ভালো থাকুক প্রতিবন্ধী শিশু
jugantor
ভালো থাকুক প্রতিবন্ধী শিশু
পারিবারিকভাবেও অনেক প্রতিবন্ধী শিশু সমাজে অবহেলার শিকার হয়ে থাকে। সেজন্য প্রতিবন্ধী শিশুরা অনেক ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে সঠিক যত্ন পায় না। আর যত্ন না পাওয়ার ফলে তারা ঠিকমতো বেড়েও ওঠে না। কিন্তু সঠিক যত্ন পেলে বা সঠিকভাবে বড় হয়ে উঠলে তারাও সমাজে বা পরিবারে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে। লিখেছেন-

  মুনছুর  

৩০ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সমাজে প্রতিবন্ধীরা নানাভাবে অবহেলার শিকার হয়ে থাকে। বিশেষ করে প্রতিবন্ধী শিশুরা ব্যাপক বৈষম্য ও কুসংস্কারের শিকার হয়। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী শিশুদের অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে পরিবার, সমাজ বা কর্মক্ষেত্রের বৈষম্যই মূল। সমাজের অনেকের ধারণা প্রতিবন্ধিত্ব একটি অভিশাপ বা এটি একটি পাপের শাস্তি স্বরূপ হয়েছে। ফলে সবাই তাদের অবহেলার দৃষ্টিতে দেখেন।

সন্তান শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধী হলে সবার আগে বাবা-মাকে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। একই সঙ্গে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে সন্তানের সমস্যাগুলোর যত্ন নিতে হবে। সে ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী শিশুদের সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে হলে তাদের লেখাপড়ায় মনোযোগী করতে হবে। বর্তমানে সরকারিভাবে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য বিশেষ বিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণাধীন সমাজসেবা অধিদফরের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য সরকারিভাবে বিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে। এসব বিদ্যালয়গুলো হচ্ছে বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়। ৫টি পিএইচটি সেন্টার নামে পরিচিত কেন্দ্রে বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের পাশাপাশি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ও আছে। এ ছাড়া ২টি পৃথক বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় রয়েছে। মানসিক শিশুদের প্রতিষ্ঠানটি চট্টগ্রামের রৌফাবাদে অবস্থিত।

সরকারিভাবে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় কার্যক্রমের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বেসরকারিভাবে বিভিন্ন এনজিও বা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য বিশেষায়িত বিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে। এসব বেসরকারি উদ্যোগকে সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা ও সহায়তা করা হচ্ছে। এ ছাড় বেসরকারিভাবেও অনেক জেলা-উপজেলায় প্রতিবন্ধীদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে। সেজন্য আপনি খোঁজ নিয়ে দেখেন আপনার শহরে বা আপনার আশপাশে প্রতিবন্ধীদের জন্য কোনো বিদ্যালয় আছে। এ ক্ষেত্রে বাবা-মা’র কোনো একজন যদি প্রতিবন্ধী শিশুদের যত্নের ব্যাপারে প্রশিক্ষণ নেন, তাহলে সন্তানের যত্নের ক্ষেত্রে তা সহায়ক হবে।

আমাদের দেশে মূলত প্রতিবন্ধীরা পারিবারিকভাবেই বেশি অবহেলার শিকার। সেজন্য পরিবারের সবাই যদি এগিয়ে আসেন, তাহলে প্রতিবন্ধী বেড়ে উঠবে যত্নের সঙ্গে। তাই বাবা-মা পরিবারের অন্য সদস্যদের বোঝাবেন তাদের প্রতিবন্ধী শিশু সম্পর্কে। এ ছাড়া আপনার কাছের আত্মীয়-স্বজনকে আপনার প্রতিবন্ধী শিশুর সুবিধা-অসুবিধার কথা আগে থেকেই বুঝিয়ে বলুন। যেন তারাও এ ব্যাপারে আপনাকে সহযোগিতা করতে পারে।

এ ছাড়া অনেকেই প্রতিবন্ধী শিশুর জন্য নিজেকে বা শিশুকে পরিবারের অভিশাপ বলে আখ্যা দেন। এটা মোটেই ঠিক নয়। সেজন্য আপনার সন্তান সম্পর্কে কেউ কোনো খারাপ মন্তব্য করলে চুপ না থেকে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করুন।

প্রতিবন্ধী শিশুরা অন্য শিশুদের সঙ্গে যখন খেলাধুলা করবে বা মিশবে, তখন বাবা-মা উপস্থিত থাকুন। বিশেষ করে ছোটবেলায়। প্রয়োজনে শিশুর বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গেও এ ব্যাপারে কথা বলুন। যেন শিশু বিদ্যালয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে পড়াশোনা করতে পারে। আর এ বিষয়ে শিক্ষকদেরও সাহায্য নিন।

প্রতিবন্ধী শিশুদের ছোটবেলা থেকেই নিজের কাজ করতে উৎসাহ দিন। সে ক্ষেত্রে সে বারবার ভুল করলেও আপনি ধৈর্য না হারিয়ে উৎসাহ দিন। এ ছাড়া কখনোই প্রতিবন্ধী শিশুকে বকাঝকা বা অন্য শিশুদের সঙ্গে তুলনা করতে যাবেন না।

সব প্রতিবন্ধী যেমন একরকম নয়। তেমনি সবার বুদ্ধিও একরকম নয়। তাই তাদের বুদ্ধি বা আগ্রহ অনুযায়ী তাদের কারিকুলাম বা কো-কারিকুলাম তৈরি করতে হবে। খেলাধুলা, নাচ-গান, ছবি আঁকা, হাতের কাজ যে যেটায় ভালো, তাকে সে বিষয় প্রশিক্ষণ দিন বা উৎসাহ দিন।

প্রয়োজনে বাবা-মাকে শিশুর বেড়ে ওঠার প্রতিটি মুহূর্ত মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করতে হবে। এ ছাড়া শিশুর আবেগ বা অন্যান্য কার্যক্রম বোঝার চেষ্টা করতে হবে। আর প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রাথমিক অবস্থাতেই চিকিৎসকের কাছে নিতে পারলে তার বেড়ে ওঠা আরও সহজ হবে। এ ছাড়া শিশুর আচরণ ও মানসিক বিকাশ নিয়ে সন্দেহ হলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

শারীরিক বা মানসিক যত্নের পাশাপাশি প্রতিবন্ধী শিশুর দাঁতেরও যত্ন নিতে হবে।

কারণ দাঁত ভালোভাবে পরিষ্কার করতে না পারায় প্রতিবন্ধী অনেক শিশুর মুখে গন্ধ হয়। আবার দাঁতে বিভিন্ন সংক্রমণ দেখা দেয় বা তারা প্রায়ই দাঁতের বিভিন্ন সমস্যায় ভোগে। এ ক্ষেত্রে মা-বাবার সচেতন হওয়া দরকার। এ ছাড়া দাঁতের চিকিৎসা একটু সময়সাপেক্ষ। বারবার চিকিৎসকের যেতে হয়। তাই অনেক সময় প্রতিবন্ধী শিশুদের অভিভাবকরা নিয়মমতো যান না। এতে শিশুদের দাঁতের সমস্যা পুরোপুরি সারে না। অনেক সময় প্রতিবন্ধী শিশুরা বলতে পারে না তাদের সমস্যা আসলে কোথায়। তাই চিকিৎসককেই খুঁজে বের করতে হয় শিশুটির কোন দাঁতে সমস্যা আছে। সেজন্য মা-বাবাকেই শিশুর দাঁত পরিষ্কারের ক্ষেত্রে মনোযোগী হতে হবে। সকাল ও সন্ধ্যা দুবার খাওয়ার পর শিশুদের দাঁত ব্রাশ করাতে হবে। আর প্রতিবার খাওয়ার পর কুলি করাতে হবে।

ভালো থাকুক প্রতিবন্ধী শিশু

পারিবারিকভাবেও অনেক প্রতিবন্ধী শিশু সমাজে অবহেলার শিকার হয়ে থাকে। সেজন্য প্রতিবন্ধী শিশুরা অনেক ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে সঠিক যত্ন পায় না। আর যত্ন না পাওয়ার ফলে তারা ঠিকমতো বেড়েও ওঠে না। কিন্তু সঠিক যত্ন পেলে বা সঠিকভাবে বড় হয়ে উঠলে তারাও সমাজে বা পরিবারে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে। লিখেছেন-
 মুনছুর 
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সমাজে প্রতিবন্ধীরা নানাভাবে অবহেলার শিকার হয়ে থাকে। বিশেষ করে প্রতিবন্ধী শিশুরা ব্যাপক বৈষম্য ও কুসংস্কারের শিকার হয়। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী শিশুদের অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে পরিবার, সমাজ বা কর্মক্ষেত্রের বৈষম্যই মূল। সমাজের অনেকের ধারণা প্রতিবন্ধিত্ব একটি অভিশাপ বা এটি একটি পাপের শাস্তি স্বরূপ হয়েছে। ফলে সবাই তাদের অবহেলার দৃষ্টিতে দেখেন।

সন্তান শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধী হলে সবার আগে বাবা-মাকে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। একই সঙ্গে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে সন্তানের সমস্যাগুলোর যত্ন নিতে হবে। সে ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী শিশুদের সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে হলে তাদের লেখাপড়ায় মনোযোগী করতে হবে। বর্তমানে সরকারিভাবে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য বিশেষ বিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণাধীন সমাজসেবা অধিদফরের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য সরকারিভাবে বিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে। এসব বিদ্যালয়গুলো হচ্ছে বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়। ৫টি পিএইচটি সেন্টার নামে পরিচিত কেন্দ্রে বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের পাশাপাশি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ও আছে। এ ছাড়া ২টি পৃথক বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় রয়েছে। মানসিক শিশুদের প্রতিষ্ঠানটি চট্টগ্রামের রৌফাবাদে অবস্থিত।

সরকারিভাবে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় কার্যক্রমের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বেসরকারিভাবে বিভিন্ন এনজিও বা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য বিশেষায়িত বিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে। এসব বেসরকারি উদ্যোগকে সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা ও সহায়তা করা হচ্ছে। এ ছাড় বেসরকারিভাবেও অনেক জেলা-উপজেলায় প্রতিবন্ধীদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে। সেজন্য আপনি খোঁজ নিয়ে দেখেন আপনার শহরে বা আপনার আশপাশে প্রতিবন্ধীদের জন্য কোনো বিদ্যালয় আছে। এ ক্ষেত্রে বাবা-মা’র কোনো একজন যদি প্রতিবন্ধী শিশুদের যত্নের ব্যাপারে প্রশিক্ষণ নেন, তাহলে সন্তানের যত্নের ক্ষেত্রে তা সহায়ক হবে।

আমাদের দেশে মূলত প্রতিবন্ধীরা পারিবারিকভাবেই বেশি অবহেলার শিকার। সেজন্য পরিবারের সবাই যদি এগিয়ে আসেন, তাহলে প্রতিবন্ধী বেড়ে উঠবে যত্নের সঙ্গে। তাই বাবা-মা পরিবারের অন্য সদস্যদের বোঝাবেন তাদের প্রতিবন্ধী শিশু সম্পর্কে। এ ছাড়া আপনার কাছের আত্মীয়-স্বজনকে আপনার প্রতিবন্ধী শিশুর সুবিধা-অসুবিধার কথা আগে থেকেই বুঝিয়ে বলুন। যেন তারাও এ ব্যাপারে আপনাকে সহযোগিতা করতে পারে।

এ ছাড়া অনেকেই প্রতিবন্ধী শিশুর জন্য নিজেকে বা শিশুকে পরিবারের অভিশাপ বলে আখ্যা দেন। এটা মোটেই ঠিক নয়। সেজন্য আপনার সন্তান সম্পর্কে কেউ কোনো খারাপ মন্তব্য করলে চুপ না থেকে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করুন।

প্রতিবন্ধী শিশুরা অন্য শিশুদের সঙ্গে যখন খেলাধুলা করবে বা মিশবে, তখন বাবা-মা উপস্থিত থাকুন। বিশেষ করে ছোটবেলায়। প্রয়োজনে শিশুর বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গেও এ ব্যাপারে কথা বলুন। যেন শিশু বিদ্যালয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে পড়াশোনা করতে পারে। আর এ বিষয়ে শিক্ষকদেরও সাহায্য নিন।

প্রতিবন্ধী শিশুদের ছোটবেলা থেকেই নিজের কাজ করতে উৎসাহ দিন। সে ক্ষেত্রে সে বারবার ভুল করলেও আপনি ধৈর্য না হারিয়ে উৎসাহ দিন। এ ছাড়া কখনোই প্রতিবন্ধী শিশুকে বকাঝকা বা অন্য শিশুদের সঙ্গে তুলনা করতে যাবেন না।

সব প্রতিবন্ধী যেমন একরকম নয়। তেমনি সবার বুদ্ধিও একরকম নয়। তাই তাদের বুদ্ধি বা আগ্রহ অনুযায়ী তাদের কারিকুলাম বা কো-কারিকুলাম তৈরি করতে হবে। খেলাধুলা, নাচ-গান, ছবি আঁকা, হাতের কাজ যে যেটায় ভালো, তাকে সে বিষয় প্রশিক্ষণ দিন বা উৎসাহ দিন।

প্রয়োজনে বাবা-মাকে শিশুর বেড়ে ওঠার প্রতিটি মুহূর্ত মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করতে হবে। এ ছাড়া শিশুর আবেগ বা অন্যান্য কার্যক্রম বোঝার চেষ্টা করতে হবে। আর প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রাথমিক অবস্থাতেই চিকিৎসকের কাছে নিতে পারলে তার বেড়ে ওঠা আরও সহজ হবে। এ ছাড়া শিশুর আচরণ ও মানসিক বিকাশ নিয়ে সন্দেহ হলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

শারীরিক বা মানসিক যত্নের পাশাপাশি প্রতিবন্ধী শিশুর দাঁতেরও যত্ন নিতে হবে।

কারণ দাঁত ভালোভাবে পরিষ্কার করতে না পারায় প্রতিবন্ধী অনেক শিশুর মুখে গন্ধ হয়। আবার দাঁতে বিভিন্ন সংক্রমণ দেখা দেয় বা তারা প্রায়ই দাঁতের বিভিন্ন সমস্যায় ভোগে। এ ক্ষেত্রে মা-বাবার সচেতন হওয়া দরকার। এ ছাড়া দাঁতের চিকিৎসা একটু সময়সাপেক্ষ। বারবার চিকিৎসকের যেতে হয়। তাই অনেক সময় প্রতিবন্ধী শিশুদের অভিভাবকরা নিয়মমতো যান না। এতে শিশুদের দাঁতের সমস্যা পুরোপুরি সারে না। অনেক সময় প্রতিবন্ধী শিশুরা বলতে পারে না তাদের সমস্যা আসলে কোথায়। তাই চিকিৎসককেই খুঁজে বের করতে হয় শিশুটির কোন দাঁতে সমস্যা আছে। সেজন্য মা-বাবাকেই শিশুর দাঁত পরিষ্কারের ক্ষেত্রে মনোযোগী হতে হবে। সকাল ও সন্ধ্যা দুবার খাওয়ার পর শিশুদের দাঁত ব্রাশ করাতে হবে। আর প্রতিবার খাওয়ার পর কুলি করাতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন