো মানিয়ে যায় এমন কাটিং বেছে নিন। সেইসঙ্গে হেয়ার ট্রিটমেন্ট করাতে চাইলে তাও সেরে ফেলুন এখনই। সে ক্ষেত্রে জেন্টস পার্লার বা সেলুন যেখানেই যান না কেন সেখানে যথেষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজটি করা হচ্ছে কিনা; ব্যবহৃত জিনিসপত্র ক্লিন করে নিয়ে পুনরায় ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা; এ বিষয়গুলোতে নজর রাখুন। বুঝেশুনে সেলুন নির্বাচন করুন। রোজা ও কর্মব্যস্ততার কারণে যদি হাত-পায়ের নখ কাটার কথা ভুলে গিয়ে থাকেন, তবে এবার এ দিকটিতে মনোযোগ দিন। পার্লারে গিয়ে এখন যেহেতু ফেসিয়াল কিংবা রূপচর্চা করা ততটা নিরাপদ নয়; তাই চুল কাটার ঝামেলা না থাকলে পার্লারে না গিয়ে ঈদের দু’একদিন আগে বাড়িতেই একটু ত্বকের যত্ন করে নিতে পারেন। এতে ঈদের দিন আপনাকে ফ্রেশ ও সতেজ লাগবে। ত্বকও কর্মব্যস্ততার ধকল কাটিয়ে উঠবে। সেইসঙ্গে মেনিকিউর, পেডিকিউর কিংবা হেয়ার স্পাও করে নিতে পারেন। এখন এ ধরনের রূপচর্চা খুব সহজে বাড়িতেই করা যায়।

ঈদের আগে দেখে নিন আপনার ঈদের পোশাক এবং তার সঙ্গে মিলিয়ে বিভিন্ন অনুষঙ্গ যেমন সুগন্ধি, ব্রেসলেট, চুলের জেলসহ সবকিছু ঠিকমতো কেনা হয়েছে কিনা; কিংবা পুরোনোটা দিয়ে চলে যাবে কিনা। এসব জিনিস একজায়গায় গুছিয়ে রাখুন। তাহলে ঈদের দিন সাজগোজের প্রয়োজনীয় জিনিস খুঁজে না পাওয়ার বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না। নতুন টুপি কিনতে চাইলে সেটা কেনা হয়েছে কিনা দেখে নিন।

সতেজ সকাল

ঈদের দিন সকালে টমেটো রস দিয়ে ত্বক ম্যাসাজ করে ধুয়ে নিলে ফ্রেশ লাগবে। এরপর গোসল সেরে নামাজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিন। ঈদের নামাজের জন্য পাঞ্জাবির বিকল্প নেই। বাচ্চা থেকে শুরু করে বয়স্ক পর্যন্ত ঈদের সকালের পোশাক হিসাবে বেছে নেন পাঞ্জাবি। নামাজের পাঞ্জাবির জন্য হালকা রং বেছে নেওয়া উত্তম। শুধু রং নয়, নকশাটাও হালকা হলে ভালো লাগবে। পাঞ্জাবির সঙ্গে সাদা রঙের পায়জামা মানানসই হবে নামাজের জন্য। নামাজে যাওয়ার জন্য সুগন্ধি হিসাবে ব্যবহার করুন আতর। আতরের ক্ষেত্রে হালকা ঘ্রাণ প্রাধান্য দিন। দিনের সাজে চুল জেল দিয়ে সেট করতে পারেন।

অলস দুপুরে

অন্যান্য বছর ঈদের সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সাধারণত বাড়িতে থাকতে পছন্দ করে ছেলেরা। করোনার কারণে এবার তো সারা দিনই বাড়িতে কাটবে। দিনের এ সময়টা সাধারণ তেমন একটা কাজের চাপ থাকে না। টিভি দেখে বা নিজের মতো করে সময় কাটানো যেতে পারে। এ সময়ও পরা যেতে পারে পায়জামা-পাঞ্জাবি। সকালে সাদা পরলে এ বেলায় তার চেয়ে একটু গাঢ় রং পরতে পারেন। পরতে পারেন ফুলেল প্রিন্ট কিংবা যে কোনো প্রিন্টের পাঞ্জাবি। প্রিন্ট পরতে না চাইলে হাতের কাজ কিংবা হালকা এম্ব্রয়ডারি নকশার পাঞ্জাবি তো আছেই। পাঞ্জাবি পরলে তার সঙ্গে নরমাল পায়জামা না পরে চুড়িদার পরলে মানাবে। ক্যাজুয়াল শার্ট-প্যান্টও পরা যেতে পারেন নামাজের পর। আবার একদম আরামের পোশাক পরতে চাইলে টি-শার্ট, জিন্স তো আছেই।

হালকা সাজ আড্ডাতে বিকাল

ঈদের বিকালে ভালো লাগবে হালকা রং নকশার শার্টের সঙ্গে উজ্জ্বল রঙের গ্যাবাডিং প্যান্ট। এক হাতে ঘড়ির সঙ্গে অন্য হাতে ব্রেসলেট কিংবা রিস্টব্যান্ড। পরতে পারেন রঙিন টি-শার্টও। আবার দুপুরের পোশাকেও এ সময়টা কাটিয়ে দেওয়া যেতে পারে। একঘেয়েমি কাটাতে বিকালে একটু ছাদে ঘুরে আসতে পারেন। কিংবা বাসার পাশে বা নিচে এমন কোথাও থেকে সামান্য সময়ের জন্য হেঁটেও আসতে পারে। তবে অবশ্যই তা যেন কয়েকজন মিলে আড্ডা বা জনকোলাহলপূর্ণ জায়গা না হয়। বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরে যেতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এ সময়টাতে স্লিপার বা পছন্দমতো আরমদায়ক স্যান্ডেল চড়াতে পারেন পায়ে।

রাতে জমকালো লুকে

ঈদের সন্ধ্যা কিংবা রাতে পরিবারের সদস্যরা মিলে ঘরোয়া আড্ডা, গল্পগুজবে মেতে উঠতে পারেন। সঙ্গে ভিডিওকল, সেলফি, ফটোসেশনটাও হয়ে যেতে পারে এ সময়টাতে। সেইসঙ্গে মা, বোন কিংবা স্ত্রীকে সান্ধ্যভোজ প্রস্তুত করতে কিছুটা সহযোগিতাও করতে পারেন। সুন্দর সময় কাটবে। ঈদের রাতের সাজে শার্ট-প্যান্টের ফরমাল লুক কিংবা গর্জিয়াস পাঞ্জাবির পার্টি লুকে থাকতে পারেন। চুলটা জেল সেট, হাতে ব্রেসলেট, ঘড়ি, কড়া সুগন্ধি রাতের জন্য পারফেক্ট। পোশাক বা অনুষঙ্গ যেমনই হোক তা যেন সারা দিনের চেয়ে একটু গর্জিয়াস লুক আনে সেদিকে দৃষ্টি দিন। কারণ ঈদের রাত মানেই দাওয়াত আর গর্জিয়াস সাজে ফুরফুরে পার্টি আমেজ। ঈদের রাতে বাইরের সেই আমেজটি এবার না হয় বজায় থাকুক ঘরেতেই।

ঈদে সাজবে ছেলেরাও

 আঞ্জুমান আরা কেয়া 
১১ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঈদের দিন শুধু মেয়েরাই সাজগোজ করবে এমন ধারণা এখন বেশ পুরোনো। এদিন সাজগোজের প্রয়োজন রয়েছে ছেলেদেরও। কারণ যে কোনো উৎসব অনুষ্ঠানে সাধারণ সময়ের চেয়ে নিজেকে একটু বেশি পরিপাটি করে রাখা, নিজেকে সজীব ও স্মার্ট লুকে তুলে ধরা যেমন আপনার ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে তেমনি ভালোলাগা কাজ করে। তাই সাজগোজের প্রয়োজন রয়েছে ছেলেদেরও। ভাবছেন, বাইরে করোনা আতঙ্ক। ঈদটা তো ঘরেই কাটবে! তাতে কী? পরিপাটি লুকে ঘরোয়া ঈদটাকেই না হয় এবার পুরোদমে উৎসবমুখর করে তুলুন। নিজে আনন্দে থাকুন পরিবারের সদস্যদেরও আনন্দে রাখুন।

যদিও এখন কোলাকুলি করা মানা। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়াও নিরাপদ নয়। আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে গিয়ে হবে না সালাম করাও। তবুও তো ঈদ! যা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরে পালন করতে বাধা নেই। মানা নেই সাজগোজ করতেও।

ছেলেদের সাজ মানে কিন্তু মেকআপ করা নয়। ছেলেদের সাজ মানে নিজেকে সতেজ ও পরিপাটি রাখা। পোশাক-আশাক থেকে অনুষঙ্গ সবকিছুতেই রুচি আর ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলা। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ঈদের দিন ছেলেদের সাজগোজ ও ঈদের আগের প্রস্তুতি সম্পর্কে-

ঈদের আগের প্রস্তুতি

ঈদের দিন পরিপাটি থাকতে ঈদের আগে কিছু কাজ গুছিয়ে রাখুন। হাতে সময় কম। এখনই কাটিয়ে ফেলুন চুল। চুল কাটানোর ক্ষেত্রে নিজের চেহারার সঙ্গে ঠিকমতো মানিয়ে যায় এমন কাটিং বেছে নিন। সেইসঙ্গে হেয়ার ট্রিটমেন্ট করাতে চাইলে তাও সেরে ফেলুন এখনই। সে ক্ষেত্রে জেন্টস পার্লার বা সেলুন যেখানেই যান না কেন সেখানে যথেষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজটি করা হচ্ছে কিনা; ব্যবহৃত জিনিসপত্র ক্লিন করে নিয়ে পুনরায় ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা; এ বিষয়গুলোতে নজর রাখুন। বুঝেশুনে সেলুন নির্বাচন করুন। রোজা ও কর্মব্যস্ততার কারণে যদি হাত-পায়ের নখ কাটার কথা ভুলে গিয়ে থাকেন, তবে এবার এ দিকটিতে মনোযোগ দিন। পার্লারে গিয়ে এখন যেহেতু ফেসিয়াল কিংবা রূপচর্চা করা ততটা নিরাপদ নয়; তাই চুল কাটার ঝামেলা না থাকলে পার্লারে না গিয়ে ঈদের দু’একদিন আগে বাড়িতেই একটু ত্বকের যত্ন করে নিতে পারেন। এতে ঈদের দিন আপনাকে ফ্রেশ ও সতেজ লাগবে। ত্বকও কর্মব্যস্ততার ধকল কাটিয়ে উঠবে। সেইসঙ্গে মেনিকিউর, পেডিকিউর কিংবা হেয়ার স্পাও করে নিতে পারেন। এখন এ ধরনের রূপচর্চা খুব সহজে বাড়িতেই করা যায়।

ঈদের আগে দেখে নিন আপনার ঈদের পোশাক এবং তার সঙ্গে মিলিয়ে বিভিন্ন অনুষঙ্গ যেমন সুগন্ধি, ব্রেসলেট, চুলের জেলসহ সবকিছু ঠিকমতো কেনা হয়েছে কিনা; কিংবা পুরোনোটা দিয়ে চলে যাবে কিনা। এসব জিনিস একজায়গায় গুছিয়ে রাখুন। তাহলে ঈদের দিন সাজগোজের প্রয়োজনীয় জিনিস খুঁজে না পাওয়ার বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না। নতুন টুপি কিনতে চাইলে সেটা কেনা হয়েছে কিনা দেখে নিন।

সতেজ সকাল

ঈদের দিন সকালে টমেটো রস দিয়ে ত্বক ম্যাসাজ করে ধুয়ে নিলে ফ্রেশ লাগবে। এরপর গোসল সেরে নামাজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিন। ঈদের নামাজের জন্য পাঞ্জাবির বিকল্প নেই। বাচ্চা থেকে শুরু করে বয়স্ক পর্যন্ত ঈদের সকালের পোশাক হিসাবে বেছে নেন পাঞ্জাবি। নামাজের পাঞ্জাবির জন্য হালকা রং বেছে নেওয়া উত্তম। শুধু রং নয়, নকশাটাও হালকা হলে ভালো লাগবে। পাঞ্জাবির সঙ্গে সাদা রঙের পায়জামা মানানসই হবে নামাজের জন্য। নামাজে যাওয়ার জন্য সুগন্ধি হিসাবে ব্যবহার করুন আতর। আতরের ক্ষেত্রে হালকা ঘ্রাণ প্রাধান্য দিন। দিনের সাজে চুল জেল দিয়ে সেট করতে পারেন।

অলস দুপুরে

অন্যান্য বছর ঈদের সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সাধারণত বাড়িতে থাকতে পছন্দ করে ছেলেরা। করোনার কারণে এবার তো সারা দিনই বাড়িতে কাটবে। দিনের এ সময়টা সাধারণ তেমন একটা কাজের চাপ থাকে না। টিভি দেখে বা নিজের মতো করে সময় কাটানো যেতে পারে। এ সময়ও পরা যেতে পারে পায়জামা-পাঞ্জাবি। সকালে সাদা পরলে এ বেলায় তার চেয়ে একটু গাঢ় রং পরতে পারেন। পরতে পারেন ফুলেল প্রিন্ট কিংবা যে কোনো প্রিন্টের পাঞ্জাবি। প্রিন্ট পরতে না চাইলে হাতের কাজ কিংবা হালকা এম্ব্রয়ডারি নকশার পাঞ্জাবি তো আছেই। পাঞ্জাবি পরলে তার সঙ্গে নরমাল পায়জামা না পরে চুড়িদার পরলে মানাবে। ক্যাজুয়াল শার্ট-প্যান্টও পরা যেতে পারেন নামাজের পর। আবার একদম আরামের পোশাক পরতে চাইলে টি-শার্ট, জিন্স তো আছেই।

হালকা সাজ আড্ডাতে বিকাল

ঈদের বিকালে ভালো লাগবে হালকা রং নকশার শার্টের সঙ্গে উজ্জ্বল রঙের গ্যাবাডিং প্যান্ট। এক হাতে ঘড়ির সঙ্গে অন্য হাতে ব্রেসলেট কিংবা রিস্টব্যান্ড। পরতে পারেন রঙিন টি-শার্টও। আবার দুপুরের পোশাকেও এ সময়টা কাটিয়ে দেওয়া যেতে পারে। একঘেয়েমি কাটাতে বিকালে একটু ছাদে ঘুরে আসতে পারেন। কিংবা বাসার পাশে বা নিচে এমন কোথাও থেকে সামান্য সময়ের জন্য হেঁটেও আসতে পারে। তবে অবশ্যই তা যেন কয়েকজন মিলে আড্ডা বা জনকোলাহলপূর্ণ জায়গা না হয়। বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরে যেতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এ সময়টাতে স্লিপার বা পছন্দমতো আরমদায়ক স্যান্ডেল চড়াতে পারেন পায়ে।

রাতে জমকালো লুকে

ঈদের সন্ধ্যা কিংবা রাতে পরিবারের সদস্যরা মিলে ঘরোয়া আড্ডা, গল্পগুজবে মেতে উঠতে পারেন। সঙ্গে ভিডিওকল, সেলফি, ফটোসেশনটাও হয়ে যেতে পারে এ সময়টাতে। সেইসঙ্গে মা, বোন কিংবা স্ত্রীকে সান্ধ্যভোজ প্রস্তুত করতে কিছুটা সহযোগিতাও করতে পারেন। সুন্দর সময় কাটবে। ঈদের রাতের সাজে শার্ট-প্যান্টের ফরমাল লুক কিংবা গর্জিয়াস পাঞ্জাবির পার্টি লুকে থাকতে পারেন। চুলটা জেল সেট, হাতে ব্রেসলেট, ঘড়ি, কড়া সুগন্ধি রাতের জন্য পারফেক্ট। পোশাক বা অনুষঙ্গ যেমনই হোক তা যেন সারা দিনের চেয়ে একটু গর্জিয়াস লুক আনে সেদিকে দৃষ্টি দিন। কারণ ঈদের রাত মানেই দাওয়াত আর গর্জিয়াস সাজে ফুরফুরে পার্টি আমেজ। ঈদের রাতে বাইরের সেই আমেজটি এবার না হয় বজায় থাকুক ঘরেতেই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন