বন্ধু ছাড়া কি বাঁচা যায়
jugantor
বন্ধু ছাড়া কি বাঁচা যায়

  কেয়া আমান  

২৭ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বন্ধুত্ব তো তা-ই, যাকে নিক্তি দিয়ে মাপা যায় না। প্রকাশ করা যায় না সংজ্ঞা দিয়ে। ‘বন্ধু’-শব্দটি যতই ছোট হোক, কিন্তু এর গভীরতা আর ব্যাপ্তি অনেক বেশি। বিশ্বাস আর নির্ভরতার প্রতীক বন্ধুত্বের সম্পর্কটি উদযাপন করতে প্রতি বছর আগস্টের প্রথম রোববার পালিত হয় বিশ্ব বন্ধু দিবস।

বন্ধু কাকে বলে বা বন্ধুর আসল মানে ঠিক কী-এ কথা জিজ্ঞেস করলে স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন রকম উত্তর আসবে। কেউ কেউ বলবেন, বন্ধু তো বন্ধুই। কোনো নির্দিষ্ট মাপকাঠি দিয়ে বন্ধুকে মাপা যায় না। ঠিক তাই। বন্ধু মানে এমন একজন, যাকে নির্দ্বিধায় মনের সব কথা বলা যায়, যার সঙ্গে নিজের কষ্ট ভাগ করা যায়, যে পাশে থাকলে পৃথিবী জয়ের সাহস পাওয়া যায়। মা-বাবার সঙ্গে যে কথাগুলো শেয়ার করা যায় না, তা নির্দ্বিধায় প্রিয় বন্ধুটিকে শেয়ার করে হালকা হওয়া যায়।

কথিত আছে, শ্রীকৃষ্ণকে একবার বন্ধুত্ব আর প্রেমের মধ্যে কোনটির মূল্য বেশি বলে প্রশ্ন করা হলে তিনি জবাব দেন, প্রেম হলো সোনার মতো, যা ভেঙে গেলে আবার নতুন করে গড়া যায়। কিন্তু বন্ধুত্ব হলো হীরার মতো, যা একবার ভেঙে গেলে আর গড়া যায় না। অবশ্যই বন্ধুত্ব বেশি মূল্যবান।’ এই সুরে সুর মিলিয়েছেন অনেক বরেণ্য ব্যক্তিরাও!

দুঃসময়ে যখন কেউ আমাদের ব্যথা বুঝতে চায় না, তখনো সত্যিকারের বন্ধু আমাদের পাশে থাকেন। জীবনের এ দুঃসময়গুলোতে বন্ধুদের অবদানের কথা ভেবেই হয়তো গায়ক তুপু গেয়েছেন, তোরা ছিলি, তোরা আছিস জানি তোরাই থাকবি...বন্ধু...বোঝে আমাকে।

বন্ধু মানে একই সুরে গান, বন্ধু মানে অকারণে মান-অভিমান। বন্ধু মানে হতাশার সাগরে একটুখানি আশা, বন্ধু মানে এক বুক ভালোবাসা। ‘পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর সম্পর্কটির নাম বন্ধুত্ব’-এরিস্টটলের এ চিরসত্য বাক্যটির গভীরতা কতটা, তা তখনই বোঝা যায় যখন জীবনে খুঁজে পাওয়া যায় সত্যিকারের একজন বন্ধু। বন্ধুত্ব মানে বিশ্বাস, বন্ধুত্ব মানে পরস্পরের মাঝে সহযোগিতা, বন্ধুত্ব মানে বিপদে পাশে থাকা, সুখে-দুঃখে এক থাকা। জীবনের কোনো বাঁকে নয়, বন্ধুত্বের ব্যাপ্তি সারা জীবন।

তবে শুধু বন্ধু হলেই হবে না, বুঝতে হবে সে প্রকৃত বন্ধু কিনা। সম্পর্কের টানাপোড়েনে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে। তবে প্রকৃত বন্ধু হচ্ছে সেই যে সুখের সময় যেমন হাসিমুখে পাশে থাকে, ঠিক তেমনি দুঃখের দিনগুলোতেও লড়াইয়ের সাহস জোগায়। আপনার যে কোনো সমস্যায় যে কোনো সময় কাছের বন্ধুটি ছুটে আসবে সবার আগে। জীবনে হাতেগোনা ৪-৫ জন পাবেন যারা সাফল্য-ব্যর্থতা দিয়ে আপনাকে বিচার করবে না। সবচেয়ে ভালো বন্ধুটি হবে তাদের একজন। আপনার গুরুত্বহীন, সার্থক-নিরর্থক যত ধরনের কথা আছে, তা সবচেয়ে মনোযোগ দিয়ে শুনবে সবচেয়ে কাছের বন্ধুটিই।

বন্ধুমানে একটি মানুষের পরিবর্তনের চাবিকাঠি। ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটস অ্যাপ ইত্যাদির কল্যাণে এখন বন্ধু হওয়া বা পাওয়াটা অনেক সহজ। তবে শুধু দূরালাপনীতে কথা বলে বা চ্যাটিং করে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের সম্পর্ক আসলেই প্রকৃত বন্ধুত্ব কিনা তা জেনে বুঝে নিন। বন্ধুর চরিত্রের প্রভাব পড়বে আপনার ওপরও। একজন ভালো বন্ধু যেমন আপনার জীবনে আলো ছড়াতে পারে তেমনি জীবন প্রদীপ নেভাতেও পারে। কয়েক বছর আগে গুলশান, কল্যাণপুরে পুলিশের অভিযানে নিহত জঙ্গিদের চেয়ে এর বড় প্রমাণ আর কী হতে পারে। যেখানে অনেকেই অনেকের বন্ধু ছিল। তবে তাদের শেষ পরিণতি হয়েছে ভয়ংকর মৃত্যু। বন্ধুত্ব করে বিপদে ফেলার এ রকম আরও অনেক উদাহরণ মাঝে মধ্যেই পত্রিকাসহ বিভিন্ন সংবাদে পাওয়া যায়। তাই বন্ধু নির্বাচনে খুব বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

বন্ধু যে সব সময়ই তুই করে বলা সমবয়সিরাই হয়, তা কিন্তু নয়, বন্ধু হতে পারে যে কেউ। আপনার সব থেকে কাছের মানুষটি যেমন আপনার বন্ধু হতে পারে, তেমনি বাবা-মা কিংবা ছোট ভাই-বোনও বন্ধু হতে পারে। আবার জীবনের নানা বাঁকে পরিচয় হওয়া বয়সে অনেক বড় কিংবা ছোট কেউও হতে পারে আপনার অন্তরঙ্গ বন্ধু। শিক্ষা জীবনে শুধু একজন বা দু’জন নয়, কয়েকজন মিলেও তৈরি হতে পারে গ্রুপভিত্তিক বন্ধুত্ব। তবে এ ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি হওয়ার সম্ভাবনাটাই বেশি থাকে। তাই গ্রুপভিত্তিক বন্ধুত্বে গ্রুপের সবাই নিজেদের মধ্যে স্বচ্ছ থাকার চেষ্টা করা উচিত।

আসছে বন্ধু দিবস উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যেই হয়তো অনেকেই অনেক রকম পরিকল্পনা করেছেন। কেউ হয়তো প্রিয় বন্ধুর জন্য কিনছেন উপহারও। আবার অনেকেই হয়তো কাজের ব্যস্ততায় কী করবেন, এখনো ঠিক করে উঠতে পারেননি। আসছে বন্ধু দিবসে বন্ধুত্বকে বর্ণিল করে রাখতে বন্ধুকে উপহার দিতে পারেন বই, ফুল, কার্ড, ফ্রেন্ডশিপ ব্যান্ড, মগ, ফটোফ্রেম, চাবির রিং, রিস্ট ব্যান্ড, ইন্ডোরপ্ল্যান্ট, পোশাকসহ নানা কিছু। এ বিশেষ দিনে বন্ধুকে একটি সুন্দর খামে খুদেবার্তা পাঠিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে পারেন। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে বন্ধুর উদ্দেশ্যে লিখতে পারেন দুটি লাইন। বিশেষ দিনে পাঠানো এসব শুভেচ্ছা বার্তা উপহারের চেয়ে কম কিসে! করোনাকালীন একসঙ্গে দেখা করে আড্ডা দেওয়ার সুযোগ না মিললেও বা আড্ডা না দিয়ে, ঘুরতে না গিয়ে, এ বছর ভিডিও কলে জমিয়ে গ্রুপ আড্ডা দিতে পারেন। প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে যদি আপনার এখন মান অভিমান চলে তবে বিশেষ এ দিনটিতে তা চুকিয়ে ফেলুন। মনের কথাগুলো জানিয়ে বন্ধু দিবসের প্রথম প্রহরে অভিমানী বন্ধুটিকে পাঠিয়ে দিন একটি খুদেবার্তা। ফোনে কথা বলে মান-অভিমানের পর্ব চুকিয়ে ফেলতেও কিন্তু এরচেয়ে ভালো দিন আর হয় না। তবে অনাবিল বন্ধুত্বের বাঁধন অটুট রাখতে এর চেয়েও ভালো দিন বছরের প্রতিটি দিন।

বন্ধু ছাড়া কি বাঁচা যায়

 কেয়া আমান 
২৭ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বন্ধুত্ব তো তা-ই, যাকে নিক্তি দিয়ে মাপা যায় না। প্রকাশ করা যায় না সংজ্ঞা দিয়ে। ‘বন্ধু’-শব্দটি যতই ছোট হোক, কিন্তু এর গভীরতা আর ব্যাপ্তি অনেক বেশি। বিশ্বাস আর নির্ভরতার প্রতীক বন্ধুত্বের সম্পর্কটি উদযাপন করতে প্রতি বছর আগস্টের প্রথম রোববার পালিত হয় বিশ্ব বন্ধু দিবস।

বন্ধু কাকে বলে বা বন্ধুর আসল মানে ঠিক কী-এ কথা জিজ্ঞেস করলে স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন রকম উত্তর আসবে। কেউ কেউ বলবেন, বন্ধু তো বন্ধুই। কোনো নির্দিষ্ট মাপকাঠি দিয়ে বন্ধুকে মাপা যায় না। ঠিক তাই। বন্ধু মানে এমন একজন, যাকে নির্দ্বিধায় মনের সব কথা বলা যায়, যার সঙ্গে নিজের কষ্ট ভাগ করা যায়, যে পাশে থাকলে পৃথিবী জয়ের সাহস পাওয়া যায়। মা-বাবার সঙ্গে যে কথাগুলো শেয়ার করা যায় না, তা নির্দ্বিধায় প্রিয় বন্ধুটিকে শেয়ার করে হালকা হওয়া যায়।

কথিত আছে, শ্রীকৃষ্ণকে একবার বন্ধুত্ব আর প্রেমের মধ্যে কোনটির মূল্য বেশি বলে প্রশ্ন করা হলে তিনি জবাব দেন, প্রেম হলো সোনার মতো, যা ভেঙে গেলে আবার নতুন করে গড়া যায়। কিন্তু বন্ধুত্ব হলো হীরার মতো, যা একবার ভেঙে গেলে আর গড়া যায় না। অবশ্যই বন্ধুত্ব বেশি মূল্যবান।’ এই সুরে সুর মিলিয়েছেন অনেক বরেণ্য ব্যক্তিরাও!

দুঃসময়ে যখন কেউ আমাদের ব্যথা বুঝতে চায় না, তখনো সত্যিকারের বন্ধু আমাদের পাশে থাকেন। জীবনের এ দুঃসময়গুলোতে বন্ধুদের অবদানের কথা ভেবেই হয়তো গায়ক তুপু গেয়েছেন, তোরা ছিলি, তোরা আছিস জানি তোরাই থাকবি...বন্ধু...বোঝে আমাকে।

বন্ধু মানে একই সুরে গান, বন্ধু মানে অকারণে মান-অভিমান। বন্ধু মানে হতাশার সাগরে একটুখানি আশা, বন্ধু মানে এক বুক ভালোবাসা। ‘পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর সম্পর্কটির নাম বন্ধুত্ব’-এরিস্টটলের এ চিরসত্য বাক্যটির গভীরতা কতটা, তা তখনই বোঝা যায় যখন জীবনে খুঁজে পাওয়া যায় সত্যিকারের একজন বন্ধু। বন্ধুত্ব মানে বিশ্বাস, বন্ধুত্ব মানে পরস্পরের মাঝে সহযোগিতা, বন্ধুত্ব মানে বিপদে পাশে থাকা, সুখে-দুঃখে এক থাকা। জীবনের কোনো বাঁকে নয়, বন্ধুত্বের ব্যাপ্তি সারা জীবন।

তবে শুধু বন্ধু হলেই হবে না, বুঝতে হবে সে প্রকৃত বন্ধু কিনা। সম্পর্কের টানাপোড়েনে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে। তবে প্রকৃত বন্ধু হচ্ছে সেই যে সুখের সময় যেমন হাসিমুখে পাশে থাকে, ঠিক তেমনি দুঃখের দিনগুলোতেও লড়াইয়ের সাহস জোগায়। আপনার যে কোনো সমস্যায় যে কোনো সময় কাছের বন্ধুটি ছুটে আসবে সবার আগে। জীবনে হাতেগোনা ৪-৫ জন পাবেন যারা সাফল্য-ব্যর্থতা দিয়ে আপনাকে বিচার করবে না। সবচেয়ে ভালো বন্ধুটি হবে তাদের একজন। আপনার গুরুত্বহীন, সার্থক-নিরর্থক যত ধরনের কথা আছে, তা সবচেয়ে মনোযোগ দিয়ে শুনবে সবচেয়ে কাছের বন্ধুটিই।

বন্ধুমানে একটি মানুষের পরিবর্তনের চাবিকাঠি। ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটস অ্যাপ ইত্যাদির কল্যাণে এখন বন্ধু হওয়া বা পাওয়াটা অনেক সহজ। তবে শুধু দূরালাপনীতে কথা বলে বা চ্যাটিং করে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের সম্পর্ক আসলেই প্রকৃত বন্ধুত্ব কিনা তা জেনে বুঝে নিন। বন্ধুর চরিত্রের প্রভাব পড়বে আপনার ওপরও। একজন ভালো বন্ধু যেমন আপনার জীবনে আলো ছড়াতে পারে তেমনি জীবন প্রদীপ নেভাতেও পারে। কয়েক বছর আগে গুলশান, কল্যাণপুরে পুলিশের অভিযানে নিহত জঙ্গিদের চেয়ে এর বড় প্রমাণ আর কী হতে পারে। যেখানে অনেকেই অনেকের বন্ধু ছিল। তবে তাদের শেষ পরিণতি হয়েছে ভয়ংকর মৃত্যু। বন্ধুত্ব করে বিপদে ফেলার এ রকম আরও অনেক উদাহরণ মাঝে মধ্যেই পত্রিকাসহ বিভিন্ন সংবাদে পাওয়া যায়। তাই বন্ধু নির্বাচনে খুব বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

বন্ধু যে সব সময়ই তুই করে বলা সমবয়সিরাই হয়, তা কিন্তু নয়, বন্ধু হতে পারে যে কেউ। আপনার সব থেকে কাছের মানুষটি যেমন আপনার বন্ধু হতে পারে, তেমনি বাবা-মা কিংবা ছোট ভাই-বোনও বন্ধু হতে পারে। আবার জীবনের নানা বাঁকে পরিচয় হওয়া বয়সে অনেক বড় কিংবা ছোট কেউও হতে পারে আপনার অন্তরঙ্গ বন্ধু। শিক্ষা জীবনে শুধু একজন বা দু’জন নয়, কয়েকজন মিলেও তৈরি হতে পারে গ্রুপভিত্তিক বন্ধুত্ব। তবে এ ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি হওয়ার সম্ভাবনাটাই বেশি থাকে। তাই গ্রুপভিত্তিক বন্ধুত্বে গ্রুপের সবাই নিজেদের মধ্যে স্বচ্ছ থাকার চেষ্টা করা উচিত।

আসছে বন্ধু দিবস উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যেই হয়তো অনেকেই অনেক রকম পরিকল্পনা করেছেন। কেউ হয়তো প্রিয় বন্ধুর জন্য কিনছেন উপহারও। আবার অনেকেই হয়তো কাজের ব্যস্ততায় কী করবেন, এখনো ঠিক করে উঠতে পারেননি। আসছে বন্ধু দিবসে বন্ধুত্বকে বর্ণিল করে রাখতে বন্ধুকে উপহার দিতে পারেন বই, ফুল, কার্ড, ফ্রেন্ডশিপ ব্যান্ড, মগ, ফটোফ্রেম, চাবির রিং, রিস্ট ব্যান্ড, ইন্ডোরপ্ল্যান্ট, পোশাকসহ নানা কিছু। এ বিশেষ দিনে বন্ধুকে একটি সুন্দর খামে খুদেবার্তা পাঠিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে পারেন। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে বন্ধুর উদ্দেশ্যে লিখতে পারেন দুটি লাইন। বিশেষ দিনে পাঠানো এসব শুভেচ্ছা বার্তা উপহারের চেয়ে কম কিসে! করোনাকালীন একসঙ্গে দেখা করে আড্ডা দেওয়ার সুযোগ না মিললেও বা আড্ডা না দিয়ে, ঘুরতে না গিয়ে, এ বছর ভিডিও কলে জমিয়ে গ্রুপ আড্ডা দিতে পারেন। প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে যদি আপনার এখন মান অভিমান চলে তবে বিশেষ এ দিনটিতে তা চুকিয়ে ফেলুন। মনের কথাগুলো জানিয়ে বন্ধু দিবসের প্রথম প্রহরে অভিমানী বন্ধুটিকে পাঠিয়ে দিন একটি খুদেবার্তা। ফোনে কথা বলে মান-অভিমানের পর্ব চুকিয়ে ফেলতেও কিন্তু এরচেয়ে ভালো দিন আর হয় না। তবে অনাবিল বন্ধুত্বের বাঁধন অটুট রাখতে এর চেয়েও ভালো দিন বছরের প্রতিটি দিন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন