স্যার জগদীশচন্দ্র বসু কমপ্লেক্স
jugantor
ভ্রমণ
স্যার জগদীশচন্দ্র বসু কমপ্লেক্স

  লেখা ও ছবি সুমন্ত গুপ্ত  

২৯ নভেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্যার জগদীশচন্দ্র বসুকে বলা হয় বিশ্বের অন্যতম বিজ্ঞান পথিকৃৎ। বলা হয়ে থাকে তিনি নাকি সময়ের আগেই পৃথিবীর আলো দেখেছিলেন। তার যথার্থ বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন এখনো করা সম্ভব হয়নি। জগদীশচন্দ্র বসু সাধারণ মানুষের মাঝে পরিচিত ‘গাছের প্রাণ আছে’ এ আবিষ্কারের মাধ্যমে। এ ছাড়া বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় তার নিঃশঙ্ক পদচারণা আমাদের অবাক করে দেয়। একাধারে জগদীশচন্দ্র্র বসু ছিলেন পদার্থবিদ এবং উদ্ভিদ বিজ্ঞানী। আমরা সাধারণত ভেবে থাকি, এ দুটি বিষয়ের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য আছে। জগদীশচন্দ্র বসু কিন্তু প্রমাণ করেছিলেন বিজ্ঞানের সব বিষয়গুলো একে অন্যের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত। আমাদের দুর্ভাগ্য, পরাধীন দেশের বিজ্ঞানী হওয়াতে বিজ্ঞান সভা আছে তাকে ঠিকমতো মূল্যায়িত করা হয়নি। এখন অবশ্য পৃথিবীজুড়ে আবার নতুন করে ওই বিজ্ঞান গুরু তাপসের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের পর্যালোচনা হয়েছে। অনেকে বলেছেন, কেবল মার্কোনিকে আমরা বেতার তরঙ্গ উদ্ভাবনের জনক হিসাবে স্বীকৃতি দেব না, এর পাশাপাশি আচার্য জগদীশচন্দ্র্র বসু নামও মনে রাখতে হবে।

স্যার জগদীশচন্দ্র বসুকে নিয়ে এ কথাগুলো বলার কারণ হলো আজ আমরা ঘুরতে ঘুরতে চলে এসেছি আচার্য জগদীশচন্দ্র্র বসুর বাড়ির প্রবেশ দ্বারে। স্যার জগদীশচন্দ্র্র বসুর বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। এটি স্যার জগদীশচন্দ্র্র বসুর পৈতৃক বাড়ি। এটি শ্রীনগর উপজেলার রাঢ়ীখাল গ্রামে অবস্থিত। ঢাকা থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। মূল প্রবেশদ্বার অবশ্য অন্যদিকে ছিল আমরা রাস্তা ভুল করে পেছনের পথে প্রবেশ করি। চারপাশের গাছ গাছালির উপস্থিতি প্রথমে আপনার মনে হতে পারে আপনি কোনো ফরেস্টে এসে উপস্থিত হয়েছেন। আমরা এগিয়ে চললাম দেখা পেলাম পশু-পাখির ম্যুরাল। একটু সামনে এগিয়ে যেতেই দেখতে পেলাম কৃত্রিম ঝর্ণা। লেকের ওপর তৈরি করা হয়েছে কাঠের ব্রিজ, বসার ছাউনি। আমাদের মতো অনেকেই এসেছেন ঘুরে দেখতে। দেখা পেলাম শান বাঁধানো পুকুর ঘাট। দেখে মনে হয়ে গেল আগের আমলের রাজা বাদশাহ জমিদারের কথা।

আমরা পুকুর ঘাটে গিয়ে বসলাম। শান্ত, নিরিবিলি পরিবেশ যেখানে নেই কোনো নাগরিক কোলাহল। আমরা এগিয়ে চললাম গাছের ফাঁকে ফাঁকে সূর্যদেব খেলা করছিল। দেখা পেলাম বাচ্চাদের খেলার জন্য ব্যবস্থা। ভেতরে আরও শান বাঁধানো পুকুর ঘাটের দেখা পেলাম। অনেকেই পুকুর ঘাটে বসে আছেন কেউ আবার ছবি তুলছেন। আমরাও ছবি তুলছি মাঝে মধ্যে। ও বলাই হলো না ভ্রমণসঙ্গী হিসাবে এ যাত্রায় আমার সঙ্গে আছে সহধর্মিণী সানন্দা গুপ্ত, অনিক গুপ্ত। একে একে ছয়টি দিঘির দেখা পেলাম আমরা। কিছু দূরত্বে যাওয়ার পর দেখা পেলাম স্যার জগদীশচন্দ্র্র বসুর বাড়ি। তবে বাড়ির ভেতরে প্রবেশের আগে বড় করে লেখা অনুমতিবিহীন প্রবেশ নিষেধ। ভেতরে প্রবেশের অভিপ্রায় নিয়ে একটু এগিয়ে যেতেই ভেতরের জীর্ণদশা দেখে খুব খারাপ লাগল। কয়েক পরিবার হয়তো এখানে থাকেন। তাই আর ভেতরে প্রবেশ করলাম না। কিছু সামনে যেতেই দেখা পেলাম জাদুঘরের আর স্যার জগদীশচন্দ্র্র বসু কমপ্লেক্সের প্রবেশদ্বারের। আমরা পেছনদিকে প্রবেশ করেছি তাই। জাদুঘরে প্রবেশ করতেই দেখতে পেলাম জগদীশচন্দ্র বসুর পোট্রেট, গবেষণাপত্র, হাতে লেখা পাণ্ডুলিপি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তিতে তাকে লেখা চিঠি ও রবীন্দ্রনাথের বসুকে লেখা চিঠি, তেল রং দিয়ে আঁকা ১৭টি দুর্লভ ছবি, রয়্যাল সোসাইটিতে দেওয়া বক্তিতার কপি এবং নানা দুর্লভ জিনিস। তবে মনে মনে প্রশ্ন জাগল এত বড় মাপের একজন বিজ্ঞানীর দুর্লভ জিনিসগুলো ছোট্ট একটি রুমের মাঝে গাদাগাদি করে রাখা হয়েছে। কিন্তু কেন এর প্রশ্নের উত্তর কেউ দিতে পারলেন না। সংস্কারের অভাবে ভেঙে পড়েছে মিউজিয়াম ঘরটি। স্থানীয় একজন বললেন, প্রায় শত বছর আগে জে. সি. বোস ও তার স্ত্রীর ইচ্ছায় এখানে চালু করা হয়েছিল মন্দিরভিত্তিক পাঠশালা। পরে সেটি কলেজ হয়েছে কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় পুরোনো ভবনগুলো ভেঙে পড়ার দশা। কমপ্লেক্সের পাশেই আছে স্যার জগদীশচন্দ্র বসু ইনস্টিটিউশন ও কলেজ।

জেনে রাখা ভালো জগদীশচন্দ্র বসুর আবির্ভাব ঘটেছিল ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ নভেম্বর তারিখে। জগদীশ চন্দ্রের বাবার নাম ভগবান চন্দ্র বসু। ভগবান চন্দ্র ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে পাস করেছিল। সেই বছরই জগদীশ চন্দ্রের জন্ম হলো আর সেই বছরই ভগবান চন্দ্র ময়মনসিংহ জেলার ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টরের পদে নিযুক্ত হলেন। জগদীশচন্দ্রের মায়ের নাম বামাসুন্দরী। ভগবান চন্দ্রের আদি নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুর পরগনার রাঢ়িখাল গ্রামে। বসু পরিবার ছিলেন সেখানকার সম্মানিত পরিবার। তখনকার দিনে বিক্রমপুর ছিল শিক্ষাতে অগ্রণী গ্রাম। ভগবান চন্দ্র ছিলেন একজন নিষ্ঠাবান ব্রাহ্ম। তখনকার ব্রাহ্মসমাজে সবাই ছিলেন স্বাধীনচেতা এবং প্রগতিমনের অধিকারী। ভগবান চন্দ্র এবং বামাসুন্দরী দুজনেই আধুনিক চিন্তাধারার মানুষ ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই জগদীশচন্দ্র মা ও তার বাবার কাছ থেকে এ গুণ অর্জন করেছিলেন।

যেভাবে যাবেন : ঢাকা গোলাপ শাহর মাজারের কাছাকাছি ঢাকা-দোহার বাসে উঠবেন আর নামবেন রাঢ়িখাল তিন দোকান। অথবা পোস্তাগোলা ব্রিজ থেকে মাওয়াগামী যে কোনো বাসে উঠে শ্রীনগর বাজার। সেখান থেকে অটোতে রাঢ়িখাল জগদীশচন্দ্র্র বসু কমপ্লেক্স। ঢাকা থেকে দিনে দিনে মুন্সীগঞ্জ ভ্রমণ শেষ করে ফিরে আসা সম্ভব।

ভ্রমণ

স্যার জগদীশচন্দ্র বসু কমপ্লেক্স

 লেখা ও ছবি সুমন্ত গুপ্ত 
২৯ নভেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্যার জগদীশচন্দ্র বসুকে বলা হয় বিশ্বের অন্যতম বিজ্ঞান পথিকৃৎ। বলা হয়ে থাকে তিনি নাকি সময়ের আগেই পৃথিবীর আলো দেখেছিলেন। তার যথার্থ বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন এখনো করা সম্ভব হয়নি। জগদীশচন্দ্র বসু সাধারণ মানুষের মাঝে পরিচিত ‘গাছের প্রাণ আছে’ এ আবিষ্কারের মাধ্যমে। এ ছাড়া বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় তার নিঃশঙ্ক পদচারণা আমাদের অবাক করে দেয়। একাধারে জগদীশচন্দ্র্র বসু ছিলেন পদার্থবিদ এবং উদ্ভিদ বিজ্ঞানী। আমরা সাধারণত ভেবে থাকি, এ দুটি বিষয়ের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য আছে। জগদীশচন্দ্র বসু কিন্তু প্রমাণ করেছিলেন বিজ্ঞানের সব বিষয়গুলো একে অন্যের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত। আমাদের দুর্ভাগ্য, পরাধীন দেশের বিজ্ঞানী হওয়াতে বিজ্ঞান সভা আছে তাকে ঠিকমতো মূল্যায়িত করা হয়নি। এখন অবশ্য পৃথিবীজুড়ে আবার নতুন করে ওই বিজ্ঞান গুরু তাপসের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের পর্যালোচনা হয়েছে। অনেকে বলেছেন, কেবল মার্কোনিকে আমরা বেতার তরঙ্গ উদ্ভাবনের জনক হিসাবে স্বীকৃতি দেব না, এর পাশাপাশি আচার্য জগদীশচন্দ্র্র বসু নামও মনে রাখতে হবে।

স্যার জগদীশচন্দ্র বসুকে নিয়ে এ কথাগুলো বলার কারণ হলো আজ আমরা ঘুরতে ঘুরতে চলে এসেছি আচার্য জগদীশচন্দ্র্র বসুর বাড়ির প্রবেশ দ্বারে। স্যার জগদীশচন্দ্র্র বসুর বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। এটি স্যার জগদীশচন্দ্র্র বসুর পৈতৃক বাড়ি। এটি শ্রীনগর উপজেলার রাঢ়ীখাল গ্রামে অবস্থিত। ঢাকা থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। মূল প্রবেশদ্বার অবশ্য অন্যদিকে ছিল আমরা রাস্তা ভুল করে পেছনের পথে প্রবেশ করি। চারপাশের গাছ গাছালির উপস্থিতি প্রথমে আপনার মনে হতে পারে আপনি কোনো ফরেস্টে এসে উপস্থিত হয়েছেন। আমরা এগিয়ে চললাম দেখা পেলাম পশু-পাখির ম্যুরাল। একটু সামনে এগিয়ে যেতেই দেখতে পেলাম কৃত্রিম ঝর্ণা। লেকের ওপর তৈরি করা হয়েছে কাঠের ব্রিজ, বসার ছাউনি। আমাদের মতো অনেকেই এসেছেন ঘুরে দেখতে। দেখা পেলাম শান বাঁধানো পুকুর ঘাট। দেখে মনে হয়ে গেল আগের আমলের রাজা বাদশাহ জমিদারের কথা।

আমরা পুকুর ঘাটে গিয়ে বসলাম। শান্ত, নিরিবিলি পরিবেশ যেখানে নেই কোনো নাগরিক কোলাহল। আমরা এগিয়ে চললাম গাছের ফাঁকে ফাঁকে সূর্যদেব খেলা করছিল। দেখা পেলাম বাচ্চাদের খেলার জন্য ব্যবস্থা। ভেতরে আরও শান বাঁধানো পুকুর ঘাটের দেখা পেলাম। অনেকেই পুকুর ঘাটে বসে আছেন কেউ আবার ছবি তুলছেন। আমরাও ছবি তুলছি মাঝে মধ্যে। ও বলাই হলো না ভ্রমণসঙ্গী হিসাবে এ যাত্রায় আমার সঙ্গে আছে সহধর্মিণী সানন্দা গুপ্ত, অনিক গুপ্ত। একে একে ছয়টি দিঘির দেখা পেলাম আমরা। কিছু দূরত্বে যাওয়ার পর দেখা পেলাম স্যার জগদীশচন্দ্র্র বসুর বাড়ি। তবে বাড়ির ভেতরে প্রবেশের আগে বড় করে লেখা অনুমতিবিহীন প্রবেশ নিষেধ। ভেতরে প্রবেশের অভিপ্রায় নিয়ে একটু এগিয়ে যেতেই ভেতরের জীর্ণদশা দেখে খুব খারাপ লাগল। কয়েক পরিবার হয়তো এখানে থাকেন। তাই আর ভেতরে প্রবেশ করলাম না। কিছু সামনে যেতেই দেখা পেলাম জাদুঘরের আর স্যার জগদীশচন্দ্র্র বসু কমপ্লেক্সের প্রবেশদ্বারের। আমরা পেছনদিকে প্রবেশ করেছি তাই। জাদুঘরে প্রবেশ করতেই দেখতে পেলাম জগদীশচন্দ্র বসুর পোট্রেট, গবেষণাপত্র, হাতে লেখা পাণ্ডুলিপি, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তিতে তাকে লেখা চিঠি ও রবীন্দ্রনাথের বসুকে লেখা চিঠি, তেল রং দিয়ে আঁকা ১৭টি দুর্লভ ছবি, রয়্যাল সোসাইটিতে দেওয়া বক্তিতার কপি এবং নানা দুর্লভ জিনিস। তবে মনে মনে প্রশ্ন জাগল এত বড় মাপের একজন বিজ্ঞানীর দুর্লভ জিনিসগুলো ছোট্ট একটি রুমের মাঝে গাদাগাদি করে রাখা হয়েছে। কিন্তু কেন এর প্রশ্নের উত্তর কেউ দিতে পারলেন না। সংস্কারের অভাবে ভেঙে পড়েছে মিউজিয়াম ঘরটি। স্থানীয় একজন বললেন, প্রায় শত বছর আগে জে. সি. বোস ও তার স্ত্রীর ইচ্ছায় এখানে চালু করা হয়েছিল মন্দিরভিত্তিক পাঠশালা। পরে সেটি কলেজ হয়েছে কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় পুরোনো ভবনগুলো ভেঙে পড়ার দশা। কমপ্লেক্সের পাশেই আছে স্যার জগদীশচন্দ্র বসু ইনস্টিটিউশন ও কলেজ।

জেনে রাখা ভালো জগদীশচন্দ্র বসুর আবির্ভাব ঘটেছিল ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ নভেম্বর তারিখে। জগদীশ চন্দ্রের বাবার নাম ভগবান চন্দ্র বসু। ভগবান চন্দ্র ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে পাস করেছিল। সেই বছরই জগদীশ চন্দ্রের জন্ম হলো আর সেই বছরই ভগবান চন্দ্র ময়মনসিংহ জেলার ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টরের পদে নিযুক্ত হলেন। জগদীশচন্দ্রের মায়ের নাম বামাসুন্দরী। ভগবান চন্দ্রের আদি নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুর পরগনার রাঢ়িখাল গ্রামে। বসু পরিবার ছিলেন সেখানকার সম্মানিত পরিবার। তখনকার দিনে বিক্রমপুর ছিল শিক্ষাতে অগ্রণী গ্রাম। ভগবান চন্দ্র ছিলেন একজন নিষ্ঠাবান ব্রাহ্ম। তখনকার ব্রাহ্মসমাজে সবাই ছিলেন স্বাধীনচেতা এবং প্রগতিমনের অধিকারী। ভগবান চন্দ্র এবং বামাসুন্দরী দুজনেই আধুনিক চিন্তাধারার মানুষ ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই জগদীশচন্দ্র মা ও তার বাবার কাছ থেকে এ গুণ অর্জন করেছিলেন।

যেভাবে যাবেন : ঢাকা গোলাপ শাহর মাজারের কাছাকাছি ঢাকা-দোহার বাসে উঠবেন আর নামবেন রাঢ়িখাল তিন দোকান। অথবা পোস্তাগোলা ব্রিজ থেকে মাওয়াগামী যে কোনো বাসে উঠে শ্রীনগর বাজার। সেখান থেকে অটোতে রাঢ়িখাল জগদীশচন্দ্র্র বসু কমপ্লেক্স। ঢাকা থেকে দিনে দিনে মুন্সীগঞ্জ ভ্রমণ শেষ করে ফিরে আসা সম্ভব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন