নষ্ট হচ্ছে কর্মঘণ্টা, ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি

  যুগান্তর ডেস্ক ২৩ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

নষ্ট হচ্ছে কর্মঘণ্টা, ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি
পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) চেয়ারম্যান আবু নাসের খান

পরিবারপ্রতি গড়ে ৫-১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচের কারণ ধূলিদূষণ পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) চেয়ারম্যান আবু নাসের খান যুগান্তরকে বলেন, শীতকালে ধূলিদূষণের পরিমাণ প্রচুর বেড়ে যায়।

ধূলিদূষণ আসলে বায়ু দূষণেরই একটা অংশ। ধূলিদূষণ লোকালয়ের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকারক। শুষ্ক মৌসুমে ধূলিদূষণের কারণ রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করার পর দ্রুত মাটি, বালু না সরানো, রাস্তা পরিষ্কার না করা, ময়লা-আবর্জনা রাস্তায় ফেলা, নির্মাণ কাজ করার সময় ধুলা যাতে না ছড়ায় সেই ব্যবস্থা গ্রহণ না করার ফলে।

নতুন ভবন নির্মাণ বা পুরনো ভবন ভাঙার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন না করা। পুরনো ভবন ভাঙার আগে যদি পানি দিয়ে ভিজিয়ে নেয়া হয় তাহলে ধুলা এত বেশি পরিমাণে ছড়ায় না। চারপাশে চটের বেড়া দিয়েও ধুলা ছড়িয়ে পড়া কমানো যেতে পারে।

রেস্টুরেন্টের খাবারে গিয়ে মিশছে এ ধুলা। শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ধুলা দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে। অনেকের সর্দি-কাশি লেগেই থাকছে, নানা ধরনের রোগ হচ্ছে।

ধুলার সঙ্গে নানা ধরনের জীবাণু ছড়িয়ে পড়ায় জনস্বাস্থ্যের সরাসরি ক্ষতি হচ্ছে। বয়স্ক এবং শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এ ধূলিদূষণ থেকে। ফলে ওষুধ ও চিকিৎসা খাতে বেশি খরচ হচ্ছে।

পরিবারপ্রতি গড়ে পাঁচ থেকে ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে ধূলিদূষণের ফলে। যেখানে ধূলিদূষণ কম সেখানে ঘনঘন ঘর, মেঝ, আসবাবপত্র পরিষ্কার করতে হয় না।

কিন্তু আমাদের এখানে প্রতিদিন ঘর মুছতে হচ্ছে, কাপড় পরিষ্কার করতে হচ্ছে। এর মাধ্যমে বহু পরিমাণে অতিরিক্ত শ্রমঘণ্টা ব্যয় হচ্ছে। যে এলাকায় ধুলার পরিমাণ বেশি সেখানে একটা কাপড় একবার পরার পরই ময়লা হয়ে যাচ্ছে।

ফলে অতিরিক্ত পানি খরচ হচ্ছে, অতিরিক্ত ডিটারজেন্ট যাচ্ছে, ঘনঘন কাপড় ইস্ত্রি করতে হচ্ছে। একটা কাপড় ঘনঘন ধৌত করলে দ্রুত কাপড়টি ফ্যাকাশে হয়ে যায়, ফলে নতুন কাপড় কিনতে হয়। ধুলা জমে আসবাবপত্র দ্রুত নষ্ট হচ্ছে, যন্ত্রপাতি অকার্যকর হয়ে যাচ্ছে।

স্বাক্ষাৎকার গ্রহণ : সাইফুল ইসলাম খান

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×