ঘরে বসেই দেখুন জমির খতিয়ান
jugantor
ঘরে বসেই দেখুন জমির খতিয়ান

  জাহাঙ্গীর আলম মাসুম  

৩১ আগস্ট ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষে আমাদের জীবন হয়েছে সহজ ও সুন্দর। এখন আর একটি তথ্য জানার জন্য দূরদূরান্তে ছুটে বেড়াতে হয় না। ঘরে বসেই পাওয়া যায় অতীব গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য। ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই জমির মালিকানা যাচাই এবং খতিয়ান বা পর্চা বের করতে পারি।

খতিয়ান বা পর্চা কী?

খতিয়ান যা পর্চাও তাই অর্থাৎ খতিয়ান ও পর্চা একই জিনিস। রাষ্ট্রীয়ভাবে করা জরিপের মাধ্যমে জমিজমার মৌজাভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত সরকারি দলিলকে খতিয়ান বলে। আইনের ভাষায় খতিয়ান হলো-জরিপের বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে চূড়ান্তভাবে বাংলাদেশ ফরম নং-৫৪৬২ (সংশোধিত)তে ভূমির মালিকানা/দাগের বর্ণনাসহ যে নথি চিত্র প্রকাশিত হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে মৌজার দাগ অনুসারে এক বা একাধিক ভূমি মালিকের নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, মালিকানার বিবরণ, জমির বিবরণ, মৌজা নম্বর, মৌজার ক্রমিক নম্বর (জেএল নম্বর), সীমানা, জমির শ্রেণি, দখলকারীর নাম, অংশ ইত্যাদি উল্লেখ থাকে। মূলত জমির প্রকৃত মালিকের কাছ থেকে খাজনা আদায় করার জন্য বাংলাদেশ সরকার খতিয়ান নং প্রস্তুত করে।

খতিয়ান নম্বর কী?

প্রতিটি খতিয়ানকে আলাদা আলাদাভাবে শনাক্ত করার জন্য খতিয়ানের জন্য ইউনিক নাম্বার বরাদ্দ করা হয়। ফলে খতিয়ান নম্বর দিয়ে সহজে খতিয়ান শনাক্ত করা যায়। সাধারণভাবে একটি মৌজার ভেতরে একজন মালিকের যতগুলো দাগের জমি থাকে সবগুলো একত্রিত করে একই খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মূলত সহজে জমির মালিক শনাক্ত করার জন্য খতিয়ান নম্বর ব্যবহৃত হয়।

অনলাইনের মাধ্যমে জমির পর্চা বা খতিয়ান কীভাবে পাবেন :

ঘরে বসেই অনলাইনে জমির খতিয়ান বা পর্চা পেতে হলে ভূমি মন্ত্রণালয়ের https://eporcha.gov.bd/khatian লিঙ্কে প্রবেশ করে চাহিত তথ্য প্রদান করলেই পেয়ে যাবেন জমির প্রকৃত মালিকের পরিচয়।

ঘরে বসেই দেখুন জমির খতিয়ান

 জাহাঙ্গীর আলম মাসুম 
৩১ আগস্ট ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষে আমাদের জীবন হয়েছে সহজ ও সুন্দর। এখন আর একটি তথ্য জানার জন্য দূরদূরান্তে ছুটে বেড়াতে হয় না। ঘরে বসেই পাওয়া যায় অতীব গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য। ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই জমির মালিকানা যাচাই এবং খতিয়ান বা পর্চা বের করতে পারি।

খতিয়ান বা পর্চা কী?

খতিয়ান যা পর্চাও তাই অর্থাৎ খতিয়ান ও পর্চা একই জিনিস। রাষ্ট্রীয়ভাবে করা জরিপের মাধ্যমে জমিজমার মৌজাভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত সরকারি দলিলকে খতিয়ান বলে। আইনের ভাষায় খতিয়ান হলো-জরিপের বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে চূড়ান্তভাবে বাংলাদেশ ফরম নং-৫৪৬২ (সংশোধিত)তে ভূমির মালিকানা/দাগের বর্ণনাসহ যে নথি চিত্র প্রকাশিত হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে মৌজার দাগ অনুসারে এক বা একাধিক ভূমি মালিকের নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, মালিকানার বিবরণ, জমির বিবরণ, মৌজা নম্বর, মৌজার ক্রমিক নম্বর (জেএল নম্বর), সীমানা, জমির শ্রেণি, দখলকারীর নাম, অংশ ইত্যাদি উল্লেখ থাকে। মূলত জমির প্রকৃত মালিকের কাছ থেকে খাজনা আদায় করার জন্য বাংলাদেশ সরকার খতিয়ান নং প্রস্তুত করে।

খতিয়ান নম্বর কী?

প্রতিটি খতিয়ানকে আলাদা আলাদাভাবে শনাক্ত করার জন্য খতিয়ানের জন্য ইউনিক নাম্বার বরাদ্দ করা হয়। ফলে খতিয়ান নম্বর দিয়ে সহজে খতিয়ান শনাক্ত করা যায়। সাধারণভাবে একটি মৌজার ভেতরে একজন মালিকের যতগুলো দাগের জমি থাকে সবগুলো একত্রিত করে একই খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মূলত সহজে জমির মালিক শনাক্ত করার জন্য খতিয়ান নম্বর ব্যবহৃত হয়।

অনলাইনের মাধ্যমে জমির পর্চা বা খতিয়ান কীভাবে পাবেন :

ঘরে বসেই অনলাইনে জমির খতিয়ান বা পর্চা পেতে হলে ভূমি মন্ত্রণালয়ের https://eporcha.gov.bd/khatian লিঙ্কে প্রবেশ করে চাহিত তথ্য প্রদান করলেই পেয়ে যাবেন জমির প্রকৃত মালিকের পরিচয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন