তুলসী চায়ের উপকারিতা
jugantor
তুলসী চায়ের উপকারিতা

  ফারিন সুমাইয়া  

৩০ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টং দোকানের আড্ডায় কিংবা কাজের অবসরে চা যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। ধোঁয়া ওঠা এক কাপ চা ছাড়া যেমন সকাল শুরু হয় না তেমনি বিকালের অবসরও কাটতে চায় না। অন্যদিকে চায়ের মাঝেও আছে নানা ধরন। সাধারণত দুধ চা কিংবা আদা চায়ের সঙ্গে আমরা কমবেশি সবাই পরিচিত। তবে বর্তমানে চায়ের দোকানে মরিচের চা, তেঁতুলের চা, মালটার চা কিংবা তুলসী চায়ের দেখা মিলে অন্য সব চায়ের ভিড়ে। আর এসব চায়ের ভিড়ে গুণাবলির দিক থেকে তুলসী চায়ের উপকারিতা অনেক বেশি। মৌসুম পরিবর্তনে আমাদের ঠান্ডা জ্বর কিংবা সর্দির মতো সমস্যা প্রায়শই হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে তুলসী চা খুব দ্রুত সুস্থ হতে সহায়তা করে। তাই বিশ্বব্যাপী তুলসী চায়ের গ্রহণযোগ্যতা দিনকে দিন বেড়েই চলছে।

এ ছাড়া তুলসী চা বানাতেও হাতের কাছে থাকা অল্প কিছু উপকরণ যথেষ্ট। এ ক্ষেত্রে পানি, আদা কুচি, মধু, তুলসী পাতা আর লেবুর রস লাগবে আপনার এক কাপ চা তৈরির জন্য। তবে আপনি চাইলে সঙ্গে লবঙ্গ এবং একটি এলাচ পানিতে ফুটিয়ে নিতে পারেন।

অন্যদিকে মুখরোচক এ চা কেবল আপনাকে তাৎক্ষণিকভাবে রিফ্রেশই করবে না বরং আপনার শরীরের উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি কলস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সমানভাবে কাজ করবে। এ ছাড়া হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে তুলসী চা বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে লিভারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, স্তন ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে আপনার ভালো ঘুম হতে তুলসী চা বেশ উপকারী। এ ছাড়া যাদের শ্বাস- প্রশ্বাস কিংবা সাইনাসের সমস্যা আছে তারা তাদের প্রতিদিনের চায়ের তালিকায় খুব সহজেই তুলসী চা যুক্ত করতে পারেন।

চা এমন একটি পানীয় যা আমাদের নিত্যদিনের জীবনের সঙ্গে জড়িত। তাই ঘরে কিংবা বাইরে, আড্ডা কিংবা নিজের সঙ্গে একান্তে কাটানো সময়ে এক কাপ চা আমাদের চাই। তাই আপনার কাপের চা হওয়া চাই স্বাস্থ্যকর। এ ছাড়া মৌসুম পরিবর্তনের এ সময়ে ঠান্ডা সর্দি থেকে নিজেকে সুস্থ রাখতেও তুলসী চা হতে পারে আপনার জন্য সবচেয়ে সহজ একটি মাধ্যম।

তুলসী চায়ের উপকারিতা

 ফারিন সুমাইয়া 
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টং দোকানের আড্ডায় কিংবা কাজের অবসরে চা যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। ধোঁয়া ওঠা এক কাপ চা ছাড়া যেমন সকাল শুরু হয় না তেমনি বিকালের অবসরও কাটতে চায় না। অন্যদিকে চায়ের মাঝেও আছে নানা ধরন। সাধারণত দুধ চা কিংবা আদা চায়ের সঙ্গে আমরা কমবেশি সবাই পরিচিত। তবে বর্তমানে চায়ের দোকানে মরিচের চা, তেঁতুলের চা, মালটার চা কিংবা তুলসী চায়ের দেখা মিলে অন্য সব চায়ের ভিড়ে। আর এসব চায়ের ভিড়ে গুণাবলির দিক থেকে তুলসী চায়ের উপকারিতা অনেক বেশি। মৌসুম পরিবর্তনে আমাদের ঠান্ডা জ্বর কিংবা সর্দির মতো সমস্যা প্রায়শই হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে তুলসী চা খুব দ্রুত সুস্থ হতে সহায়তা করে। তাই বিশ্বব্যাপী তুলসী চায়ের গ্রহণযোগ্যতা দিনকে দিন বেড়েই চলছে।

এ ছাড়া তুলসী চা বানাতেও হাতের কাছে থাকা অল্প কিছু উপকরণ যথেষ্ট। এ ক্ষেত্রে পানি, আদা কুচি, মধু, তুলসী পাতা আর লেবুর রস লাগবে আপনার এক কাপ চা তৈরির জন্য। তবে আপনি চাইলে সঙ্গে লবঙ্গ এবং একটি এলাচ পানিতে ফুটিয়ে নিতে পারেন।

অন্যদিকে মুখরোচক এ চা কেবল আপনাকে তাৎক্ষণিকভাবে রিফ্রেশই করবে না বরং আপনার শরীরের উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি কলস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সমানভাবে কাজ করবে। এ ছাড়া হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে তুলসী চা বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে লিভারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, স্তন ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে আপনার ভালো ঘুম হতে তুলসী চা বেশ উপকারী। এ ছাড়া যাদের শ্বাস- প্রশ্বাস কিংবা সাইনাসের সমস্যা আছে তারা তাদের প্রতিদিনের চায়ের তালিকায় খুব সহজেই তুলসী চা যুক্ত করতে পারেন।

চা এমন একটি পানীয় যা আমাদের নিত্যদিনের জীবনের সঙ্গে জড়িত। তাই ঘরে কিংবা বাইরে, আড্ডা কিংবা নিজের সঙ্গে একান্তে কাটানো সময়ে এক কাপ চা আমাদের চাই। তাই আপনার কাপের চা হওয়া চাই স্বাস্থ্যকর। এ ছাড়া মৌসুম পরিবর্তনের এ সময়ে ঠান্ডা সর্দি থেকে নিজেকে সুস্থ রাখতেও তুলসী চা হতে পারে আপনার জন্য সবচেয়ে সহজ একটি মাধ্যম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন