মায়াবী চুম্বক লাউয়াছড়ায়
jugantor
ভ্রমণ
মায়াবী চুম্বক লাউয়াছড়ায়

  আবু আফজাল সালেহ  

৩০ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মিথুন বলল, থ্রিলিং আছে ফরেস্টে, জল-পাথর আর চা-বাগানে। তাই তো বেছে নিলাম শ্রীমঙ্গল। সিদ্ধান্ত নিলাম লাউয়াছড়া যাব। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় এ জাতীয় উদ্যান। রাতের গাড়িতে উঠে পড়লাম। ভোরে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পার হয়ে মিরপুর দিয়ে রশিদপুর গ্যাসফিল্ডের রাস্তা। একটু পার হলেই শ্রীমঙ্গল সীমানায় স্বাগত জানাবে ‘চায়ের দেশে স্বাগতম’ বলে।

এরপর শ্রীমঙ্গল। শ্রীমঙ্গল ৪ রাস্তা থেকে ভানুগাছমুখী রোড। শহরের রেলগেট পেরোতেই বিজিবি ক্যান্টিন। মায়াবী দুপাশ। শহর পেরিয়েই ফিনলে চা-বাগান। তার আগেই শ্রীমঙ্গল ৭১-এর বধ্যভূমি। এরপর কালো রাস্তার দুপাশে সবুজের ঢেউ। ঝলমলে চা-বাগান। সবুজের মাঝ দিয়ে ৩ কিমি. যেতেই ডান পাশে রাস্তা দেখিয়ে দেবে চা রিসার্স কেন্দ্রের আঁকাবাঁকা রাস্তা।

দুদিকেই চা-বাগান। পাখির ওড়াউড়ি, শ্রমিকের চা-পাতা তোলার দৃশ্য। বেশিরভাগ শ্রমিকই নারী। পাহাড়ি মেয়েদের চা-পাতা তোলার দৃশ্য মুগ্ধ করবেই। সবুজের ডাকাডাকি। চা-বাগানের অবারিত সবুজ আর আঁকাবাঁকা রাস্তা বেয়ে সামান্য যেতেই বাঁ পাশে চা মিউজিয়াম। মেইন রোডের সঙ্গে এই জাদুঘরে আছে চা-শিল্প সম্পর্কিত যন্ত্রপাতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে চিত্রকর্ম, বই।

কিছুদূর যেতেই পাঁচতারকা নিবাস ‘গ্রান্ড সুলতান’। চা-বাগান আর সবুজের মধ্যে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা। অনেক ব্যয়বহুল। এরপর সবুজ গাছ গাছালি ও ঢেউ খেলানো সবুজ পাহাড়ের মধ্য দিয়ে। আঁকাবাঁকা ও উঁচু-নিচু পিচ রাস্তা দিয়ে আরও কিলো তিনেক গেলেই লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান।

পাহাড় আর বনের মিতালি উপভোগ করার মতো। বনের ভেতর দিয়ে যেতে যেতে মাথার ওপর বানরের লাফালাফি-দাপাদাপি আর নিচে লেজ তুলে যাওয়া হনুমান এবং বিভিন্ন পাখির কলতানে নির্জন পথ দিয়ে হেঁটে চলুন। রোমাঞ্চ জাগাবে। বনের ভেতর বয়ে চলেছে ঢাকা-সিলেট রেলপথ ওপরে পাখ-পাখালির ডাক। ভাগ্য ভালো হলে ময়না-টিয়ার মনমাতানো ডাক। ৫০ টাকার টিকিট কেটে ঢুকে পড়লাম জঙ্গলের ভেতর। কিছু ফরেনার-পর্যটক দেখলাম ফল ও ডাবের পানি পান করছে। দুপাশে গাছগাছালি ও পাখ-পাখালি। বয়ে চলেছে লাল রাস্তা।

পাশেই মাঝে মধ্যে ঝিরি সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। পথের দুপাশের লম্বা গাছের বাকলে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ। এম+এন বা অমুক+তমুকসহ নানা ধরনের সমীকরণ। কিছুদূর যেতেই রেললাইন। সিলেট-ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ। মাঝে মধ্যে ট্রেনের হুইসেল! কী সুন্দর, মায়াবী রেলপথটি। এখানে সাত কালারের চা উপভোগ করতে পারবেন পাহাড়ের গা বেয়ে একটু ওপরে এ চা-ঘর। পাশেই ছোট্ট একটি দোকান। হস্তশিল্পসহ খেলনা পাবেন। বাচ্চারা কিনে আনন্দ পাবে। রেলিং বেয়ে নিচে নেমেই রেললাইন ঘেঁষে একটা সাইনবোর্ড। তাতে লেখা অস্কার বিজয়ী একটি সিনেমার শুটিং হয়েছিল বলে লেখা আছে।

রেলপথের ডানে-বাঁয়ে গিয়ে চা-বাগান থেকে ট্রেন যাওয়ার ছবি তুলতে মজাই লাগবে। এরপর থ্রিলিং পথ। লুকানো পথ; ভয় লাগে। সূর্যের আলোর লুকোচুরি। টিলা বেয়েও বন। মাঝে মধ্যে ঘন বনাঞ্চল। সূর্যের আলোও সব সময় পৌঁছায় না। হঠাৎ মিথুন বলল, ওই যে দেখুন চশমা পরা হনুমান। চারদিকে বাহারি রঙের প্রজাপতি। উঁচু গাছে ঝুলছে অজানা সাপ। লতা বা পাতায় জড়িয়ে। কী রোমাঞ্চকর! থেকে থেকে পাখির ডাক। ঝিঁঝির শব্দ বন মাতিয়ে রেখেছে।

আনমনে হারিয়ে যাচ্ছি। হঠাৎ সফরসঙ্গীর ডাক। ভাই, কাঠবিড়ালিটা খুব সুন্দর তো! রঙিন ঝরাপাতা বিছানো পথ বেয়ে বনপথে। আমরা চলেছি। এদিক-ওদিকে কিশোর-কিশোরীর দল। দেশ-বিদেশের পর্যটক। বনের মধ্যেই কলরোল। ডালে ডালে ঝুলে থাকে উল্লুক ও হনুমান। দাঁত বের করে ভয় দেখায় বানর। দারুণ রোমাঞ্চকর, না?

হঠাৎ ট্রেনের হুইসল। তড়িঘড়ি করে রেলপথের কাছাকাছি। হেলে দুলে ট্রেন চলে যাচ্ছে। ট্রেনে বেশ কয়েকবার সিলেটে যাতায়াত করেছি এ বন দিয়েই। চা-বাগান, অন্ধকার এ অরণ্যের বাঁশবাগান আর সুবুজে মোড়া দুপাশের এ পথ বেয়ে যেতে কতই রোমাঞ্চ লাগে, তা বলে বোঝানো যাবে না! মধ্যেই সাত কালারের ঐতিহ্যবাহী চায়ের স্বাদ নিলাম। নাস্তাও সেরে নিলাম। নিরাপত্তার জন্য পুলিশের চলাচলও দেখলাম। বনের মধ্যে বা আশপাশে ভালো থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা নেই। শ্রীমঙ্গল ও একটু দূরে বিভিন্ন রিসোর্টে থাকতে পারেন। সবুজেমোড়া রিসোর্টে থাকতে রোমাঞ্চ হবে।

এরপর শ্রীমঙ্গল হয়ে ঢাকা। একদিনের এ ভ্রমণ স্মৃতির পটে থাকবে বহুদিন। চম্বুকময়তা আছে এ বনে। মায়াবী ভরা আশপাশে। তাই, ডাকছে আমার বারেবারে...। ভ্রমণ শেষে মিথুনের কথাই মনে হলো, ফরেস্টে আছে মায়াবী চম্বুক, আছে থ্রিলার!

যাওয়া-আসা

ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে যাত্রা শুরু করা যাবে। বাসে করে শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজারগামী বাসে শ্রীমঙ্গল নামতে হবে। ট্রেনে এলে শ্রীমঙ্গল স্টেশনে নেমে পড়ুন। তারপর সকালের নাস্তা করে যাত্রা শুরু করুন। ৬-৭ কিমির পথ।

থাকা ও খাওয়া

থাকা ও খাওয়ার জন্য শ্রীমঙ্গলে প্রচুর হোটেল ও রিসোর্ট আছে। আপনার বাজেট অনুযায়ী যে কোনো হোটেলে রাত যাপন ও খাওয়া-দাওয়া করতে পারেন। শ্রীমঙ্গল থেকে চা কিনতে ভুলবেন না। মনিপুরিদের বিভিন্ন জিনিস এখান থেকে কিনতে পারেন। পানসী হোটেলে (যাত্রার শুরুতেই) বিভিন্ন রকমের ভর্তার স্বাদ নিতে পারেন।

সতর্কতা

বন-পাহাড়ে ট্রাকিং বা হাঁটতে হলে স্যান্ডেল নিয়ে এলে আরামদায়ক হবে। সাপ ও বিষাক্তপ্রাণী থেকে সতর্ক থাকতে হবে। হোটেলগুলোতে দামদর করে নিতে হবে। অনেক হোটেল-রিসোর্টে থাকা-খাওয়ার জন্য অত্যধিক ব্যয় করতে হয়। তাই পছন্দ অনুযায়ী বাছাই করুন। একদিন থাকলে তো অত হিসাব না করলেও চলে!

ভ্রমণ

মায়াবী চুম্বক লাউয়াছড়ায়

 আবু আফজাল সালেহ 
৩০ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মিথুন বলল, থ্রিলিং আছে ফরেস্টে, জল-পাথর আর চা-বাগানে। তাই তো বেছে নিলাম শ্রীমঙ্গল। সিদ্ধান্ত নিলাম লাউয়াছড়া যাব। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় এ জাতীয় উদ্যান। রাতের গাড়িতে উঠে পড়লাম। ভোরে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পার হয়ে মিরপুর দিয়ে রশিদপুর গ্যাসফিল্ডের রাস্তা। একটু পার হলেই শ্রীমঙ্গল সীমানায় স্বাগত জানাবে ‘চায়ের দেশে স্বাগতম’ বলে।

এরপর শ্রীমঙ্গল। শ্রীমঙ্গল ৪ রাস্তা থেকে ভানুগাছমুখী রোড। শহরের রেলগেট পেরোতেই বিজিবি ক্যান্টিন। মায়াবী দুপাশ। শহর পেরিয়েই ফিনলে চা-বাগান। তার আগেই শ্রীমঙ্গল ৭১-এর বধ্যভূমি। এরপর কালো রাস্তার দুপাশে সবুজের ঢেউ। ঝলমলে চা-বাগান। সবুজের মাঝ দিয়ে ৩ কিমি. যেতেই ডান পাশে রাস্তা দেখিয়ে দেবে চা রিসার্স কেন্দ্রের আঁকাবাঁকা রাস্তা।

দুদিকেই চা-বাগান। পাখির ওড়াউড়ি, শ্রমিকের চা-পাতা তোলার দৃশ্য। বেশিরভাগ শ্রমিকই নারী। পাহাড়ি মেয়েদের চা-পাতা তোলার দৃশ্য মুগ্ধ করবেই। সবুজের ডাকাডাকি। চা-বাগানের অবারিত সবুজ আর আঁকাবাঁকা রাস্তা বেয়ে সামান্য যেতেই বাঁ পাশে চা মিউজিয়াম। মেইন রোডের সঙ্গে এই জাদুঘরে আছে চা-শিল্প সম্পর্কিত যন্ত্রপাতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে চিত্রকর্ম, বই।

কিছুদূর যেতেই পাঁচতারকা নিবাস ‘গ্রান্ড সুলতান’। চা-বাগান আর সবুজের মধ্যে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা। অনেক ব্যয়বহুল। এরপর সবুজ গাছ গাছালি ও ঢেউ খেলানো সবুজ পাহাড়ের মধ্য দিয়ে। আঁকাবাঁকা ও উঁচু-নিচু পিচ রাস্তা দিয়ে আরও কিলো তিনেক গেলেই লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান।

পাহাড় আর বনের মিতালি উপভোগ করার মতো। বনের ভেতর দিয়ে যেতে যেতে মাথার ওপর বানরের লাফালাফি-দাপাদাপি আর নিচে লেজ তুলে যাওয়া হনুমান এবং বিভিন্ন পাখির কলতানে নির্জন পথ দিয়ে হেঁটে চলুন। রোমাঞ্চ জাগাবে। বনের ভেতর বয়ে চলেছে ঢাকা-সিলেট রেলপথ ওপরে পাখ-পাখালির ডাক। ভাগ্য ভালো হলে ময়না-টিয়ার মনমাতানো ডাক। ৫০ টাকার টিকিট কেটে ঢুকে পড়লাম জঙ্গলের ভেতর। কিছু ফরেনার-পর্যটক দেখলাম ফল ও ডাবের পানি পান করছে। দুপাশে গাছগাছালি ও পাখ-পাখালি। বয়ে চলেছে লাল রাস্তা।

পাশেই মাঝে মধ্যে ঝিরি সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। পথের দুপাশের লম্বা গাছের বাকলে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ। এম+এন বা অমুক+তমুকসহ নানা ধরনের সমীকরণ। কিছুদূর যেতেই রেললাইন। সিলেট-ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ। মাঝে মধ্যে ট্রেনের হুইসেল! কী সুন্দর, মায়াবী রেলপথটি। এখানে সাত কালারের চা উপভোগ করতে পারবেন পাহাড়ের গা বেয়ে একটু ওপরে এ চা-ঘর। পাশেই ছোট্ট একটি দোকান। হস্তশিল্পসহ খেলনা পাবেন। বাচ্চারা কিনে আনন্দ পাবে। রেলিং বেয়ে নিচে নেমেই রেললাইন ঘেঁষে একটা সাইনবোর্ড। তাতে লেখা অস্কার বিজয়ী একটি সিনেমার শুটিং হয়েছিল বলে লেখা আছে।

রেলপথের ডানে-বাঁয়ে গিয়ে চা-বাগান থেকে ট্রেন যাওয়ার ছবি তুলতে মজাই লাগবে। এরপর থ্রিলিং পথ। লুকানো পথ; ভয় লাগে। সূর্যের আলোর লুকোচুরি। টিলা বেয়েও বন। মাঝে মধ্যে ঘন বনাঞ্চল। সূর্যের আলোও সব সময় পৌঁছায় না। হঠাৎ মিথুন বলল, ওই যে দেখুন চশমা পরা হনুমান। চারদিকে বাহারি রঙের প্রজাপতি। উঁচু গাছে ঝুলছে অজানা সাপ। লতা বা পাতায় জড়িয়ে। কী রোমাঞ্চকর! থেকে থেকে পাখির ডাক। ঝিঁঝির শব্দ বন মাতিয়ে রেখেছে।

আনমনে হারিয়ে যাচ্ছি। হঠাৎ সফরসঙ্গীর ডাক। ভাই, কাঠবিড়ালিটা খুব সুন্দর তো! রঙিন ঝরাপাতা বিছানো পথ বেয়ে বনপথে। আমরা চলেছি। এদিক-ওদিকে কিশোর-কিশোরীর দল। দেশ-বিদেশের পর্যটক। বনের মধ্যেই কলরোল। ডালে ডালে ঝুলে থাকে উল্লুক ও হনুমান। দাঁত বের করে ভয় দেখায় বানর। দারুণ রোমাঞ্চকর, না?

হঠাৎ ট্রেনের হুইসল। তড়িঘড়ি করে রেলপথের কাছাকাছি। হেলে দুলে ট্রেন চলে যাচ্ছে। ট্রেনে বেশ কয়েকবার সিলেটে যাতায়াত করেছি এ বন দিয়েই। চা-বাগান, অন্ধকার এ অরণ্যের বাঁশবাগান আর সুবুজে মোড়া দুপাশের এ পথ বেয়ে যেতে কতই রোমাঞ্চ লাগে, তা বলে বোঝানো যাবে না! মধ্যেই সাত কালারের ঐতিহ্যবাহী চায়ের স্বাদ নিলাম। নাস্তাও সেরে নিলাম। নিরাপত্তার জন্য পুলিশের চলাচলও দেখলাম। বনের মধ্যে বা আশপাশে ভালো থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা নেই। শ্রীমঙ্গল ও একটু দূরে বিভিন্ন রিসোর্টে থাকতে পারেন। সবুজেমোড়া রিসোর্টে থাকতে রোমাঞ্চ হবে।

এরপর শ্রীমঙ্গল হয়ে ঢাকা। একদিনের এ ভ্রমণ স্মৃতির পটে থাকবে বহুদিন। চম্বুকময়তা আছে এ বনে। মায়াবী ভরা আশপাশে। তাই, ডাকছে আমার বারেবারে...। ভ্রমণ শেষে মিথুনের কথাই মনে হলো, ফরেস্টে আছে মায়াবী চম্বুক, আছে থ্রিলার!

যাওয়া-আসা

ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে যাত্রা শুরু করা যাবে। বাসে করে শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজারগামী বাসে শ্রীমঙ্গল নামতে হবে। ট্রেনে এলে শ্রীমঙ্গল স্টেশনে নেমে পড়ুন। তারপর সকালের নাস্তা করে যাত্রা শুরু করুন। ৬-৭ কিমির পথ।

থাকা ও খাওয়া

থাকা ও খাওয়ার জন্য শ্রীমঙ্গলে প্রচুর হোটেল ও রিসোর্ট আছে। আপনার বাজেট অনুযায়ী যে কোনো হোটেলে রাত যাপন ও খাওয়া-দাওয়া করতে পারেন। শ্রীমঙ্গল থেকে চা কিনতে ভুলবেন না। মনিপুরিদের বিভিন্ন জিনিস এখান থেকে কিনতে পারেন। পানসী হোটেলে (যাত্রার শুরুতেই) বিভিন্ন রকমের ভর্তার স্বাদ নিতে পারেন।

সতর্কতা

বন-পাহাড়ে ট্রাকিং বা হাঁটতে হলে স্যান্ডেল নিয়ে এলে আরামদায়ক হবে। সাপ ও বিষাক্তপ্রাণী থেকে সতর্ক থাকতে হবে। হোটেলগুলোতে দামদর করে নিতে হবে। অনেক হোটেল-রিসোর্টে থাকা-খাওয়ার জন্য অত্যধিক ব্যয় করতে হয়। তাই পছন্দ অনুযায়ী বাছাই করুন। একদিন থাকলে তো অত হিসাব না করলেও চলে!

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন