পানি জমলেই সেখানে মশা ডিম ছাড়ে

  যুগান্তর ডেস্ক ২৭ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

অধ্যাপক এবিএম আবদুল্লাহ
অধ্যাপক এবিএম আবদুল্লাহ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডিন ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এবিএম আবদুল্লাহ বলেন, আসলে এ সিজন বলতে নয়, বছরের শুরু থেকেই আমরা ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী পাচ্ছি।

তবে সবচেয়ে বেশি রোগী পাওয়া যায় বর্ষা মৌসুমে, যখন বৃষ্টিপাত হয়। পানি জমে গেলেই ওই বদ্ধপানিতে মশা ডিম পাড়ে। তবে ডেঙ্গুর মূল মৌসুম বর্ষাকাল; তাই এখন ধীরে ধীরে কমে যাবে।

শীত যখন আসে তখন ডেঙ্গু মশার প্রজননও হয় না, ডিমও পাড়ে না। তবে এ মাসেও আমরা কিছু কিছু ডেঙ্গু রোগী পাচ্ছি। তবে আশা করছি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শীতের প্রকোপ বাড়লে ডেঙ্গুর পরিমাণ কমে যাবে।

তিনি বলেন, শীতে অ্যাজম, টনসিল বাড়া, সাধারণ সর্দি-কাশি, ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা ও সাইনোসাইটিসের সমস্যা বাড়ছে। ঠাণ্ডা থেকে যারা বয়স্ক মানুষ তাদের বাতজনিত ব্যথা বাড়ে।

শীতকালে চর্মরোগ বাড়ে, যাদের আগে অ্যালার্জি বা একজিমা আছে তাদের সমস্যা বাড়তে পারে। অতিরিক্ত ঠাণ্ডা থেকে বৃদ্ধ ও শিশুদের শরীরের তাপমাত্রা কমে যেতে পারে।

কাঁচা রস পান সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ এ চিকিৎসক বলেন, শীতে কাঁচা রস খেতে সমস্যা নেই। তবে লক্ষ রাখতে হবে যেন রসটা ফ্রেশ থাকে, বাদুড় রসে মুখ দিয়ে থাকলে তা পরিহার করাই ভালো। বিগত সময়ে এ থেকে বিভিন্ন ভাইরাস জ্বর ছড়িয়েছে। বিশেষ করে নিপা ভাইরাস।

সাক্ষাৎকার গ্রহণ-

সাইফুল ইসলাম খান

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

 
×