রসালো ফল লিচু
jugantor
এই সময়
রসালো ফল লিচু

  হাসান মাহমুদ রিপন  

১৭ মে ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মিষ্টি মধুর রসে ভরা ফল হচ্ছে লিচু। ছোট আকারের রসালো ফল এটি। আকারে ছোট কিন্তু দৃষ্টিনন্দন, তেমনি প্রাণ জুড়ানো ফল হলো লিচু। মুখে দিলে রসে মুখ ভরে যায়। এ জন্য লিচুকে রসালো ফল বলে। স্বাদে ও গুণে অনন্য ফল এটি। ভোঁতলো কাঁটাযুক্ত খোসার ভেতরে থাকে লিচুর খাদ্যশস্য এবং বিচি। গাছে ঝুলে থাকা থোকাবাঁধা টকটকে লাল লিচু কার না নজর কাড়ে? লিচু হলো সেপিন্ডাসিয়া পরিবারের লিচিদের একমাত্র সদস্য। এটি নিরক্ষীয় ও উপ-নিরক্ষীয় অঞ্চলে জন্মে থাকে। লিচু দক্ষিণ এশিয়া ও চীনের একটি সুস্বাদু ফল। এর আদি নিবাস চীনে। বাংলাদেশ ছাড়াও এশিয়া মহাদেশের চীন, ইন্দোচীন, থাইল্যান্ড, জাপান, ফিলিপাইন দ্বীপপুঞ্জ, ভারত, ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুর এবং অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল ও আমেরিকার ফ্লোরিডাতে লিচু চাষ হয়। লিচু নামটি চীনা ভাষা থেকে উদ্ভূত। লাই চীন নামের এক চীনা বিজ্ঞানীর গবেষণার ফল লিচু। তার নামানুসারে এ ফলের নাম হয় লিচু। চীন দেশে এর নাম চাইনেন্সিস। বিশ্বের সবচেয়ে রোমান্টিক ফল হিসাবে লিচুকে গণ্য করা হয়। যুগে যুগে রাজা-বাদশাহরা তাদের রানি বেগমদের মন জয় করার জন্য লিচু উপহার দিতেন।

বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালীন ফল লিচু শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, চিরসবুজ এ বৃক্ষটি দেখতেও বেশ। মাঘ-ফাল্গুন মাসে আমের সঙ্গে সঙ্গে লিচু গাছেও মুকুল আসে। গ্রীষ্মকালীন ফল চলার পথে বাজারে পথিকদের মনে করিয়ে দেয় ‘আমরা বাজারে উঠেছি’। এ ঋতুর সুস্বাদু সব ফলের আকর্ষণ উপেক্ষা করা প্রায় অসম্ভব। পকেটে পয়সা থাকলে নিস্তার নেই। লিচু হাতে নিই এমন কর্তার গৃহে প্রত্যাবর্তন এ মৌসুমে পরিবার পরিজনদের কাছে মোটেই গ্রহণীয় নয়। তা তিনি যতই গরিব অথবা ধনী হোন। ঝাঁকড়া গাছের ডালে ডালে ঝুলন্ত লাল টকটকে আগুন রঙের ছোট ফলের গুচ্ছ লিচুর দৃশ্য খুবই চমৎকার।

বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, যশোর, রাজশাহী, দিনাজপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহে লিচু উৎপাদিত হয়। তবে শ্রেষ্ঠত্বের দিক দিয়ে সোনারগাঁ, ময়মনসিংহ, দিনাজপুরের লিচুই উত্তম। চায়না, বোম্বাই, এলাচি, মোজাফরপুলি লিচুর চাষই বাংলাদেশে বেশি হয়। সোনারগাঁয়ের লিচু ঐতিহ্য এবং স্বাদে সুনাম রয়েছে দেশজুড়ে। সোনারগাঁয়ে সর্বসাকুল্যে এখন লিচু গাছের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ হাজার। সোনারগাঁয়ে কমবেশি লিচু বাগান থাকলেও সোনারগাঁ পৌরসভা তথা আমিনপুর ইউনিয়ন ও বৈদ্যেরবাজার, মোগড়াপাড়া, বারদী এ ৪টি ইউনিয়নে রয়েছে সবচেয়ে বেশি লিচু বাগান। কদমি, চায়না-৩, মোজাফরপুরী ও এলাচি এ ৪ জাতের লিচুর চাষই এ অঞ্চলে বেশি। কদমি লিচু খেতে সুস্বাদু। আকারে বড় হওয়ায় এর চাহিদা ও দাম তুলনামূলক বেশি। সোনারগাঁয়ে লিচু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ফড়িয়াদের মাধ্যমে বিকিকিনি হচ্ছে। বর্ণে ও সুস্বাদে অতুলনীয় সোনারগাঁয়ের লিচুকে রসিকজনরা ‘দিল্লিকা লাড্ডু’ বলে অভিহিত করেন। এদিকে অমৃত লিচুর দেশ হিসাবে দিনাজপুর নিঃসন্দেহে ঐতিহ্যময়। দিনাজপুরের বিস্তৃত অঞ্চলের ভিন্ন ভিন্ন উপাদানে গঠিত মাটি এখনো সজীব সবুজের সম্ভাবনায় স্বপ্নময় সুবজাভ বনায়নে উর্বর উন্মুখ। দিনাজপুরের মাটি সাধারণভাবেই অন্যান্য ফসল ও বৃক্ষরাজির পাশাপাশি লিচু চাষের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। এ এলাকার অধিবাসীরা স্থানীয় এ লিচুকে মাদ্রাজি লিচু বলে অভিহিত করে থাকেন। এ লিচুটি দেখতে প্রায় গোলাকার পরিপক্ব হলে লাল রং ধারণ করে। এ লিচু গুটি অবস্থায় বৃষ্টির পানি পেলে দানা বা শাস অংশ সুপুষ্টি লাভে রূপরসে টইটম্বুর হয়। দিনাজপুরে মাদ্রাজি লিচুর রাজত্বের শেষভাগে বোম্বাই লিচুর আগমন ঘটে বাজারে। এ লিচু আকৃতিতে মাথার দিকে মোটা, নিচের দিকে সুচালো দেখতে অনেকটা লম্বাটে। পাকলে এ লিচু উজ্জ্বল টকটকে লালবর্ণ ধারণ করে। এর বিশেষ রূপ, সুগন্ধ ও স্বাদ অনেকেরই রসনায় দেখামাত্র তাৎক্ষণিকভাবে জলসিঞ্চন করে থাকে।

দিনাজপুরের ঐতিহ্যময় লিচুগুলোর মধ্যে যে লিচুটির স্থান গুণে মানে, স্বাদে সর্বোৎকৃষ্ট সেই লিচু রাজ্যের রানি হলো ‘বেদানা’। এ লিচুটি মাদ্রাজি ও বোম্বাই লিচুর বর্ণময় সরগরম বাজার হঠাৎ আলোর ঝলকানির মতো অতিদ্রুত এসে স্বল্প সময়ে প্রায় জাদুর মতো উধাও হয়ে যায়। এ ছাড়া লিচু রাজ্যের মন্ত্রী ‘কাঁঠালি’। কাঁঠাল ফলের প্রতীক তীক্ষ্ণ কাঁটাসদৃশ্য আবরণের সঙ্গে তুলনা করেই সম্ভবত এই শ্রেণির লিচুটি ‘কাঁঠালি’ লিচু নামে পরিচিত লাভ করেছে। বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালীন ফল লিচু রসালো, সুস্বাদু এবং প্রচুর পুষ্টিগুণে পরিপূর্ণ। ১০০ গ্রাম লিচুতে রয়েছে প্রোটিন ১.১ গ্রাম, ফ্যাট ০.২ গ্রাম, শ্বেতসার ১৩.৬ গ্রাম, ভিটামিন বি-১০.০২ গ্রাম, ভিটামিন বি-২০.০৬ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫ গ্রাম, ভিটামিন-সি ৩১ মি.গ্রা, ক্যালসিয়াম ১০ মি.গ্রা, লৌহ ০.৭ মি.গ্রাম এবং ক্যালরি ৬১ কিলোগ্রাম। এ ছাড়া লিচুতে রয়েছে সামান্য পরিমাণে প্রোটিন ও ফ্যাট যা মানবদেহের জন্য প্রয়োজন। রয়েছে ভিটামিন সি যা চর্মরোগ ও স্কার্ভি দূর করে। লিচু শরীরের কলস্টেরলের মাত্রা কমায়। লিচুতে আছে ক্যালসিয়াম। দেহের হাড় গঠন ও হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এ ক্যালসিয়াম। খাদ্য হজমকারী আঁশ, ভিটামিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে যা শরীরে জমে থাকে ও দেহ সুস্থ রাখে। বাংলার ছেলেমেয়েরা দেশকে ভালোবাসার সঙ্গে সঙ্গে এ দেশের ফুল, ফল, উদ্ভিদ ও প্রাণিজগতকে চিনবে-এটাই স্বাভাবিক। দেশের প্রকৃতি ও মানুষকে জানা, প্রকৃতিতে সংরক্ষণ এবং মানুষের উন্নতিতে সহায়তাদানের মধ্যেই রয়েছে প্রকৃত সার্থকতা।

এই সময়

রসালো ফল লিচু

 হাসান মাহমুদ রিপন 
১৭ মে ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মিষ্টি মধুর রসে ভরা ফল হচ্ছে লিচু। ছোট আকারের রসালো ফল এটি। আকারে ছোট কিন্তু দৃষ্টিনন্দন, তেমনি প্রাণ জুড়ানো ফল হলো লিচু। মুখে দিলে রসে মুখ ভরে যায়। এ জন্য লিচুকে রসালো ফল বলে। স্বাদে ও গুণে অনন্য ফল এটি। ভোঁতলো কাঁটাযুক্ত খোসার ভেতরে থাকে লিচুর খাদ্যশস্য এবং বিচি। গাছে ঝুলে থাকা থোকাবাঁধা টকটকে লাল লিচু কার না নজর কাড়ে? লিচু হলো সেপিন্ডাসিয়া পরিবারের লিচিদের একমাত্র সদস্য। এটি নিরক্ষীয় ও উপ-নিরক্ষীয় অঞ্চলে জন্মে থাকে। লিচু দক্ষিণ এশিয়া ও চীনের একটি সুস্বাদু ফল। এর আদি নিবাস চীনে। বাংলাদেশ ছাড়াও এশিয়া মহাদেশের চীন, ইন্দোচীন, থাইল্যান্ড, জাপান, ফিলিপাইন দ্বীপপুঞ্জ, ভারত, ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুর এবং অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল ও আমেরিকার ফ্লোরিডাতে লিচু চাষ হয়। লিচু নামটি চীনা ভাষা থেকে উদ্ভূত। লাই চীন নামের এক চীনা বিজ্ঞানীর গবেষণার ফল লিচু। তার নামানুসারে এ ফলের নাম হয় লিচু। চীন দেশে এর নাম চাইনেন্সিস। বিশ্বের সবচেয়ে রোমান্টিক ফল হিসাবে লিচুকে গণ্য করা হয়। যুগে যুগে রাজা-বাদশাহরা তাদের রানি বেগমদের মন জয় করার জন্য লিচু উপহার দিতেন।

বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালীন ফল লিচু শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, চিরসবুজ এ বৃক্ষটি দেখতেও বেশ। মাঘ-ফাল্গুন মাসে আমের সঙ্গে সঙ্গে লিচু গাছেও মুকুল আসে। গ্রীষ্মকালীন ফল চলার পথে বাজারে পথিকদের মনে করিয়ে দেয় ‘আমরা বাজারে উঠেছি’। এ ঋতুর সুস্বাদু সব ফলের আকর্ষণ উপেক্ষা করা প্রায় অসম্ভব। পকেটে পয়সা থাকলে নিস্তার নেই। লিচু হাতে নিই এমন কর্তার গৃহে প্রত্যাবর্তন এ মৌসুমে পরিবার পরিজনদের কাছে মোটেই গ্রহণীয় নয়। তা তিনি যতই গরিব অথবা ধনী হোন। ঝাঁকড়া গাছের ডালে ডালে ঝুলন্ত লাল টকটকে আগুন রঙের ছোট ফলের গুচ্ছ লিচুর দৃশ্য খুবই চমৎকার।

বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, যশোর, রাজশাহী, দিনাজপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহে লিচু উৎপাদিত হয়। তবে শ্রেষ্ঠত্বের দিক দিয়ে সোনারগাঁ, ময়মনসিংহ, দিনাজপুরের লিচুই উত্তম। চায়না, বোম্বাই, এলাচি, মোজাফরপুলি লিচুর চাষই বাংলাদেশে বেশি হয়। সোনারগাঁয়ের লিচু ঐতিহ্য এবং স্বাদে সুনাম রয়েছে দেশজুড়ে। সোনারগাঁয়ে সর্বসাকুল্যে এখন লিচু গাছের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ হাজার। সোনারগাঁয়ে কমবেশি লিচু বাগান থাকলেও সোনারগাঁ পৌরসভা তথা আমিনপুর ইউনিয়ন ও বৈদ্যেরবাজার, মোগড়াপাড়া, বারদী এ ৪টি ইউনিয়নে রয়েছে সবচেয়ে বেশি লিচু বাগান। কদমি, চায়না-৩, মোজাফরপুরী ও এলাচি এ ৪ জাতের লিচুর চাষই এ অঞ্চলে বেশি। কদমি লিচু খেতে সুস্বাদু। আকারে বড় হওয়ায় এর চাহিদা ও দাম তুলনামূলক বেশি। সোনারগাঁয়ে লিচু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ফড়িয়াদের মাধ্যমে বিকিকিনি হচ্ছে। বর্ণে ও সুস্বাদে অতুলনীয় সোনারগাঁয়ের লিচুকে রসিকজনরা ‘দিল্লিকা লাড্ডু’ বলে অভিহিত করেন। এদিকে অমৃত লিচুর দেশ হিসাবে দিনাজপুর নিঃসন্দেহে ঐতিহ্যময়। দিনাজপুরের বিস্তৃত অঞ্চলের ভিন্ন ভিন্ন উপাদানে গঠিত মাটি এখনো সজীব সবুজের সম্ভাবনায় স্বপ্নময় সুবজাভ বনায়নে উর্বর উন্মুখ। দিনাজপুরের মাটি সাধারণভাবেই অন্যান্য ফসল ও বৃক্ষরাজির পাশাপাশি লিচু চাষের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। এ এলাকার অধিবাসীরা স্থানীয় এ লিচুকে মাদ্রাজি লিচু বলে অভিহিত করে থাকেন। এ লিচুটি দেখতে প্রায় গোলাকার পরিপক্ব হলে লাল রং ধারণ করে। এ লিচু গুটি অবস্থায় বৃষ্টির পানি পেলে দানা বা শাস অংশ সুপুষ্টি লাভে রূপরসে টইটম্বুর হয়। দিনাজপুরে মাদ্রাজি লিচুর রাজত্বের শেষভাগে বোম্বাই লিচুর আগমন ঘটে বাজারে। এ লিচু আকৃতিতে মাথার দিকে মোটা, নিচের দিকে সুচালো দেখতে অনেকটা লম্বাটে। পাকলে এ লিচু উজ্জ্বল টকটকে লালবর্ণ ধারণ করে। এর বিশেষ রূপ, সুগন্ধ ও স্বাদ অনেকেরই রসনায় দেখামাত্র তাৎক্ষণিকভাবে জলসিঞ্চন করে থাকে।

দিনাজপুরের ঐতিহ্যময় লিচুগুলোর মধ্যে যে লিচুটির স্থান গুণে মানে, স্বাদে সর্বোৎকৃষ্ট সেই লিচু রাজ্যের রানি হলো ‘বেদানা’। এ লিচুটি মাদ্রাজি ও বোম্বাই লিচুর বর্ণময় সরগরম বাজার হঠাৎ আলোর ঝলকানির মতো অতিদ্রুত এসে স্বল্প সময়ে প্রায় জাদুর মতো উধাও হয়ে যায়। এ ছাড়া লিচু রাজ্যের মন্ত্রী ‘কাঁঠালি’। কাঁঠাল ফলের প্রতীক তীক্ষ্ণ কাঁটাসদৃশ্য আবরণের সঙ্গে তুলনা করেই সম্ভবত এই শ্রেণির লিচুটি ‘কাঁঠালি’ লিচু নামে পরিচিত লাভ করেছে। বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালীন ফল লিচু রসালো, সুস্বাদু এবং প্রচুর পুষ্টিগুণে পরিপূর্ণ। ১০০ গ্রাম লিচুতে রয়েছে প্রোটিন ১.১ গ্রাম, ফ্যাট ০.২ গ্রাম, শ্বেতসার ১৩.৬ গ্রাম, ভিটামিন বি-১০.০২ গ্রাম, ভিটামিন বি-২০.০৬ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫ গ্রাম, ভিটামিন-সি ৩১ মি.গ্রা, ক্যালসিয়াম ১০ মি.গ্রা, লৌহ ০.৭ মি.গ্রাম এবং ক্যালরি ৬১ কিলোগ্রাম। এ ছাড়া লিচুতে রয়েছে সামান্য পরিমাণে প্রোটিন ও ফ্যাট যা মানবদেহের জন্য প্রয়োজন। রয়েছে ভিটামিন সি যা চর্মরোগ ও স্কার্ভি দূর করে। লিচু শরীরের কলস্টেরলের মাত্রা কমায়। লিচুতে আছে ক্যালসিয়াম। দেহের হাড় গঠন ও হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এ ক্যালসিয়াম। খাদ্য হজমকারী আঁশ, ভিটামিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে যা শরীরে জমে থাকে ও দেহ সুস্থ রাখে। বাংলার ছেলেমেয়েরা দেশকে ভালোবাসার সঙ্গে সঙ্গে এ দেশের ফুল, ফল, উদ্ভিদ ও প্রাণিজগতকে চিনবে-এটাই স্বাভাবিক। দেশের প্রকৃতি ও মানুষকে জানা, প্রকৃতিতে সংরক্ষণ এবং মানুষের উন্নতিতে সহায়তাদানের মধ্যেই রয়েছে প্রকৃত সার্থকতা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন